লন্ডন থেকে

টাওয়ার হ্যামলেটসে বর্ণবাদীতা রুখতে পুলিশের সাথে মেয়রের বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত

শীর্ষবিন্দু নিউজ ডেস্ক: টাওয়ার হ্যমলেটস একটি শান্তিময় বারা। এই বারায় কোন ধরনের বর্ণবাদীতার স্থান নেই। ভবিষ্যতে যেকোন ধরনের বর্ণবাদী তৎপরতা বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার জন্য পুলিশের প্রতি বিশেষ আহধ্বান জানিয়েছেন। টাওয়ার হ্যামলেটসের নির্বাহী মেয়র জন বিগস। মঙ্গলবার ডেপুটি এসিট্যান্ট কমিশনার মার্ক সায়মনস এবং টাওয়ার হ্যামলেটসের নতুন বারা কমান্ডার স্যু উইলিয়ামসের সাথে বৈঠকে তিনি এই আহবান জানান।

গত ১২ মার্চ ইস্ট লন্ডন মসজিদের সামনে ব্রিটেন ফার্স্টের আকস্মিক সমাবেশের প্রেক্ষাপটে ভবিষ্য্ কর্মপরিকল্পনা নির্ধারনে মালবারী প্লেসের মেয়র অফিসে এই বিশেষ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। টাওয়ার হ্যামলেটসের সকল বাসিন্দা বিশেষ করে ঐদিনের ঘটনার পর আতংকিত মুসলিম কমিউনিটির সাথে সংহতি প্রকাশ করে মেয়র বিগস আরো বলেন, বিভিন্ন উদ্যোগের পাশাপাশি ইন্টার ফেইথ ফোরাম এবং বিরোধী দলের নেতৃবৃন্দের সাথেও আমি লিঁয়াজো করে চলেছি।

টাওয়ার হ্যামলেটসে যে ব্রিটেন ফার্স্টের কোন জায়গা নেই এই বার্তা আমি ঐক্যবদ্ধভাবে পাঠাতে চাই। তিনি আরো বলেন, শনিবার ব্রিটেন ফার্স্টের সমাবেশটি পরিষ্কারভাবে উসকানীমূলক ছিলো। তারা প্রতিক্রিয়ার জন্য অপেক্ষায় ছিলো। শুধু তাই নয় তারা বাসিন্দাদের আইনসংগত স্বাভাবিক কার্যক্রমে বাধা দিয়েছে এবং এতে সহিংসতার ব্যাপক আশংকা সৃষ্টি হয়েছিলো।

বৈঠকে ভবিষ্যতে এজাতীয় সংগঠনের বর্ণবাদী ত্পরতা বন্ধের বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। আলোচনাকালে মেয়র ব্রিটেন ফার্স্টের পরবর্তী ত্পরতা বন্ধে আইনগত দিকটি খতিয়ে দেখতে এবং ভবিষ্যতে তাদের আকস্মিক সমাবেশ দ্রুত ঠেকানোর জন্য উদ্যোগ নেয়ার অনুরুধ করেন। তিনি যে কোন বর্ণবাদী সংগঠনের উসকানীমূলক ত্পরতা বন্ধে পুলিশের আরো দ্রুত প্রতিক্রিয়া কামনা করেন।

বৈঠক শেষে মেয়র তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, শনিবারের ঘটনার পর থেকে আমি বসে নেই। বর্ণবাদী ব্রিটেন ফার্স্টের আকস্মিক সমাবেশ আমাদের সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে। আর এজন্য শনিবারের ঘটনার কিছুক্ষন পরই আমি ইস্ট লন্ডন মসজিদ, লন্ডন মুসলিম সেন্টার এবং আলতাব আলী পার্কে যাই। এর পর থেকেই কাউন্সিল, পুলিশ এবং বিভিন্ন কমিউনিটি সেইফটি পার্টনারের সাথে কাজ করে চলেছি।

চীফ এক্সিকিউটিভকে প্রয়োজনীয় সকল উদ্যোগ নেয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছি। পাশাপাশি ইস্ট লন্ডন মসজিদ তথা স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য কাউন্সিল অফিসার এবং অর্থ বিনিয়োগেরও নির্দেশ দিয়েছি। এছাড়া ঘটনার পরদিন রোববার দ্বীতিয়বারের মতো আমি ইস্ট লন্ডন মসজিদে গিয়ে এর ট্রাস্টিদের সাথে বৈঠক করি। এসময় আমার সাথে ডেপুটি মেয়র সিরাজুল ইসলাম, ডেপুটি মেয়র শিরিয়া খাতুন, স্পিকার আব্দুল মুকিত, কাউন্সিলার খালেস উদ্দিন এবং কাউন্সিলার আয়াস মিয়া উপস্থিত ছিলেন।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close