এশিয়া জুড়ে

বাংলাদেশের রিজার্ভের টাকা চুরি হয়েছে চীন থেকে

শীর্ষবিন্দু আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক: কিছু ফিলিপিনো নাগরিক হয়তো বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ৮১ মিলিয়ন ডলার লোপাটের সঙ্গে জড়িত। কিন্তু এ চুরির ফিলিপাইন থেকে ঘটেনি। ঘটেছে চীন থেকে। ফিলিপাইন সিনেটের প্রো-টেম্পোর রালফ রেক্টো বৃহস্পতিবার এ মন্তব্য করেন। এ খবর দিয়েছে ম্যানিলা টাইমস।

রেক্টো জানান, ইঙ্গিত মিলছে যে, অর্থ হাতানোর সবকিছু শুরু হয়েছে চীন থেকে। সিনেট ব্লু রিবন কমিটির কাছে থাকা তথ্যের বরাত দিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

অন্যতম সন্দেহভাজন ব্যবসায়ী কিম ওং কমিটিকে বলেছিলেন যে, তিনি জানতেন বিপুল পরিমাণ টাকা দুই চীনা ব্যবসায়ীর একাউন্ট থেকে স্থানান্তরিত হবে। তাদের নাম শুহুয়া গাও ও ডিং ঝিজে। ওই দুই ব্যক্তি টাকাটা রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং কর্পোরেশনে (আরসিবিসি) স্থানান্তর করেন।

সিনেটর রেক্টো মন্তব্য করেন, ‘এক হিসেবে, আমাদের বোকা বানানো হয়েছে। বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কারও অবহেলা ছিল, প্রথমত। তাদের কম্পিউটার ভাইরসা কিংবা ম্যালওয়ার আক্রমণ করে বসে। কিছু প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, এটা ভেতরের কারও কাজ (ইনসাইড জব)।

তিনি বলেন, নিউ ইয়র্ক ফেডারেল রিজার্ভকেও ওই লেনদেনের ছাড়পত্র দেয়ার কারণে দোষারোপ করা যায়। তার প্রশ্ন, ‘তাদের ভেরিফিকেশন প্রসেসের ভেতর দিয়ে কীভাবে এ অর্থ ছাড় পেল?’ সিনেটর উপসংহার টানেন, তার কাছে বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে যে, এ অর্থের মূল হোতারা চীনের। তিনি বলেন, ‘এটি পুরোটাই ‘মেড-ইন-চায়না’ সমস্যা।’

তার মতে, ফিলিপাইনই কেবল বাংলাদেশকে সমস্যাটি সমাধানে সহায়তা করছে। এছাড়া নিউ ইয়র্ক ফেডারেল রিজার্ভ উচ্চপর্যায়ের তদন্ত শুরুর বদলে এ বিতর্ক থেকে নিজেদের কালিমা মুছতে তৎপর। তার ভাষায়, ‘এমনকি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রধানের প্রথম দিককার কলগুলো নিউ ইয়র্ক থেকে ধরাই হয়নি।’

রেক্টো রূপক অর্থে বলেন, যদি একে কোন সাধারণ ব্যাংক ডাকাতির সঙ্গে তুলনা করা হয়, তাহলে দেখা যাবে: ‘ডাকাতরা ফিলিপিনো নয়, সহযোগিরাও ফিলিপিনো নয়, রক্ষীরাও ফিলিপিনো নয়। এমনকি যে গাড়িতে করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে তার চালকও ফিলিপিনো নয়। তবে, হ্যাঁ। ওই গাড়িটি এক ফিলিপিনোর গ্যারেজের ভেতর পার্ক করা হয়েছিল।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close