দুনিয়া জুড়ে

অক্সফোর্ডের গবেষণা: হিলারি ১৫২ ট্রাম্প ১৭১

শীর্ষবিন্দু নিউজ ডেস্ক: রিপাবলিকান দলের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প নাৎসি অ্যাডল্ফ হিটলারের চেয়েও চিত্তবিক্ষিপ্ত বলে মন্তব্য করেছেন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা।

মনোবিদ ড. কেভিন ডুট্টন রিপাবলিকান প্রার্থীর বহু আচরণের মধ্যে বিকারগ্রস্ততার প্রমাণ পেয়েছেন। তাঁরা বিষয়টি বিবেচনার জন্য সাইকোপ্যাথেটিক পারসোনালিটি ইনভেনটরি রিভাইসড (পিপিআই-আর) নামের একটি পদ্ধতি ব্যবহার করেছেন।

ধারাবাহিক কতগুলো প্রশ্নোত্তর ব্যবহার করে এ পদ্ধতিতে নম্বর দেওয়া হয়। এই পদ্ধতি অনুসারে ট্রাম্পের স্কোর ১৭১, যা হিটলারের চেয়ে দুই পয়েন্ট বেশি। এই পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি নম্বর পেয়েছেন সাদ্দাম হোসেন। তাঁর স্কোর ১৮৯। হিলারি ক্লিনটন পেয়েছেন ১৫২। মার্গারেট থ্যাচার ১৩৬। রানি প্রথম এলিজাবেথ ১৩০।

ডুট্টন বলেন, আটটি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে এই গবেষণায় নম্বর দেওয়া হয়েছে। এগুলো দিয়েই চরিত্রের বিকার বোঝা যায়। এগুলো হলো নির্ভীকতা, ঠাণ্ডা মাথায় নির্মমতার ক্ষমতা, ইগোনির্ভর মানুষ, নিষ্ঠুরতা, আত্মবিশ্বাস, ক্যারিশমা, অসততা, সহানুভূতিশীল না হওয়া এবং বিবেকবোধ।

ব্রিটিশ পত্রিকা টেলিগ্রাফকে ডুট্টন আরো বলেন, ‘এই বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে নির্ভীকতা বা চাপ সামাল দেওয়া ইতিবাচক বৈশিষ্ট্য। অন্য বৈশিষ্ট্যগুলো যেমন—ভবিষ্যৎ প্রসঙ্গে উদাসীনতার মতো বিষয়গুলো কোনোভাবেই ইতিবাচক নয়। এ ছাড়া ঠাণ্ডা মাথায় নিমর্মতার বিষয়টি নেতৃত্বের ক্ষেত্রে ইতিবাচক বা নেতিবাচক—দুই ধরনের ভূমিকাই পালন করতে পারে।’

সামাজিক প্রভাব ও নির্ভীকতার দিক থেকে ট্রাম্প হিটলারকে ছাড়িয়ে গেছেন। তবে নির্মমতা ও ইগো বিবেচনা করলে ট্রাম্পকে টেক্কা দিয়েছেন হিটলার। এই গবেষণায় হিলারিকে বিবেচনা করা হয়েছে অতি ইগোসম্পন্ন মানুষ হিসেবে।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close