ইউরোপ জুড়ে

ব্রেক্সিট নিয়ে বৃটেনকে সতর্ক করলো জার্মানি

শীর্ষবিন্দু নিউজ ডেস্ক: ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বৃটেনের বেরিয়ে আসার সমঝোতা প্রক্রিয়া চলছে। ব্রেক্সিট নিয়ে বৃটেনকে সতর্ক করলো জার্মানি।তারই প্রেক্ষিতে বৃটেনকে সব ভাল ভাল জিনিস নিতে দেয়া হবে না বলে সতর্ক করেছেন জার্মানির অর্থনীতি বিষয়ক মন্ত্রী সিগমার গাব্রিয়েল।

তিনি বলেছেন, কিভাবে বৃটেন ব্রেক্সিট বিষয়টি সারে সেদিকে দৃষ্টি রেখেছে বিশ্ব। যদি এক্ষেত্রে কোন কিছু খারাপের দিকে যায় তাহলে ইউরোপ ‘খাদে পড়তে পারে’। এ খবর দিয়েছে লন্ডনের অনলাইন দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট। এতে বলা হয় সিগমার গাব্রিয়েল ইউরোপীয় ইউনিয়ন নিয়েও সতর্কতা উচ্চারণ করেছেন।

তিনি বলেছেন, বিশ্ব এখন ইউরোপকে একটি অস্থিতিশীল মহাদেশ হিসেবে দেখছে। তিনি বলেন, ব্রেক্সিটের ধারণা (আমাদের জন্য) খারাপ। কিন্তু যতটা আশঙ্কা করা হয়েছে আমাদেরকে অর্থনৈতিকভাবে হয়তো ততটা ক্ষতি করতে পারবে না ব্রেক্সিট। এটা এর চেয়েও মনস্তাত্ত্বিক সমস্যা।

এটা বিরাট মাপের একটি রাজনৈতিক সমস্যা। তিনি আরও বলেন, যদি আমরা ব্রেক্সিট সমঝোতাকে ভুলপথে নিয়ে যাই তাহলে আমরা গভীর সমস্যায় পড়তে পারি। তাই এখন আমাদেরকে নিশ্চিত করতে হবে যে, বৃটেনকে শুধু ইউরোপ সংক্রান্ত ভাল ভাল জিনিস রাখতে দেয়া হবে না।

তারা এ বিষয়ে কোন দায়দায়িত্ব নেবে না। উল্লেখ্য, ব্রেক্সিট নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও বৃটেনের মধ্যে এমনিতেই ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। জার্মান অর্থনীতি বিষয়ক মন্ত্রীর এমন মন্তব্যে সেই উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পাবে।

সিগমার গাব্রিয়েল বলেছেন, ব্রেক্সিট নিয়ে সমঝোতা হতে পারে ‘অত্যন্ত জটিল’ প্রক্রিয়া। একক বাণিজ্য বাজার সিঙ্গেল মার্কেট ও কর্মীদের চলাচলের স্বাধীনতায় সীমাবদ্ধতা উভয় ক্ষেত্রে পূর্ণাঙ্গ সুবিধা দেয়া যাবে না বৃটেনকে।

ব্রেক্সিট গণভোটের পর বৃটেনে নতুন সরকার এসেছে। প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়েছেন তেরেসা মে। তিনি ব্রেক্সিট গণভোটের সময় নিরপেক্ষ ছিলেন। কিন্তু সরকারের দায়িত্ব নিয়ে তিনি বলেছেন, গণভোটের রায় মেনে চলবে তার সরকার।

অর্থাৎ ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বৃটেনকে বের করে আনার সমঝোতার পথ উন্মুক্ত করে কাজ করে যাবেন তিনি। সেটা হওয়ার কথা আগামী বছর। ব্রেক্সিট নিয়ে সফলতার সঙ্গে কিভাবে কাজ করা যায় তা নিয়ে মন্ত্রীদের সঙ্গে আগামী বুধবার আলোচনা করার কথা রয়েছে তেরেসা মে’র।

এক্ষেত্রে সরকারি কর্মচারীদের ভিতর রয়েছে বিরোধিতা। সমঝোতার দায়িত্বপ্রাপ্ত সিনিয়র মন্ত্রীদের নিয়ে উত্তেজনা রয়েছে। ওদিকে ব্রেক্সিটের পরেও ব্রাসেলসের সঙ্গে সম্ভাব্য উত্তম সম্পর্ক নিশ্চিত করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর ওপর চাপ রয়েছে ইউরোপপন্থি শীর্ষ স্থানীয় এমপিদের। উল্লেখ্য, একবার যদি আর্টিকেল ৫০ বহাল করা হয় তাহলে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে সমঝোতার জন্য দু’ বছর সময় পাবে বৃটেন।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close