যুক্তরাজ্য জুড়ে

ব্রিটেনের ভাবী প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে: দায়িত্ব গ্রহন করছেন বুধবার

শীর্ষবিন্দু নিউজ: সোমবার ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড় থেকে হঠাৎ করেই সরে দাঁড়িয়েছেন এনার্জি মিনিষ্টার এন্ড্রিয়া লিডসম। এতে করে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় হোম সেক্রেটারী থেরেসা মে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথ সুগম হয়।

আগামী ৯ সেপ্টেম্বর টোরি পার্টির লিডারশীপ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার করার কথা থাকলে বুধবারই প্রধামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিচ্ছেন থেরেসা মে। বিবিসি সূত্রে জানা যায় আগামী বুধবারেই তিনি ব্রিটেনের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন।

গত ছয় বছর ধরে ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করে আসা ৫৯ বছর বয়সী টেরিজা মে এখন দায়িত্ব নিলে তিনিই হবেন মার্গারেট থ্যাচারের পর দেশটির দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী। কনজারভেটিভ পার্টির প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার সদস্যের ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কথা ছিল আন্ড্রে লিডসম ও তার প্রতিপক্ষ টেরিজা মে’র। এ নির্বাচনের ফল প্রকাশের কথা ছিল ৯ সেপ্টেম্বরে।

কিন্তু তার আগেই সোমবার লিডসমের প্রতিযোগিতা থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা টেরিজা মে’র জন্য দ্রুত প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দ্বার খুলে দেয়। ডেভিড ক্যামেরনের কাছ থেকে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব হস্তান্তর কখন করা হবে তা নিয়ে বর্তমানে আলোচনা চলছে। তবে এ কাজ বুধবারের মধ্যে সম্পন্ন হতে পারে বলে জানিয়েছে বিবিসি।

প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী টেরিজা মে গত সপ্তাহে পার্লামেন্টে কনজারভেটিভ সদস্যদের ভোটে ব্যাপক সমর্থন পেয়েছেন বলেও স্বীকার করেন লিডসম। কনজারভেটিভ এমপি’দের ৬০ শতাংশেরই সমর্থন পেয়েছেন টেরিজা।

আন্ড্রে লিডসম ইইউ থেকে যুক্তরাজ্যের বেরিয়ে যাওয়ার পক্ষে সফল প্রচার চালিয়ে জনগণের কাছে পরিচিতি পান। প্রধানমন্ত্রীর দৌড় থেকে সরে দাঁড়ানোর ব্যাপারে লিডসম বলেন, একটি শক্তিশালী এবং স্থিতিশীল সরকার পরিচালনার জন্য তার পক্ষে যথেষ্ট সমর্থন আছে বলে তিনি মনে করেন না। তাছাড়া, যুক্তরাজ্যের এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে মাত্র ৯ সপ্তাহের নেতৃত্বের প্রচারণাও অনাকাঙ্খিত একটি ব্যাপার বলে তিনি মনে করেন।

সাংবাদিকদের কাছে একটি বিবৃতি পড়ে শুনিয়ে লিডসম বলেন, ইইউ থেকে যুক্তরাজ্যের বেরিয়ে যাওয়ার কাজ শুরুর জন্য জরুরি ভিত্তিতে দেশে শক্তিশালী নেতৃত্ব দরকার। আমি… এ সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি যে, শক্তিশালী এবং ভাল জনসমর্থন আছে এমন একজন অবিলম্বে দায়িত্ব নিলে আমাদের দেশের স্বার্থ সবচেয়ে বেশি সুরক্ষা পাবে। আর তাই আমি দলের নেতৃত্বের নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াচ্ছি। আমি টেরিজা মে’র সাফল্য কামনা করছি এবং তাকে আমার পূর্ণ সমর্থনের নিশ্চয়তা দিচ্ছি।

যুক্তরাজ্যে গত ২৩ জুন অনুষ্ঠিত গণভোটে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে দেশটির বেরিয়ে যাওয়ার পক্ষ জয়ী হওয়ার পর পদত্যাগের ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন। কিন্তু তিনি ইইউ থেকে যুক্তরাজ্যের থেকে যাওয়ার বিপক্ষে প্রচার চালিয়েছিলেন।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close