অন্য পত্রিকা থেকে

লুনার ভূমিকা নিয়ে খোদ ইলিয়াস পন্থিদের সংশয়

রাজনীতি ডেস্ক: গত কয়েকনিজস্ব প্রতিবেদকঃদিন ধরে সিলেট বিএনপি অঙ্গসংগঠনের ঘটে গেছে দুটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা। একটি ছাত্রদলে অপরটি সিলেট বিএনপিতে। দুটি ঘটনাতেই সিলেট বিএনপির নতুন মেরুকরণ ও পরিবর্তনের আভাস পাওয়া গেছে। এই মেরুকরণে সিলেট বিএনপি ও ছাত্রদলে ইলিয়াস পন্থিরা এখন প্রায় কোনঠাসা অবস্থানে।

ছাত্রদলে পদপবঞ্চিত ব্যানারে এতদিন আন্দোলন করে আসছিলো কয়েকজন শীর্ষ ছাত্রদল নেতা। এর মধ্যে ইলিয়াস পন্থি ছিলেন শাকিল মুর্শেদ। ৬ ফেব্রুয়ারী রাতে শাকিল সহ ইলিয়াস পন্থি কেউই পদ পাননি। এর আগে সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের কমিটিতেও ইলিয়াস পন্থীরা বঞ্চিত ছিলেন। আর ৬ ফেব্রুয়ারী রাতের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে ইলিয়াসপন্থিদের কেউ নেই বললেও চলে।

একই অবস্থা সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপির কাউন্সিলেও। এখানেও ইলিয়াসপন্থিরা দারুন বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। জেলা ও মহানগর বিএনপির ৬ পদের একটিতেও জেতেনি তাদের কেউ। বরঞ্চ কোন কোন ক্ষেত্রে ভরাডুবি হয়েছে তাদের।

এ অবস্থায় ইলিয়াস আলীর সাথে এতদিন যারা রাজনীতি করে আসছিলো তারা হতাশায় ভুগছে। ইলিয়াস আলী গুম হওয়ার পর শুধু তাকে ফিরে পাওয়ার আন্দোলন করতে গিয়ে ২০-২৫টি মামলার ভাগিদার হতে হয়েছে তাদের। অথচ ইলিয়াসপতিœ লুনার এ কয়েকদিনের ভূমিকা নিয়ে ইলিয়াস অনুসারীদের মধ্যে কানাঘুষা চলছে। অনেকেইে অভিযোগ করছেন লুনার কারনেই পরাজয় ঘটেছে ইলিয়াস বলয়ের।

সর্বশেষ বিএনপির কাউন্সিলে ইলিয়াস আলীর নির্বাচনী এলাকা বিশ্বনাথ, বালাগঞ্জ ও ওসমানী নগরের ৯ ভোট ইলিয়াসপন্থীরা পায়নি এমন অভিযোগ ইলিয়াস বলয়ের। পুরো দায়টা তাই নেতাকর্মীরা লুনার উপর বর্তাচ্ছেন। লুনার কথা রাখেনি এই ৩ উপজেলার ৯ কাউন্সিলর।

সিলেটের তৃণমূল বিএনপির অধিকাংশ নেতাকর্মীরা মনে করে, যারা ইলিয়াস আলীর জন্য রাজপথে দূর্বার আন্দোলন সংগ্রাম করেছে তাদেরই ভোট দেননি ইলিয়াস আলীর তিন উপজেলার ভোটাররা। তাদের ভোটগুলো ইলিয়াসপন্থিরা যেন পায় এ ধরনের কোন চেষ্টাই লুনা করেনি বলে অভিযোগ সিলেট তৃণমূল বিএনপির। তাদের দাবী তিনি অনেকটা নিরেপক্ষ ভূমিকায় ছিলেন। যার কারনে এই তিন উপজেলা ভোট গেছে ইলিয়াস বিরোধী বলয়ের বাক্সে।

জানা গেছে লুনা নিরেপক্ষ থাকলেও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে এডভোকেট হাসান আহমদ পাটোওয়ারী রিপনের পক্ষে ছিলেন। যে কারণে আন্দোলনের মাঠে কোন অবদান না থাকলেও অনেকটা চমক দেখিয়ে রিপন জিতে যায় সাংগঠনিক সম্পাদক পদে। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে রিপন এগিয়ে ছিলেন এমন কথা নানা জনের কাছে লুনা নিজে থেকেই বলতেন। তাই গত কযেকদিনের ঘটনা নিয়ে সিলেট বিএনপিতে চলছে কানাঘুষা।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close