আফ্রিকা জুড়ে

শিক্ষার জন্য যেখানে শরীর বিক্রি করে মেয়েরা

শীর্ষবিন্দু আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম আফ্রিকার ছোট একটি দেশ সিয়েরা লিওনে। সেখানকার এক কিশোরী মেয়ে জানিয়েছে অদ্ভুত কথা। লেখাপড়ার খরচ চালাতে গিয়ে তাকে করতে হচ্ছে যৌনকর্মীর কাজ। ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদনে বেরিয়ে এসেছে এমনই তথ্য।

১৪ বছর বয়সি ঐ কিশোরীর নাম আমিনাতা। সে বলেছে, স্কুলের খরচ জোগাড় করার জন্য যৌনকর্মী হিসেবে কাজ করা ছাড়া তার হাতে আর কোন উপায় নেই। সিয়েরা লিওনেতে বছরে স্কুলের খরচ ব্রিটিশ মুদ্রায় ৪০ পাউন্ড। অথচ সেখানকার বেশিরভাগ মানুষের কাছেই এটা জোগাড় করা কষ্টসাধ্য।আফ্রিকার দেশগুলোর দরিদ্রতম অঞ্চলগুলোতে মেয়েদেরকে অর্থের জন্য শরীর বেচতে হয়। আবার অনেকে যৌনকাজে জড়িয়ে পড়ে শুধুমাত্র স্কুলের বেতন দেয়ার জন্য।

আমিনাতা বলেছে, এই কাজ করতে গিয়ে অনেক মেয়ে গর্ভবতী হয়ে পড়ে। তখন তাদের দেখার মতও কেউ থাকেনা। তখন পতিতাবৃত্তি ছাড়া তাদের আর কোন পথ থাকেনা। আমিনাতা নিজেও পাঁচ মাসের গর্ভবতী। তাকেও প্রথমে এই কাজে বাধ্য করেছিল এক লোক। বিনিময়ে তাকে শুধু খাওয়ার এবং স্কুলের খরচ দিতে রাজি হয়েছিল। কিন্তু গর্ভ নিরোধক ব্যবহার করার পরেও সে গর্ভধারণ করে ফেলে এবং স্কুল ছেড়ে দিয়ে এই কাজ করতে বাধ্য হয়।

একজন খদ্দেরের সাথে রাত কাটানোর জন্য আমিনাতা প্রতিদিন পায় ৩ পাউন্ড। ব্যবসা ভালো গেলে সর্বোচ্চ আয় হয় ৯ থেকে ১০ পাউন্ড। কিন্তু এতে করে তাকে এক রাতে ৩ জনের সাথে রাত কাটাতে হয়। জোর পূর্বক যৌন কাজে জড়িয়ে গর্ভবতী হওয়ার পর অনেক মেয়েকেই লেখাপড়া ছেড়ে দিতে হয়েছে। সিয়েরা লিওনেতে নারী শিক্ষার হার কমে গেছে প্রায় ৯ দশমিক ৫ শতাংশ।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close