গ্যালারী থেকে

শয্যাসঙ্গী না হলে দলে সুযোগ নেই

গ্যালারী থেকে ডেস্ক: ফেডারেশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে রাত না কাটালে দলে জায়গা পাওয়া যেত না! শুধু ফেডারেশন নয়, টিম ম্যানেজমেন্টের লোকদের মনোরঞ্জন করতে না পারলে খেলার সুযোগ পাওয়া যেত না! ক্যারিয়ারের কথা চিন্তা করে কর্মকর্তাদের কাছে জিম্মি ভারতীয় নারী ফুটবল দল। এমনই অভিযোগ করেছেন ভারতীয় ফুটবল দলের প্রাক্তন অধিনায়ক সোনা চৌধুরী।

১৯৯৫ সালে জাতীয় নারী দলে অভিষেক হয় সোনা চৌধুরীর। পরের বছর দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পান তিনি। তবে মাত্র তিন বছরেই শেষ হয় তার ক্যারিয়ার। পায়ের চোটের কারণে মাঠে ফিরতে পারেননি আর। সোনা চৌধুরী তার গেম ইন গেম বইয়ে এসব অভিযোগ করেছেন। তিনি লিখেছেন, শুধু প্রতিভা দিয়ে ভারতীয় দলে সুযোগ পাওয়া যায় না। দলে সুযোগ পেতে হলে টিম ম্যানেজমেন্টের লোকদের মনোরঞ্জন করতে হয়। তাদের সঙ্গে রাত কাটাতে হয়। জাতীয় নারী ফুটবল দলে জায়গা পেতে হলে কর্মকর্তাদের শয্যাসঙ্গিনী হতে হয়।

দেশের বাইরে খেলতে গেলে কোচ ও সচিব নারী খেলোয়াড়দের সঙ্গে একই কক্ষে থাকেন। প্রতি রাতে কোনো না কোনো খেলোয়াড়ের সঙ্গে রাত কাটান তারা। কেউ রাজি না হলে দিনের পর দিন সাইড বেঞ্চে বসিয়ে রাখা কিংবা দল থেকে র করে দেওয়া হতো।

এদিকে সোনা চৌধুরীর তথ্যকে বানোয়াট বলে দাবি করেছে ভারতের ফুটবল ফেডারেশন। কর্মকর্তাদের দাবি, কোনো প্রাক্তন ফুটবলার ও কর্মকর্তা সোনা চৌধুরীকে চিনতে পারছেন না। পরিসংখ্যানেও নাম নেই। তবে হরিয়ানার মেয়ে সোনা চৌধুরী বলছেন, কোনো মিথ্যা ও বানোয়াট কথা বইয়ে প্রকাশ করেননি তিনি। তার ভাষ্য, বইটি ৯০ শতাংশ তথ্যনির্ভর, বাকিটা গল্প।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close