জাতীয়

বল প্রয়োগের মাধ্যমে সিল দেয়ার প্রমান

শীর্ষবিন্দু নিউজ: বেশ কিছু কেন্দ্রে বুথের ভেতর ক্ষমতাসীন দলের মনোনীত প্রার্থীর সমর্থকদের অবস্থান করতে দেখা গেছে। কিছু কেন্দ্রে বল প্রয়োগের মাধ্যমে সিল দিতে দেখা যায়। এছাড়া ব্যলট পেপার ছিনিয়ে নেয়া, জাল ভোট প্রদার, নির্বাচন কর্মকর্তার ওপর হামলা, কেন্দ্র দখলের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হওয়া প্রথম ধাপের ৭১২টি ইউপি নির্বাচন নিয়ে এমন পর্যবেক্ষন তুলে ধরেছেন নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থা ব্রতী।

সংস্থাটির প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়, নির্বাচনে ভোটারদের, বিশেষত নারী ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। শতকরা ৬৫ ভাগ ভোট পড়েছে। ভোট প্রদানের ক্ষেত্রে বেশ কিছু এলাকায় বাধা দেয়ার ঘটনাও ঘটেছে। অধিকাংশ কেন্দ্রে সরকার-বিরোধী রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের পোলিং এজেন্ট উপস্থিত ছিল।

কেন্দ্রের বাইরে সরকার সমর্থকদের বিপুল উপস্থিতি থাকলেও বিরোধী রাজনৈতিক দলের প্রার্থীর সমর্থকদের উপস্থিতি ছিল খুবই কম। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বেশকিছু ইউনিয়নে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীরা কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে হামলা, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সহিসংতায় নির্বাচনী কর্মকর্তা, প্রার্থী আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, ভোটার ও প্রার্থীর সমর্থকসহ আনুমানিক শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়।

একজনের মৃত্যু ঘটে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি ও সক্রিয়তা দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রতিবেদনে বলা হয়, নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার, অনিয়ম, পক্ষপাত’সহ বিভিন্ন অভিযোগে বেশকিছু প্রতিদ্বন্দ্বি রাজনৈতিক দলের মনোনীত এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কেন্দ্রের অবকাঠামোগত মান যথাযথ না থাকায় ভোটারদের লাইনে দাঁড়ানো, গোপনে ভোট দেয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়েছে।

ব্রতীর প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, প্রথম ধাপের ইউপি নির্বাচনে ৫৪ জন প্রার্থী (৭ শতাংশ) বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছে, যা স্থানীয় সরকার নির্বাচনের অতীত অভিজ্ঞতায় দেখা যায়নি। নির্বাচন কমিশন বিষয়টি খতিয়ে দেখবে বলে ব্রতী আশা করে।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close