জাতীয়

বাংলাদেশে বিমানবন্দরের নিরাপত্তার মানদন্ড পরিবর্তন হয়নি তাই ভ্রমণে বৃটেনের ফের ভ্রমণ সতর্কতা

শীর্ষবিন্দু নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে ফের ভ্রমণ সতর্কতা দিয়েছে বৃটেনের ফরেন অ্যান্ড কমনওয়েলথ অফিস। বিশেষ করে আজকের হরতালে সহিংসতার আশংকা করে তারা তাদের নাগরিকদের সতর্ক করেছে এতে।

বলা হয়েছে, বাংলাদেশে আরও সন্ত্রাসী হামলার উচ্চ ঝুঁকি রয়েছে। বিদেশীদের টার্গেট করা হতে পারে।

ছাড়া শাহজালাল (র.) আন্তর্জাতিক বিমানন্দরের নিরাপত্তার মান সম্পকে বলা হয়েছে, এখনও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার মানদন্ড সেখানে পূরণ করা হয় নি। ৩০শে আগস্ট সরকারি ওয়েবসাইটে ওই সতর্কতা আপডেট করা হয়।

এতে বলা হয়, আজ সারাদেশে সকাল ৬টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত হরতাল আহ্বান করা হয়েছে। এ সময়ে প্রতিবাদ বিক্ষোভ সহিংস হয়ে উঠার বড় ঝুঁকি আছে। এমন অবস্থা সৃষ্টি হতে পারে সুপ্রিম কোর্ট এলাকা সহ ঢাকার কেন্দ্রীয় অন্যান্য অঞ্চলে।

এছাড়া প্রতিবাদ বিক্ষোভ হতে পারে দেশে অন্য স্থানগুলোতে। তাই নাগরিকদের সতর্ক করে ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আপনাদেরকে পূর্ব সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। এড়িয়ে চলা উচিত প্রকাশ্য স্থানগুলো। ওই বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, গত ১লা জুলাই ঢাকায় সন্ত্রাসী হামলা হয়। এতে ২০ জিম্মি ও ২ পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হন। তাই বৃটিশ নাগরিকদের চোখমুখ খোলা রেখে চলতে হবে। মনিটর করতে হবে স্থানীয় ও সামাজিক মিডিয়াগুলো।

স্থানীয় নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ বিশেষ কোন পরামর্শ দিলে তা অনুসরণ করতে হবে। ওই বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ১লা জুলাই হামলার দায় স্বীকার করেছে দায়েস। এ ছাড়া ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে আরও বেশ কয়েকটি সন্ত্রাসী হামলার দায় স্বীকার করেছে তারা।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, আল কায়েদা ইন দ্য ইন্ডিয়ান সাব কন্টিনেন্ট (একিউআইএস) সংশিষ্ট গ্রুপগুলো সক্রিয় রয়েছে। ইসলামের বিরুদ্ধাচরণ করে এমন দৃষ্টিভঙ্গি ও জীবনযাপন করেন এমন কতগুলো ব্যক্তিকে হত্যার দায়ও তারা স্বীকার করেছে। এর আগের হামলাগুলোর পর থেকেই উচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে বাংলাদেশের নিরাপত্তা রক্ষাকারীরা। অল্প সময়ের নোটিশে তাদের উপস্থিতি বাড়ানো হতে পারে এবং চলাচল সীমাবদ্ধ করা হতে পারে।

ওই বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, আরও সন্ত্রাসী হামলা হওয়ার ঝুঁকি প্রবল। সরাসরি বিদেশীদের টার্গেট করে হামলা হতে পারে। যেসব স্থানে বিদেশীরা সমবেত হন অথবা জনবহুল এলাকাগুলো হামলার উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে। তাই এমন সব এলাকায় উপস্থিতি কমিয়ে আনার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। বলা হয়েছে চলাচল করতে হবে সতর্কতার সঙ্গে। আগেভাগে নিরাপত্তামুলক ব্যবস্থা নিতে হবে।

ওই বিবৃতিতে ঢাকায় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তার মান নিয়ে কথা বলা হয়েছে। বলা হয়েছে, সেকানে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার অনেক মানদন্ড এখনও মিটানো হয় নি।

বিবৃতিতে বলা হয়, ইউকে ডিপার্টমেন্ট অব ট্রান্সপোর্ট সম্প্রতি ঢাকায় আন্তর্জাতিক ওই বিমানবন্দরের নিরাপত্তা পরিস্থিতি সম্পর্কে ধারণা অর্জন করেছে।

এরপর তারা বলেছে, এখনও আন্তর্জাতিক মানদন্ডের অনেকটাই অপূর্ণ রয়েছে। আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচলে নিরাপত্তার সব মানদন্ড যাতে নিশ্চিত করা হয় সে জন্য বাংলাদেশকে সমর্থন দিতে কাজ করছে বৃটিশ সরকার।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

আরও দেখুন...

Close
ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close