দুনিয়া জুড়ে

আরো বেশি শরণার্থী নিতে বৃটেনকে আহ্বান জানালেন আমাল ক্লুনি

শীর্ষবিন্দু আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক: শরণার্থী সঙ্কট ইস্যুতে বৃটেনকে আক্রমণ করে বক্তব্য রাখলেন মানবাধিকার কর্মী ও হলিউড অভিনেতা জর্জ ক্লুনির স্ত্রী আমাল ক্লুনি।

একই সঙ্গে তিনি দাবি তুললেন, সিরিয়ার আরও অভিবাসীকে গ্রহণ করা উচিত বৃটেনের। তিনি এক্ষেত্রে জার্মানির পথ অনুসরণ করার আহ্বান জানিয়েছেন বৃটেনের প্রতি।

কই সঙ্গে তিনি আইএসকে মোকাবিলা করতে জাতিসংঘকে চাপ দেয়ার জন্য বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। কিন্তু তার এ বক্তব্যের কড়া জবাব দিয়েছেন আলদারশটের এমপি স্যার জেরার্ড হাওয়ার্থ।

তিনি বলেছেন, অভিবাসন ইস্যুতে বৃটেনকে লেকচার দিতে হবে না মিসেস ক্লুনির। মধ্যপ্রাচ্যের শরণার্থীদের সহায়তা দেয়ার ক্ষেত্রে অন্যদের চেয়ে অনেক বেশি করেছে বৃটেন।

ইয়াজিদি নারী নাদিয়া মুরাদকে যৌনদাসী হিসেবে ব্যবহার করেছে আইএস। তাদের বিরুদ্ধে আইনী লড়াই করার ঘোষণা দেয়ার এক দিন পরেই আমাল ক্লুনি এমন সব আহ্বান জানালেন।

তিনি বলেছেন, মানবতা ও যুদ্ধাপরাঘেধর দায়ে যদি সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের বিচার হয় তাহলে তাতে তিনি খুব খুশি হবেন। চ্যানেল ৪ নিউজে আলোচিত যৌনদাসী নাদিয়াকে নিয়ে উপস্থিত হন আমাল ক্লুনি।

তিনি বলেন, আমি আশা করি আরও মানুষকে গ্রহণ করে নেয়া হবে। এখন পর্যন্ত বৃটেনে যাদেরকে আশ্রয় দেয়া হয়েছে তার মধ্যে মাত্র একটি ইয়াজিদি পরিবার রয়েছে।

গত বছর জার্মানিতে ১০ লাখের মতো শরণার্থীকে আশ্রয় দেয়া হয়েছে। তার মধ্যে ৭০ হাজার ইয়াজিদি।

উল্লেখ্য, আমাল ক্লুনির নতুন মক্কেল নাদিয়া মুরাদকে জিম্মি করেছিল আইএস বা আইসিস। তখন তিনি ছিলেন ১৯ বছর বয়সী। তাকে জিম্মি করে বানানো হয়েছিল যৌনদাসী। তার ওই সময়ের বীভৎস অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন ক্লুনি।

তিনি বলেছেন, নাদিয়া অচেতন হয়ে পড়লেও একই সময়ে তার ওপর একই সঙ্গে দু’জন পুরুষ নৃশংসতা চালিয়েছে।

নাদিয়া বলেছেন, আইএস সদস্যরা তার ৮ ভাইয়ের মধ্যে ৬ জনকে ও তার মাকে হত্যা করে। ইয়াজিদিদের ওপর গণহত্যা চালানোর সময় এ ঘটনা ঘটে। নাদিয়াকে এখন রাখা হয়েছে প্রখ্যাত এই আইনজীবী আমাল ক্লুনি ও তার স্বামী জর্জ ক্লুনির বাড়িতে। সেখানেই তার যত্ন করছেন তারা।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close