লন্ডন থেকে

ইদুঁরের উপদ্রবে অতিষ্ট বাঙালী পাড়া টাওয়ার হ্যামলেটস

শীর্ষবিন্দু নিউজ ডেস্ক: ইদুঁরের কারণে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন টাওয়ার হ্যামলেটস বারার জনগণ। প্রতিনিয়তই এই অভিযোগ শুনতে শুনতে অতিষ্ঠ খোদ টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের কমকর্তারাও।

বারার কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ফুড হাইজিনের ক্ষেত্রে কোনরূপ নেতিবাচক কিছু নজরে আসলে, ০২০ ৭৩৬৪ ৫০০৮ নাম্বারে ফোন করে কাউন্সিলকে তা অবিহত করতে জনসাধারণের প্রতি আহধ্বান জানায় টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিল।

কাউন্সিলের অফিসাররা ২০১৪ সালের নভেম্বর মাসে অল্ডগেইটের স্টেপনী ওয়েতে অবস্থিত আহমেদস ফ্রুট এন্ড ভেজ শপে রুটিন পরিদর্শনে গিয়ে ইদূঁরের উপদ্রব দেখতে পান। তারা দোকানটি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে দোকানটি ফুড সেফটি সিস্টেমের সাথে নিবন্ধিত ছিলো না। ঐ গ্রোসারি শপে ইঁদূরের উপদ্রবের জন্য ৩০০০ পাউন্ড জরিমানাও করা হয়েছে।

দোকানটির মালিক আব্দুল মালিকে আদালতে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের দোষ স্বীকার করে নিলে আদালত তাকে ১,৫০০ পাউন্ড জরিমানা এবং মামলার খরচ বাবদ আরো ১৫০০ পাউন্ড ও ভিক্টিম সারচার্জ বাবদ ১২০ পাউন্ড প্রদানের নির্দেশ দেন। ঐ দোকানে খাবার সংক্রান্ত স্বাস্থ্যবিধির ওপর পূর্ণাঙ্গ নীরিক্ষা চালানোর সময় কাউন্সিল অফিসাররা গোটা শপে বিপুল পরিমাণে ইদূরের বিষ্টা দেখতে পান। জনসাধারণের কাছে বিক্রির জন্য রাখা খাবারের কন্টেইনারের ওপর, খাবার রাখার তাকের ওপর ইদূঁরের বিষ্টা পাওয়া যায়। শুকনো মাছ বা শুটকীর প্যাকেটে ইদূঁরে খাওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়।

ইদূঁরের উপদ্রব এমন মারাত্মক ছিলো যে, অফিসাররা শপটি তাৎক্ষনিকভাবে বন্ধ করে দিতে বাধ্য হন। কিছু দিন পর দোকানটি পুণরায় খোলা হলে কাউন্সিলের এনভায়রনমেন্টাল অফিসাররা আবার ভিজিট করেন এবং কয়েকবার পরিদর্শন করে তারা শপটির ফুড হাইজিন বা স্বাস্থ্যবিধি সন্তোষজনক বলে নিশ্চিত হন।

টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের এনভায়রনমেন্ট ডিপার্টমেন্ট থেকে বলা হয়েছে, খাদ্য নিরাপত্তা বিধি উপেক্ষা বা ভঙ্গের বিষয়টি কাউন্সিল গুরুত্বের সাথে নিয়ে থাকে। খাবারের স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে অনুস্মরণ করার জন্য আমরা বারার সকল বিক্রেতাদের অনুরোধ করছি। যদি কেউ কখনও আইনের বরখেলাপ করেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নিতে আমরা বিন্দুমাত্র পিছপা হবো না।

 

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

আরও দেখুন...

Close
ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close