লন্ডন থেকে

ধর্ষণের অভিযোগে বেথনালগ্রীণের বাসিন্দা আরবী শিক্ষক মোহাম্মদ ইসলামের জেলদন্ড

শীর্ষবিন্দু নিউজ ডেস্ক: অবৈধ সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমে ১৪ বছরের এক ছাত্রী গর্ভবতী হওয়ায় ইস্ট লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটসের বাসিন্দা আরবী শিক্ষক মোহাম্মদ ইসলামকে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে ১৯ বছরের জেল দন্ডের পাশাপাশি সেক্স অফেন্ডার হিসাবে তালিকাভুক্ত করতে নির্দেশ দিয়েছে স্নায়ার্সব্রুক ক্রাউন কোর্ট।

আদালত ভন্ড শিক্ষক মোহাম্মদ ইসলামকে অপ্রাপ্ত বয়সী শিশু ধর্ষণের অভিযোগে ১৯ বছরের জেল এবং একই সঙ্গে অপ্রাপ্ত বয়সীকে যৌন হয়রানী এবং যৌন কার্যক্রমের জন্য আরো সাড়ে ৭ বছর জেলদন্ড দিয়েছে আদালত। এছাড়া তাকে সেক্স অফেন্ডার হিসাবে রেজিষ্টার বা তালিকাভুক্ত করতে গত ২৯শে ফেব্রুয়ারী নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

আদালতের শুনানিতে বলা হয়, ওয়েস্ট লন্ডনের হেইসে বসবাসরত ১৪ বছরের ছাত্রীকে দীর্ঘদিন থেকে প্রাইভেট পড়িয়ে আসছেন বেথনালগ্রীণের মরপেথ স্ট্রীটের বাসিন্দা মোহাম্মদ ইসলাম। ছাত্রীটির পরিবার হেইসে বসবাসের আগে ইস্ট লন্ডনে ছিলেন। তখন থেকেই প্রাইভেট পড়াতে গিয়ে ৯ বছরের ছাত্রীর সঙ্গে অবৈধভাবে সম্পর্ক স্থাপন শুরু করেন প্রাইভেট শিক্ষক।

এ ঘটনা গত বছরের জুলাই মাসের। ছাত্রীর পরিবার হেইসে চলে যাবার পরেও ক্ষান্ত হচ্ছিলেন না প্রাইভেট শিক্ষক ইসলাম। তিনি চাপ দিয়ে ছাত্রীর সঙ্গে দৈহিক সম্পর্ক বজায় রাখেন। এক পর্যায়ে ছাত্রীটি গর্ভবতী হয়ে পড়ে।

এরপর পুরো সম্পর্ক অস্বীকার করে অসহায় কিশোরীকে ছেড়ে আসেন তিনি। মানসিকভাবে বিধ্বস্ত কিশোরী এবং তার পরিবার আদালতে গর্ভবতী কিশোরীল পেটের বাচ্চার বাবা ওই প্রাইভেট শিক্ষক মোহাম্মদ ইসলাম বলে প্রমাণ করতে সমর্থ হন। আদালতের দীর্ঘ শুনাতিতে মোহাম্মদ ইসলাম তার ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনা শিকার করেন। এছাড়া শিশুকে যৌন হয়রানীর ৪টি এবং শিশুর সঙ্গে যৌন কার্যক্রমের আরো ২টি অভিযোগে অভিযুক্ত হন ইসলাম ধর্মের প্রাইভেট শিক্ষক মোহাম্মদ ইসলাম।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close