অন্য পত্রিকা থেকে

৪৩ বছরের জাসদের নিরাকরণ আর বিএনপির পতন পর্ব

সৈয়দ শাহ সেলিম আহমেদ: বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তি সংগ্রামের সব চাইতে অগ্রগামী এবং সংগঠিত শক্তির নেতা কর্মীদের সমন্বয়ে তথা তারুন্যের অদম্য শক্তির বিদ্রোহী অংশের দ্বারাই স্বাধীনতা পরবর্তী মুক্তিযুদ্ধে তাদেরই নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের রাজনীতির প্রতি প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের বিপ্লবী শ্লোগান দিয়ে ১৯৭২ সালের ৩১শে অক্টোবর জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ নামক নতুন দলটির জন্ম হয়েছিলো।

জন্মলগ্নে জাসদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছিলেন মুক্তিযুদ্ধের সফল এক নায়েক ও সেক্টর কমান্ডার মেজর(অবঃ) জলিল আর সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন তখনকার ছাত্র আন্দোলন ও ছাত্র সমাজের কাছে অতি প্রিয়ভাজন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলক, ডাকসুর সাবেক ভিপি ও মুক্তিযোদ্ধা আ স ম আবদুর রব। এই দুজন ছাড়াও মুক্তিযুদ্ধে যারা সরাসরি অংশ গ্রহণ করেছিলেন তাদের সিংহভাগ নেতা কর্মী এবং তরুন ছাত্র ছাত্রী মুক্তিযোদ্ধের অগ্রসর চিন্তার সকল ব্যক্তিগনের, সাংস্কৃতিক, বুদ্ধিজীবী, শিল্পীদের বিরাট অংশ জাসদের মাধ্যমে নতুন সমাজ গঠণের লক্ষ্যে বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের শ্লোগানে দীক্ষিত হয়েছিলেন।

আর নেপথ্যের কারিগর ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের রূপকার, স্বাধীন বাংলা নিউক্লিয়াসের জনক, এককালীন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল আলম খান।বলা যায়, সিরাজুল আলম খানের ব্রেন চাইল্ড জাসদ ও জলিল-রব-সিরাজ-মার্শাল মনি, জিকু, কাজী আরেফ, ইনু, আম্বিয়া, রুহুল আমিন, মোঃ শাহজাহান, কর্ণেল তাহের, জিয়াউদ্দিন, মাহবুবুল, সহ এদের মিলিত শক্তির কাছে বঙ্গবন্ধু ও আওয়ামীলীগের সরকার প্রচন্ড বাঁধা ও হুমকির সম্মুখিন হচ্ছিলো।

বঙ্গবন্ধুর পাহাড় সমান জনপ্রিয়তাকে ম্লান করে দিচ্ছিলো জাসদ নামক দলটি। তারউপর মাঠের বক্তৃতায় বঙ্গবন্ধুর হুবহু বিকল্প হিসেবে আ স ম আবদুর রব ছিলেন রীতিমতো রাজনৈতিক চরম হুমকি স্বরূপ।এমনি অবস্থায় আওয়ামীলীগের দমন পীড়ন আর রক্ষীবাহিনীর অত্যাচারের বিকল্প হিসেবে জাসদের গণবাহিনী ও জাসদের ছাত্র সংগঠণ ছাত্রলীগ হয়ে উঠে দুর্জেয় ও অপ্রতিরোধ্য।

আওয়ামীলীগের ষ্টীম রোলারে জাসদ নেতৃত্ব ও নেতা কর্মীরা জেল জুলুমে বন্দি হয়ে পরেন। সেই এক ইতিহাস। ইতিহাসের কষ্ঠিপাথরে জাসদ এর নানা কার্যক্রম ও উপাখ্যান ব্যাখ্যা বিশ্লেষণের দাবী রাখে। কেননা, বাংলাদেশের সঠিক ইতিহাস বিনির্মানের জন্য জাসদের কার্যক্রম সঠিকভাবে ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ জরুরী। জাসদকে বাদ দিয়ে কিংবা কেবলমাত্র নেতিবাচক আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশের সত্যিকার ও নির্মোহ ইতিহাস রচনা ও চর্চা প্রায় অসম্ভব।

০২) জাসদ এর যখন চরম যৌবন কাল, তখন এই দলে যেমন অনেক ত্যাগী এবং তারকা নেতা কর্মী এবং সমাজের সব চাইতে অগ্রসর চিন্তা ও মেধাবীদের সমন্বয় ঘটেছিলো এই দলটিতে, তেমনি যৌবনের শীর্ষকাল পেরিয়ে যখন একটু পড়ন্ত ভাটার টান ধরলো, তখনি রাজনৈতিক রঙ্গমঞ্চে বঙ্গবন্ধুর ট্র্যাজিক হত্যাকান্ডের পর জিয়াউর রহমানের অভ্যুদয় ঘটে।জিয়াউর রহমানের ক্ষমতায় আসীনের পর পরই জাসদ নেতা কর্মীদের উপর নেমে আসে তাদেরই মিত্র(যেহেতু সিপাহী জনতার বিপ্লবে তারাই জিয়াউর রহমানকে ক্ষমতায় বসিয়েছিলো) জিয়াউর রহমান কর্তৃক চরম খড়গ। এসময় জিয়াউর রহমান জাসদের নেতা কর্ণেল আবু তাহের বীর উত্তমকে ফাসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করেন, জলিল-রব সহ অন্যান্য নেতাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড দেন।

০৩) জাসদ যখন যৌবন এবং ভাঙ্গন আর চরম হতাশার মধ্যে হাব্য ডুবু খাচ্ছিলো, তখনি জাসদের নেপথ্যের কারিগর সিরাজুল আলম খান ৮০ সালের দিকে জাসদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভা চলাকালিন সময়ের ঠিক আগে নতুন এক তত্ব হাজির করে ভাঙ্গনোম্মুখ জাসদের মধ্যে বিদ্রোহের আগুন লাগিয়ে দেন। তখনো জাসদ তাদের গণবাহিনীর নেতা কর্ণেল আবু তাহের সহ দশ হাজার নেতা কর্মীর শোক কাঠিয়ে উঠতে পারেনি।

এমনি সময়ে জাসদের সকল স্তরের নেতা কর্মীদের কাছে কাপালিক খ্যাত সিরাজুল আলম খান , নিরাকরনে নিরাকরন নামক তত্ব- যাতে তিনি বলেন, জাসদও একদিন ক্ষয় হয়ে যাবে, কালের আবর্তে জাসদ নামক কোন রাজনৈতিক দল থাকবেনা। যে নেতার ডাকে বাংলাদেশের হাজারো লাখো তরুণ সমাজ আগুনের উপর ঝাপিয়ে পড়েছিলো- সেই নেতাই বললেন জাসদ নিরাকরনে নিরাকরন হয়ে যাবে। শুরু হয় জাসদের কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে তুমুল ঝগড়া আর আলোচনা।

বঙ্গবন্ধুর ঝাপটা আর জিয়াউর রহমান মার্শাল অস্রে ক্ষত বিক্ষত জাসদ নিজেদেরকে গোছানোর পরিবর্তে দল হিসেবে ভবিষ্যতে থাকবে কি থাকবেনা- সেই থিওরীর ব্যাখ্যা প্রতি-ব্যাখ্যা আর উপযুক্ততা নিয়ে শুরু করে নিজেদের মধ্যে বাক যুদ্ধ। এমনিতে রনক্লান্ত দলটি, তারউপর নেপথ্যরের কারিগর সিরাজুল আলম খানের এমন তত্ব- জাসদ হয়ে পড়ে আরো উদভ্রান্ত ও অনৈক্যের ডালা পালায় ক্ষত বিক্ষত ও ব্রাকেট বন্দি হয়ে পড়ে।

এ সময় জাসদের ছাত্র সংগঠণের ছাত্র নেতা মাহমুদুর রহমান মান্না গণমাধ্যমে বলেন, প্রধান নেতাকে কেন্দ্র করে যে আশাবাদ ব্যক্ত হয়েছিলো তা মূলতঃ ভেঙ্গে গেছে। সেই যে ভেঙ্গে যাওয়া ( বলতে অনেকগুলো কারণ ও উপকরন) – সেই ভেঙ্গে যাওয়া থেকে জাসদ নামক বৃহত বিরোধী রাজনৈতিক দলটি ভেঙ্গে খান খান হয়ে যায়। বিভিন্ন সরকারের সময় দলটি ভাঙতে ভাঙতে বর্তমানে বহুধা বিভক্ত দলটির নেতারা মাছের চোখের মতো মিন মিন করে অন্যের করুনা নিয়ে খুড়িয়ে চলেন, যদিও আ স ম আবদুর রব এখনো পুরনো আদলে জ্বলে উঠার ব্যর্থ চেষ্টা করেন।

০৪) দলটির একটি অংশের নেতা হাসানুল হক ইনু আওয়ামীলীগের নৌকার কল্যাণে মন্ত্রীত্ব লাভ করে যদিও জোর গলায় বিপ্লবী বক্তব্য রেখে চলেছেন, কিন্তু বিগত সাত বছরে এই অংশটি আরো ক্ষয় হতে ক্ষয় হয়েছে।ক্ষমতায় থেকে দলটি নিজেদের অবস্থান গোছাতে পারেনি। গণমাধ্যমের বিভিন্ন খবর অনুসারে জানা যায়, অচিরেই দলটিরও নাম এক সময় পরিবর্তন হয়ে যাবে- যা দলীয় নেতা নূরুল আম্বিয়া ইতোমধ্যেই দলীয় ফোরামে তুলেছেন।যেভাবেই রাজনীতি চলুক না কেন- দলটি আর কোনভাবে দাঁড়াতে পারবেনা

অর্থাৎ আওয়ামীলীগের বিপরীতে একক বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি হওয়ার মতো শক্তি কোনকালেই হবেনা- সেটা বলাই বাহুল্য। সিরাজুল আলম খানের তত্ব মোতাবেক জাসদ নিরাকরন হয়ে যাচ্ছে। এখন শুধু সেই নিরাকরনের চূড়ান্তকরন বা অস্তমিত সূর্যের ক্ষণকাল দেখার অপেক্ষা মাত্র। কেননা, জাসদের যে কাল চলছে- সেটা এখন মৃত্যুর ( সখরাতের ) কষ্টের কঠিণ এক কাল। সুতরাং জাসদ নামের গর্জন-তর্জন চলবেই আরো কিছুকাল।

০৫) বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী জাসদের মতো বিশাল বিরোধী দলের দাপুটে রাজনীতির বিপরীতে নতুন করে যে জাতীয়তাবাদী দলটি বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে ব্যাপকভাবে জনপ্রিয়তা লাভ করে, হাটে ঘাটে, স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে আওয়ামীলীগের একচ্ছত্র দাপুটে রাজনীতির বিপরীতে সমানভাবে দাঁড়িয়ে যায় তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত- সেই দলটি হলো জিয়াউর রহমানের বাজাদল থেকে পর্যায়ক্রমে গড়া বিএনপি নামক এই দলটি।

এই দলটি এতো সৌভাগ্যবান যে, মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বকারী দল আওয়ামীলীগ এবং ছাত্রলীগের নেতৃত্বের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বিএনপি এবং ছাত্রদল সারা বাংলাদেশে জনপ্রিয় হয়ে উঠে। সেই সাথে দলটি বার বার ক্ষমতার স্বাদও পায়। ৬৮ হাজার বাংলাদেশের প্রতিটি গ্রামে আওয়ামীলীগের বিপরীতে বিএনপিও সমানভাবে প্রিতিষ্ঠিত হয়ে যায়।

১৯৯০ সালের পর থেকে গণতান্ত্রিক শাসন যখন থেকে প্রবর্তিত হয়ে যায় বাংলাদেশে, তখন থেকেই বাংলাদেশের বিশাল জনগোষ্ঠীর কাছে বদ্ধমূল হয়ে যায়, ক্ষমতার পটপরিবর্তনে ঘুরে ফিরে পালাক্রমে হয় আওয়ামীলীগ নাহয় বিএনপি বাংলাদেশ শাসন করবে। ঠিক এই বদ্ধমূল ধারনার মধ্যে পেরেক গেড়ে দিয়েছেন আওয়ামীলীগ ও শেখ হাসিনার সরকার। বাংলাদেশের মানুষের সেই ধারণাকেই পালটে দিয়েছেন শেখ হাসিনার সরকার।

১৯৮৮ সেনা সমর্থিত তত্বাবধায়ক সরকারের দমন পীড়নের পর পরই আওয়ামীলীগের কূটরাজনৈতিক চাল ও ধরপাকড়ে বিএনপি এমন ভাবে পাকড়াও হয়ে যায়, দলটি আর দাড়াতেই পারছেনা। তৃনমূলের এতো বিশাল কর্মীবাহিনী এবং হাজার হাজার নেতৃত্ব থাকা সত্যেও, এতো সমর্থন আর মিডিয়ারও সমর্থন থাকা সত্যেও ভুল রাজনৈতিক এবং ভুল সাংগঠনিক সিদ্ধান্তের জন্য ১৯৭২ এর জাসদ নামক দুর্দান্ত দলটি যেমন করে ৮০ দশকে একেবারে তাসের ঘরের মতো চূর্ণ বিচূর্ণ হয়ে ক্ষয়িঞ্চু হয়ে যায়, তেমনি লাখ লাখ সমর্থক আর নেতা কর্মী থাকা সত্যেও বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম এক বড় দল চোখের সামনে একে বারে ক্ষয় হয়ে যাচ্ছে।

এমনি ক্ষয় অবস্থা দেখে মাঝে মধ্যে সচেতন এবং গণতন্ত্রের প্রতি আজন্ম শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা যারা রাখেন, সেই সব বোদ্ধা সাংবাদিক আর মিডিয়া বিএনপিকে নিজেদের স্বার্থে, গণতন্ত্রের স্বার্থে বিএনপি না চাইলেও কোরামিন ইঞ্জেকশন দিয়ে বাঁচিয়ে রাখার আপ্রান চেষ্টা করছেন। বিগত ৫ই জানুয়ারির পর থেকে এতো বড় কর্মীবাহিনীর বিশাল দলটি কোন কর্মসূচী পালন দূরে থাকুক, গনতান্ত্রিক কোন কর্মসূচীই দিতে পারেনি।

অথচ দলটি আছে নানান কাকতালীয় ও আকাশ কুসুম স্বপ্ন নিয়ে। বিএনপির যে কার্যক্রম- সেটা দলীয় কোন কার্যক্রম নেই বললেই চলে। যা আছে এখন তাহলো মিডিয়া দলটিকে বাঁচিয়ে রেখেছে।

০৬) শামসুজ্জামান দুদু প্রতিদিন প্রেস ব্রিফিং করে জানান দিচ্ছেন আমরা আছি, ব্রিফিং নির্ভর এক দলের মধ্যে আবদ্ধ হয়ে আছে। আর অনলাইনে সারা বিশ্বের বিএনপির হাজারো নেতা কর্মী নানান সভা সমাবেশ আর বিবৃতির মাধ্যমে দলটিকে অনলাইন মাধ্যমে সচল রেখেছেন মাত্র।আজ লন্ডন চিকিৎসারত বেগম খালেদা জিয়া লন্ডনে সমাবেশ করার কথা। অথচ দেশের মধ্যে একের পর এক মুক্তমনা লোকদের হত্যা কিংবা আনসারুল্লাহর তান্ডব- যেন গা সওয়া হয়ে গেছে।

নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা বেষ্টনির মধ্যেও কি করে এতো সব হত্যাকান্ড দিনে দুপুর হচ্ছে- আসলে দেশে কি হচ্ছে? কেন এতো ভীতিকর অবস্থা ? আনসারুল্লাহ নিষিদ্ধ, আইএসও নেই, জঙ্গিদের প্রতি জিরো টলারেন্স- তারপরেও একের পর এক মানুষ খুন হচ্ছে- অনেক প্রশ্নেরই কোন উত্তর মিলছেনা।সরকারি দল যেমন, বিরোধী দলও তেমন। জনগনের জন্যতো কেউ নেই।

০৭) শমসের মবিনের পদত্যাগ ও অবসর- অনেক প্রশ্নের উদ্রেক করেছে। রাজনীতিতে অনেক কানাঘুষা চলছে একই পথ অনুসরন করবেন আরো অনেকে।দুই বিদেশী হত্যাকান্ড নিয়ে দূতাবাস ও সরকারের টানা পোড়েন- এরই মধ্যে রাজধানীতে আরেক হত্যাকান্ড, এর আগে পীর হত্যাকান্ড- একের পর এক ঘটেই চলেছে- সব কিছুতেই জঙ্গি, আইএস, বিএনপিকে জড়িয়ে সরকারের বক্তব্য বিবৃতি অথচ বিএনপির গথ বাধা প্রতিবাদ ছাড়া নেই কোন রাজনৈতিক কর্মসূচী। দেওয়ারমতো অবস্থানেও নেই।

এমনি অবস্থায় সারা বিশ্বের প্রবাসী জনগন একত্রিত হয়েও যদি বিশাল শোডাউন প্রবাসে করেন, তাহলে কি ঢাকার রাজনীতিতে বিন্দুমাত্র রেখাপাত করবে। আ স ম আবদুর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় যথার্থই বলেছেন, প্রবাসে বসে আন্দোলন করে সরকার পরিবর্তন করা যাবেনা। মৃতপ্রায় বিএনপি কি সেটা উপলন্ধি করে উঠে দাড়ানোর চেষ্টা করবে- অন্ততঃ গণতন্ত্রের স্বার্থে ?

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close