সিলেট থেকে

প্রবাসীর কন্যা খাদিজাকে যে কারনে কোপালো ছাত্রলীগ নেতা

শীর্ষবিন্দু নিউজ ডেস্ক: সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের ছাত্রী খাদিজা আক্তার নার্গিসকে কোপানোর আগে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক একাউন্টে একটি স্ট্যাটাস দেয় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক বদরুল আলম।

সোমবার বেলা ৩টা ২১ মিনিটে ওই স্ট্যাটাসে তিনি লিখেন, নিষ্ঠুর পৃথিবীর মানুষগুলোর কাছে আমি সবিনয়ে ক্ষমা প্রার্থী। এই স্ট্যাটাস দেওয়ার ঘণ্টা দেড়েক পরই এমসি কলেজ ক্যাম্পাসের পুকুর পাড়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে খাদিজা আক্তার নার্গিসকে।

ওই সময়ে অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষা দিয়ে বের হয় খাদিজা। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও মঙ্গলবার ভোরে তাকে ঢাকায় এনে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এদিকে হামলা করে পালিয়ে যাওয়ার সময় বদরুল আলমকে আটক করে গণধোলাই দেয় শিক্ষার্থীরা।

হামলাকারী বদরুল ইসলাম সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার চেচানবাজারের সোনাইগাতি গ্রামের সাইদুর রহমানের ছেলে। ছাতকের নূতন বাজার বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় ও গোবিন্দগঞ্জ আবদুল হক স্মৃতি ডিগ্রী কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করে সে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগে ভর্তি হয়।

২০০৮-২০০৯ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র হিসেবে অনার্স শেষ করে। সে শাবি ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছে। পাশাপাশি আয়াজুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছে বলে জানা গেছে।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close