অন্য পত্রিকা থেকে

এডিনবরা ভ্রমণ এবং কয়েকটি ভৌতিক কাহিনী

মাহবুবা চৌধুরী: ইংল্যান্ডে আসা-যাওয়া করছি বহুদিন। বছর তিরিশেক তো হবেই। ইংল্যান্ডের আনাচে-কানাচে ঘুরে বেড়িয়েছি আর চমৎকৃত হয়েছি। তখন আসতাম শুধু ঘুরে বেড়াতে, আর এখন ছেলেকে সঙ্গ দিতে। ছেলে লিংকন্স-ইন থেকে ব্যারিস্টারি পাস করেছে। ডারহাম ইউনিভার্সিটিতে মাস্টার্স করে এখন পিএইচডি করছে।

ডারহামে বাসা ভাড়া করে একাই থাকে মিশু। সুযোগ পেলেই ওর কাছে ছুটে আসি। বাবা-মাকে কাছে পাওয়ার জন্য বড্ড ব্যাকুল হয়ে থাকে ছেলেটা। বিলেতে এলে ওকে সঙ্গ দেয়া এবং ঘুরে বেড়ানো দুটোই হয়। স্কটল্যান্ডে যাবো যাবো করেও যাওয়া হচ্ছিল না। এবার আমাকে না জানিয়েই বাপ-বেটা ট্রেনের টিকিট এবং হোটেল বুকিং দিয়ে ফেললো।

ডারহাম ইংল্যান্ডের একেবারে উত্তর-পূর্বে। এখান থেকে এডিনবরা যেতে ট্রেনে মাত্র দু’ঘণ্টা। প্লেনে ঘণ্টাখানেক। এদেশে ট্রেনে ভ্রমণ খুবই আরামদায়ক। ঘড়ির কাঁটা ধরে ট্রেন আসে। সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছে। ঠেলা-ধাক্কার বালাই নেই। যাত্রীরা সারিবদ্ধভাবে ট্রেনে ওঠে, নামেও একইভাবে।

ট্রেনের সিট আর প্লেনের সিটে তেমন কোনো তফাৎ নেই। চোখ জুড়ানো প্রাকৃতিক দৃশ্য বড় মুগ্ধ করে। তাই ট্রেনের ভ্রমণটাই আমাকে বেশি টানে। খুব ভোরে উঠে পড়লাম। সকাল দশটায় ট্রেন। সোয়া ন’টায় ট্যাক্সি আসবে। গত রাতই বুকিং দেয়া হয়েছে।

যদিও বাসা থেকে স্টেশনে যেতে গাড়িতে মিনিট দশেক লাগে। তৈরি হয়ে স্টেশনে পৌঁছে গেলাম। ট্রেন চলছে। দু’পাশে সবুজের সমারোহ। ধু-ধু মাঠ, ফসলের ক্ষেত, আবার কোথাও সারি সারি গাছ। যেন ছোটখাটো একটা বন। সবুজ ঘাসে চড়ে বেড়াচ্ছে গরু, ভেড়া আর ছাগলের পাল। সঙ্গে ছোট ছোট ছানাপোনা। বড় আদর করতে ইচ্ছে করে ওদের।

দূরে ছোট ছোট গ্রাম। একই নকশার বাড়ি। যেন কোনো শিল্পীর তুলিতে আঁকা ছবি। ট্রেনে অনেক ধরনের খাবার। ইচ্ছেমতো কিনে খাওয়া যায়। হাল্কা নাস্তা সেরে নিলাম। চোখের পলকেই যেন দু’ঘণ্টা পেরিয়ে গেল। এডিনবরা নেমেই মিশু বললো, স্টেশন থেকে বের হয়ে রাস্তা পার হলেই আমাদের হোটেল। আমরা উঠবো দ্যা স্কটসম্যান হোটেলে। বাইরে থেকে দেখে হতাশ হলাম। মনে হলো শত বছরের পুরনো হোটেল। ছেলেকে বললাম, এটা ফাইভ স্টার হোটেল? দেখে তো মনে হচ্ছে না।

মিশু বললো, এরা ঐতিহ্য ধরে রেখেছে, তাই বাইরেটা পরিবর্তন করেনি। ভেতরটা নিশ্চয়ই ফাইভ স্টারের মতোই হবে। হোটেল স্টাফদের ব্যবহারে মুগ্ধ হলাম। রুমে ঢুকে অবাক হয়ে দেখলাম কি নিখুঁতভাবে সাজানো রয়েছে রুমটি। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ফাইভ স্টার হোটেলে থেকেছি। এত সুপরিসর কামরা এবং শৈল্পিক দৃষ্টিকোণ থেকে সাজানো কামরা কখনো দেখিনি।

বেলবয় মালপত্র রুমে নিয়ে এলো। বললো, কোনো কিছুর দরকার হলে একটা ফোনই যথেষ্ট। সঙ্গে সঙ্গে চলে আসবো।

বললাম, এখানে দেখার মতো কি কি আছে?

বেলবয় মুচকি হাসলো। বললো, এই হোটেলেই অনেক কিছু দেখার আছে।

অবাক হয়ে বললাম, ঠিক বুঝলাম না। একটু বুঝিয়ে বলো। সে বলতে শুরু করলেÑ উনিশ শ’ পাঁচ সালে নির্মিত এই ভবনটি প্রায় একশ’ বছর পত্রিকার অফিস হিসেবে ব্যবহৃত হতো। দ্যা স্কটসম্যান পত্রিকার তখন জমজমাট অবস্থা। রাত দিন সংবাদ কর্মীদের পদচারণা, হৈ চৈ, কোলাহল। আর প্রেসের ঘড় ঘড় শব্দে মুখরিত ছিল ভবনটি। দু’হাজার এক সালে পত্রিকাটি অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হয়। তখন থেকেই এটি দ্যা স্কটসম্যান হোটেল। মজার ব্যাপার হলো, এ হোটেলে যারা থাকতে আসে, তাদের অনেকেই রাতের আঁধারে নানা ভৌতিক ঘটনার সম্মুখীন হয়। হঠাৎ চোখে পড়ে রিপোর্ট হাতে সংবাদকর্মীদের ছোটাছুটি। ঘড় ঘড় প্রেসের শব্দ, ফিসফিস কথার আওয়াজ আর খিলখিল হাসি। বেলবয় আরো বললো, অনেকে আবার অসুস্থ হয়ে পড়ে। সে আমাদের আশ্বস্ত করে বললো, সবার ক্ষেত্রে এমনটি ঘটে না। কই আমি তো অনেকদিন কাজ করছি। আমি কখনো কিছু দেখিনি। বেলবয় চলে গেল।

ভয়ে গা ছমছম করে উঠলো। মতিউর মুচকি হেসে বললোÑ ওরে আমার সাহসী বউরে, ভয়ে যে মুখ ফ্যাকাশে হয়ে গেছে।

আমি যেন কিছুতেই স্বাভাবিক হতে পারছি না। মতিউর আর মিশু দুজনেই তাড়া দিয়ে বললো, হোটেলে বসে সময় নষ্ট না করে চলো বেরিয়ে পড়ি।

ফ্রেশ হয়ে বেরিয়ে পড়লাম। যত দেখছি ততই অবাক হচ্ছি। হাজার বছরের ঐতিহ্যকে কি সুন্দরভাবে ধরে রেখেছে এরা। দালানকোঠা সবই প্রায় শত বছরের পুরনো। নিখুঁতভাবে কাজ করা এই ইমারতগুলোর প্রায় প্রতিটাতেই নানা ধরনের মূর্তি শোভা পাচ্ছে। মহারানী ভিক্টোরিয়া, রাজপরিবারের সদস্য, দেব-দেবী, জলপরী, আবার কোথাও মানুসরূপী সিংহ। একটা শপিংমলে ঢুকে পড়লাম। টুকটাক কেনাকাটা সেরে চাইনিজ রেস্টুরেন্টে বসলাম। অবাক হয়ে লক্ষ্য করলাম, এখানে কোনো ওয়াশরুম নেই। ওয়েটারকে জিজ্ঞেস করতেই বললো, কোনো রেস্টেুরেন্টেই ওয়াশরুম পাবেন না। শপিংমলের এককোণে ওয়াশরুম আছে। জনপ্রতি তিরিশ পেন্স। স্টেশনেও তিরিশ পেন্স দিয়েই ওয়াশরুমে যেতে হয়েছে।

বিকেলে মুভি থিয়েটারে ছবি দেখতে গেলাম ‘ক্যাপটেন আমেরিকা-সিভিলওয়ার’। থ্রি ডি, তাই চশমা পরে দেখতে হবে। অদ্ভুত ব্যাপার। চশমা কিনতে হলো। বিভিন্ন দেশে থ্রি ডিতে ছবি দেখেছি। কোথাও চশমা কিনতে হয়নি। ছবি শেষে চশমা ফেরত দিতে হয়েছে। সিনেমা দেখে তাড়াতাড়ি হোটেলে ফিরে এলাম। শরীরটা ভালো লাগছে না। বড্ড অস্থির লাগছে। মনে হচ্ছে এক্ষুনি দম বন্ধ হয়ে মরে যাবো। মাথা থেকে যেন আগুন বেরুচ্ছে। বাইরে কনকনে ঠা-া। রুমের ভেতর হিটার জ্বলছে। মিশু আলমারি থেকে টেবিল ফ্যান বের করে মাথার কাছে চালিয়ে দিল। কিছুটা স্বস্তি পেলাম। পরক্ষণেই শীতে যেন কুঁকড়ে যাচ্ছি। ফ্যান বন্ধ করে লেপের ভেতর ঢুকে পড়ছি। মতিউর ও মিশু ঘাবড়ে গেল। আতঙ্কে মুখ ফ্যাকাশে হয়ে গেছে। অ্যাম্বুলেন্স ডাকার জন্য টেলিফোনে হাত রাখতেই বললাম, আমার এখন ভালো লাগছে। অ্যাম্বুলেন্স ডাকার দরকার নেই।

বিদেশ বিভূঁইয়ে হসপিটালে যেতে চাই না, তাই এই মিথ্যে বলা। ঘণ্টাখানেক পর কিছুটা সুস্থবোধ করলাম। টুনার স্যান্ডউইচ আর সোডা ওয়াটার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম। সকালে ঘুম ভাঙতেই বেলবয়ের কথা মনে পড়লোÑ এখানে এলে অনেকেই নাকি ভূত দেখে। আবার কেউ কেউ অসুস্থ হয়ে পড়ে। মনে মনে ভাবলাম, হয়তো ভূতের কারণেই গতরাতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছিলাম।

নাস্তা সেরে সকাল সকাল বেরিয়ে পড়লাম। আজ শহরটা ঘুরে দেখবো। শহরজুড়ে টুরিস্ট গিজগিজ করছে। সিটি ট্যুরের জন্য চমৎকার ব্যবস্থা। ঝকঝকে তকতকে ছাদখোলা দোতলা বাস অপেক্ষা করছে। টিকিট কেটে উঠে পড়লেই হলো। বাসে ধারাভাষ্যকার রয়েছে, প্রতিটি দর্শনীয় স্থান সম্পর্কে নিখুঁতভাবে তথ্য তুলে ধরবে। পর্যটকরা নিজের পছন্দের জায়গাটিতে নেমে সময় কাটাতে পারে। দেখা শেষ হলে একই টিকিটে আবার বাসে উঠতে পারবে। পনের মিনিট পরপরই বাস এসে হাজির হবে।

টিকিট কেটে টুরিস্ট বাসে উঠে পড়লাম। বাস ছুটে চলেছে, একের পর এক গন্তব্যে পৌঁছে যাচ্ছি আমরা। স্কটিশ পার্লামেন্ট সম্পূর্ণ ভিন্ন আঙ্গিকের একটি ভবন। উনিশ শ’ নিরানব্বই সালে শুরু হয়ে দুই হাজার চার সালে শেষ হয় এটি। স্প্যানিশ আর্কিটেক্ট এনরিখ মিরালেস এর রূপকার। ভবনটি তৈরি করতে প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়।

একটা নিষ্ক্রিয় ভলকানোর ওপর তৈরি হয়েছে এডিনবরা ক্যাসেল। এর ভেতরে রয়েছে সেন্ট মার্গারেট চ্যাপেল, ন্যাশনাল ওয়ার মেমোরিয়াল গ্র্যান্ড হল এবং ক্রাউন জুয়েলস। প্রায় নয়শ’ বছর আগে ডেভিড দ্যা ফার্স্টের আমলে এই ক্যাসেলের পুরনো অংশে হামলা হয়েছিল। ওই অংশটিই ক্যাসেলের অন্যতম আকর্ষণ। প্রতি বছর প্রায় চৌদ্দ লাখ পর্যটক এটি দেখতে আসেন। এছাড়াও রয়েছে প্যালেস অব হলিরুড হাউস। রানী এলিজাবেথ প্রতি বছর জুনের শেষে স্বামী লে. ফিলিপ মাউন্টব্যাটেন ডিউক অব এডিনবরাকে সঙ্গে নিয়ে এ প্রাসাদে ছুটি কাটাতে আসেন।

এডিনবরায় আরো রয়েছে অত্যাধুনিক তারাম-ল আওয়ার ডাইনামিক আর্থ। এখানে দেখানো হয় পৃথিবীর উৎপত্তি, কালের বিবর্তন, ফোর ডি শো এবং কৃত্রিম বরফের রাজ্য ও বনাঞ্চল। তারাম-লে রয়েছে চমৎকার ক্যাফেটেরিয়া। দুপুরের খাওয়া আমরা ওখানেই সেরে নিলাম। তারাম-ল থেকে বেরিয়ে বাসে উঠে গেলাম। বাসের ধারাভাষ্যকার মি. ডেভিড নিজের পরিচয় দিয়ে সবার সাথে পরিচিত হয়ে নিলেন। অনর্গল কথা বলতে পারেন। বড্ড রসিক ভদ্রলোক। ধারা বর্ণনার সাথে সাথে নানা রসিকতা করছিলেন। এডিনবরার পুরনো অংশে পৌঁছাতেই বললেনÑ তোমরা কে কে ভূত বিশ্বাস করো? একবাক্যে সবাই বললোÑ আমরা ভূত বিশ্বাস করি না।

মিস্টার ডেভিড হেসে বললেন, তোমাদের সবারই গোস্ট-ট্যুরে যাওয়া উচিত। ইভিনিং অব গোস্ট অ্যান্ড গুলস টুরে গেলেই বুঝবে ভূত কাকে বলে। ব্লেয়ার স্ট্রিটের নিচে ঢুকলেই তোমাদের হাত-পা ঠা-া হয়ে যাবে। হিডেন অ্যান্ড হন্টেড অংশে গেলেই শুরু হয়ে যাবে ভূতের তা-ব। যত বড় সাহসীই হোক না কেন, ভয়ে তার গায়ে কাঁটা দেবেই। মনে পড়ে গেল ছোটবোন শিরীনের কথা। ওর ছেলেটা হিডেন অ্যান্ড হন্টেড অংশে ঢোকার পর ওর কানে কোনো অদৃশ্যশক্তি বারবার ফুঁ দিচ্ছিল। ছেলেটা প্রাণভয়ে দৌড়ে বেরিয়ে এসেছিল।

এডিনবরা যাচ্ছি শুনে শিরীন বলেছিল, ওটা তো ভূতের শহর, সাবধানে থেকো। মি. ডেভিড জিজ্ঞেস করলেন, তোমরা কে কে ন্যাশনাল মিউজিয়ামে যেতে চাও।

অনেকেই যেতে চাইলো। মি. ডেভিড বললেন, ওখানেও ঘটেছে অনেক ভৌতিক ঘটনা। একবার দুই পর্যটক মিউজিয়ামের এক কোণে দাঁড়িয়ে ছবি তোলার পর দেখলো, ওদের ঠিক মাঝখানে গোলাপি জামা জুতো আর গোলাপি ভ্যানিটি ব্যাগ হাতে একটি মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে। ওরা দেখে তো অবাক। কারণ, ছবি তোলার সময় ওখানে মেয়ে তো দূরে থাক, কোনো মানুষই ছিল না। ঘটনাটা ওরা মিউজিয়াম কর্তৃপক্ষকে জানায়।

ওদের কথা প্রথমে কেউ বিশ্বাস করতে চায়নি। সবার উপস্থিতিতে একই জায়গায় দাঁড়িয়ে আবার ছবি তোলা হলো। ছবি ওয়াশ করার পর সবাই অবাক বিস্ময়ে দেখলো, গোলাপি জামা পরা সেই মেয়েটি একইভাবে দুজনের মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে। মি. ডেভিড একটু থেমে বললেন, এবার আমার জীবনে ঘটে যাওয়া একটা ঘটনা বলি। অনেক দিন আগের কথা। আমার বয়স তখন ষোলো কী সতেরো। আমি ভায়োলিন শিখতাম। স্কুলটা ছিল আমার বাসা থেকে বেশ খানিকটা দূরে। মাইল দেড়েক তো হবেই। ভায়োলিন শিখে ফিরতে অনেক রাত হয়ে যেত। রাস্তা থাকতো ফাঁকা। প্রতিদিনই মনে হতো আমাকে কেউ অনুসরণ করছে। আমি কারো উপস্থিতি টের পেতাম। কিন্তু কখনো পেছনে তাকাতাম না। মুরব্বিরা বলেছিল, পেছনে তাকালেই বিপদ। প্রাণ নিয়ে ফিরতে পারবে না। বাসায় ঢোকার পর ভেসে আসতো ভায়োলিনের সেই সুর, যে সুর কিছুক্ষণ আগে আমি বাজিয়ে এসেছি।

মি. ডেভিডের কথা যতই শুনছি ততই অবাক হচ্ছি। এই আধুনিক যুগেও এমন ঘটনা ঘটতে পারে? অজানা আশঙ্কায় বুক ঢিপ ঢিপ করছে। এডিনবরার পুরনো অংশ থেকে বাস নতুন অংশে চলে এসেছে। চোখে পড়লো বিশালাকার মূর্তি, স্কট মনুমেন্ট। স্যার ওল্টার স্কটের স্মরণে দু’শ বছর আগে এই মনুমেন্টটি তৈরি হয়। মনুমেন্টে রয়েছে দু’শ সাতাশিটি সিঁড়ি। এই সিঁড়ি বেয়ে মনুমেন্টের চূড়ায় ওঠা যায়। রাস্তায় বাস কারের পাশাপাশি রয়েছে ট্রাম। এডিনবরাকে ঘিরে রেখেছে প্রচুর ছোট-বড় পাহাড়। শত বছরের পুরনো দালানকোঠা পাহাড়ের ওপর থেকে জানান দিচ্ছে নিজের অস্তিত্বকে। এডিনবরা ভ্রমণ আমার জন্য এক নতুন অভিজ্ঞতা। পৃথিবীর বহু দেশ ভ্রমণ করেছি। এমন ঘটনা আগে কখনো শুনিনি। তবে একটা কথা অকপটে স্বীকার করতেই হবে, এডিনবরা নিজ ঐতিহ্য এবং কৃষ্টিকে ধরে রেখেছে আজ এবং আগামীকালের জন্য।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close