Americaযুক্তরাষ্ট্র জুড়ে

নাইজেল ফারাজেকে রাষ্ট্রদূত হিসেবে দেখতে চান ট্রাম্প

শীর্ষবিন্দু আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক: ইউকিপ নেতা নাইজেল ফারাজেকে কি যুক্তরাষ্ট্রে বৃটিশ রাষ্ট্রদূত হিসেবে চাইছেন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত ডোনাল্ড ট্রাম্প!

তার একটি টুইটকে কেন্দ্র করে এমন আলোচনা বৃটেন তো অবশ্যই, বিশ্বজুড়ে। ট্রাম্প যে টুইট করেছেন, তাতে পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে তিনি নাইজেল ফারাজেকে বৃটিশ রাষ্ট্রদূত হিসেবে চাইছেন।

ফলে এ নিয়ে চাপ বাড়ছে প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে’র ওপর। বৃটিশ রাজনীতিতে এখন বহুল আলোচিত নাইজেল ফারাজে। প্রথমত ব্রেক্সিটের পক্ষে প্রচারণা চালানোর কারণে। দ্বিতীয়ত যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত সম্পর্কের কারণে।

ট্রাম্প নির্বাচিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনি তার সঙ্গে সাক্ষাত করতে চলে যান যুক্তরাষ্ট্রে। ট্রাম্পের সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ককে ব্যবহার করে তিনি বৃটেন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সম্পর্ক গড়ে তোলার প্রস্তাব দেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে’র সরকার তা প্রত্যাখ্যান করেন।

এবার ডনাল্ড ট্রাম্প নিজেই যে ইঙ্গিত দিয়েছেন তা তেরেসা সরকারের জন্য বড় চাপই বহন করবে। নাইজেল ফারাজকে এক অর্থে তিনি বৃটনের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কে বড় ধরনের ফ্যাক্টর হিসেবে তুলে ধরেছেন ট্রাম্প। তিনি এ বিষয়ে টুইট করেছেন।

তাতে ট্রাম্প লিখেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেট বৃটেনের রাষ্ট্রদূত হিসেবে নাইজেল ফারাজকে দেখতে চায় অনেক মানুষ। তিনি খুব ভাল কাজ করতে পারবেন!

ট্রাম্পের এমন টুইটের পর এখন তেরেসা মে’র সরকার কি করবে বা কি বলবে তা দেখার বিষয়। তবে বৃটেনের অনলাইন এক্সপ্রেস বলেছে, এতে তেরেসা মে’র ওপর প্রচ- চাপ সৃষ্টি হয়েছে। ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্ককে ব্যবহার করে ইউকিপ নেতা নাইজেল ফারাজ বৃটেনকে সহায়তা করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন।

কিন্তু তা জোরালোভাবে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে। এখন ট্রাম্পের ওই টুইটের পর তার ওপর অন্য মন্ত্রীরা ক্ষুব্ধ। বৃটেনে বর্তমানে ক্ষমতাসীন কনজার্ভেটিভ পার্টি। আগে এ দলের সঙ্গে রাজনীতি করতেন ফারাজে। এক পর্যায়ে তিনি এ দল ছেড়ে গেছেন। যোগ দিয়েছেন ইউকিপে।

বৃটিশ মন্ত্রীপরিষদেও তার কোনো ভূমিকা নেই। কিন্তু তিনি যে প্রস্তাব দিয়েছেন তারই পক্ষে অনেক মন্ত্রী। তারা মনে করছেন তার স্পেশাল রিলেশনশিপ’কে ব্যবহার করা উচিত সরকারের।

ওদিকে ডনাল্ড ট্রাম্প এখন তার ট্রানজিশন টিম গঠবে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। তিনি আগামী ২০শে জানুয়ারি হোয়াইট হাউজে প্রবেশ করবেন। এক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানে বৃটিশ রাষ্ট্রদূত হিসেবে আছেন স্যার কিম ডারোচ। তিনি সেখানে গত ফেব্রুয়ারি থেকে দায়িত্ব পালন করছেন।

এখন ট্রাম্প যদি যুক্তরাষ্ট্রে বৃটিশ রাষ্ট্রদূত হিসেবে নাইজেল ফারাজেকেই চান তাহলে স্যার কিম ডারোচের কি হবে এবং কিভাবেই বা তা করা যাবে তা নিয়ে ভাবার বিষয়। এটা বাড়তি চাপ সৃষ্টি করবে তেরেসা মে’র জন্য। এমনিতেই তিনি ব্রেক্সিট সম্পাদন নিয়ে রয়েছেন প্রচণ্ড চাপে।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close