অন্য পত্রিকা থেকে

বিভিন্ন বিলের অস্তিত্ব বিলীনের আশংকা: হাকালুকি হাওরের জলমহালের ভূমি প্রভাবশালীদের নামে রেকর্ড

নিউজ ডেস্ক: দেশের সর্ববৃহৎ হাকালুকি হাওরের বিভিন্ন সরকারি জলমহালের ভূমি প্রভাবশালীরা নিজেদের নামে রেকর্ডভুক্ত করে নিয়েছে। উপজেলা সেটেলম্যান্ট অফিস গত বছরের ডিসেম্বর মাসে ভূমি জরিপের প্রিন্ট ফর্চা বিতরণ করলে হাওরের ভূমিলুটের এ বিষয়টি ধরা পড়ে। প্রিন্ট ফর্চায় রেকর্ডভুক্ত ভূমি বেদখল হলে সরকারি বিল-জলাশয়ের অস্তিত্ব বিলীন হওয়ার আশংকা রয়েছে।

নুসন্ধানে জানা গেছে, সরকারি জলমহাল ৬নং রেজি:ভুক্ত ও ১নং খাস খতিয়ানভুক্ত ভূমি। এ ভূমি ব্যক্তি মালিকানায় রেকর্ডভুক্ত করার কোনো বিধান নেই। কিন্তু বিগত সময়ে মাঠপর্যায়ে সেটেলম্যান্ট জরিপ চলাকালে এক শ্রেণীর জরিপ কর্মকর্তার যোগসাজশে প্রভাবশালীমহলের আঁড়ালে ভূমিখেকোচক্র বিরাট অংকের উৎকোচের বিনিময়ে জাল কাগজপত্রে ১নং খাস খতিয়ানভুক্ত জলমহালের ভূমিকে আমন উরা, বাউসি উরা, বোরোউরা ইত্যাদি শ্রেণী দেখিয়ে সুকৌশলে নিজেদের নামে রেকর্ড করে নেয়। চক্রটি কয়েক বছরে অতি গোপনে ভূমি জরিপের বিভিন্ন ধাপ সম্পন্ন করে গত নভেম্বর/ডিসেম্বর মাসে প্রিন্ট ফর্চাও সংগ্রহ করে নিয়েছে।

হাকালুকি হাওরপারের ইসলামপুর মৌজার ৫৭০নং খতিয়ানের প্রিন্ট ফর্চা খতিয়ে দেখা যায়, নূরজাহানপুর গ্রামের মৃত লাল মিয়ার ছেলে আক্কাস মিয়া একটি জলমহালের পাড়ের প্রায় সাড়ে ছয় একর ভূমি বিভিন্ন দাগে খ- খ- করে নিজের নামে রেকর্ড করে নিয়েছে। হাওরের নিমুই বিল, নিরাই বিল, নিমকুরি বিল, চিকনউটি, হুগলা, কালকুরি, মালাম, বড়ধলিয়া বিলসহ বিভিন্ন বিলের শত শত একর সরকারি ভূমি সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার নূরজাহানপুর গ্রামের বাসিন্দা ইসকন্দর আলী, মহরম আলী গংরা নিজেদের নামে রেকর্ডভুক্ত করিয়ে প্রিন্ট ফর্চা সংগ্রহ করেছে।

অভিযোগের বিষয়ে বড়লেখা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শারমিন সুলতানা জানান, সরকারি বিভিন্ন জলমহালের কিছু কিছু ভূমি ব্যক্তির নামে রেকর্ডভুক্ত হওয়ার বিষয়টি তিনি শুনেছেন। গেজেট পাবার পর তিনি এগুলো সংশোধনের ব্যবস্থা নেবেন

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close