যুক্তরাজ্য জুড়ে

বড় বড় কোম্পানি ব্রিটেন ছাড়ছে ব্রেক্সিটের পরে

শীর্ষবিন্দু নিউজ ডেস্ক: আর্টিকল ফিফটিতে প্রধানমন্ত্রী থেরেজা মে ট্রিগারের ঘোষণা দেন, ব্রিটেনের অধিকাংশ ব্যবসায়ী বা তাদের রিপ্রেজেন্টেটিভ ব্রাসেলসে শত চেষ্টা করেও কমিশনের কারো সাথে কোন ধরনের বৈঠক বা ব্যবসায়ের পলিসি নিয়ে কোন কিছু জানা দূরে থাক টেলিফোন করেও কোন সাড়া শব্দ পাননি।

সম্প্রতি কমিশনের বিজনেস মিটিং এ ব্রিটেনের ব্যবসায়ীদের ডাকাই হয় নাই এমনকি সেখানে প্রবেশাধিকারের অঘোষিত নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে। ফ্রেঞ্চ এম্বাসাডার এবং কূটনীতিকরা এ সুযোগের যথেষ্ট অপ-ব্যবহার করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

ব্রাসেলসের কতিপয় বৃহৎ ১০০ এফটিএস কোম্পানীর প্রতিনিধিদের এবং একই সাথে ব্রিটেনে ব্যবসা রয়েছে, ব্রাসেলসের সাথে ব্যবসায়ীক সম্পর্ক ও বিনিয়োগ থাকা সত্যেও কমিশন তাদের সাথে ব্যবসায়িক পেপার্স নিয়ে কোন শেয়ার এখন আর করছেনা, এমনকি তাদের ডাকাও হচ্ছেনা, তাদের কোন বক্তব্যের জবাবও দেয়া হচ্ছেনা।

এমতাবস্থায় ব্রিটেন ও ইউরোপের সাথে ব্যবসা রয়েছে, বিনিয়োগ রয়েছে, এমন বৃহৎ কোম্পানি ব্রিটেন থেকে তাদের গুটিয়ে নেয়ার কথা ভাবছে। এই সব বৃহৎ কোম্পানিগুলোর মতামত হলো: ব্রেক্সিট নেগোসিয়েশন চললেও এখন পর্যন্ত ব্রিটেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য। তথাপি তারা সুযোগ থেকে প্রায় বঞ্চিত হচ্ছেন।

ব্রিটেনও কমিশনের সাথে এটা নিয়ে কোন বক্তব্যও দিচ্ছেনা বা ব্যর্থ হচ্ছে বলে অনেকেই সানডে টেলিগ্রাফের কাছে অভিযোগ করেছেন। ব্যাংক, এনার্জি, টেলিকম, মিডিয়া সহ সকল ক্ষেত্রেই একই অবস্থা।

ইতোমধ্যেই গোল্ডম্যান স্যাচেট এর ২,০০০ হাই অফিসিয়াল ও উচ্চ পদস্থ এক্সপার্টরা ব্রিটেন ছাড়ার কথা গোল্ডম্যান স্যাচেটের সাথে আলোচনা করেছেন বলে সিটি এ এম এবং সানডে টাইমস রিপোর্ট করেছে।

তবে ইউরোপীয় কমিশনের মুখপাত্র সানডে টেলিগ্রাফের কাছে এমন অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন, তারা এখনো অনেক ব্রিটিশ কোম্পানি ও স্টেকহোল্ডারদের সাথে সাক্ষাৎ করছেন এবং আলোচনা বন্ধ হচ্ছেনা । তবে তিনি ব্রেক্সিট নেগোসিয়েশনের সাথে ব্রিটিশ ব্যবসায়ের অবস্থান নিয়ে কোন মন্তব্য করতে সম্মত হননি।

স্পেক্ট্রাম সহ বৃহৎ কোম্পানীগুলো: যাদের অধিকাংশ বিনিয়োগ এবং অফিস ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে রয়েছে, তারা ব্রিটেনের সাথে আগামীর ব্যবসায়ের বা সিঙ্গেল মার্কেট পলিসি অথবা ব্রেক্সিট নেগোসিয়েশনের টেবিলে তাদের ব্যবসায়ের কি হবে।

এমন প্রশ্নে উত্তর জানার জন্য ধর্ণা দিলেও কমিশন কারো কোন প্রশ্নের উত্তরই দিচ্ছেনা। বরং ব্রিটিশ এই সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসমুহকে একধরনের ব্রাসেলসে অঘোষিত নিষিদ্ধ করে রাখা হয়েছে।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close