জাতীয়

সৌদি আরব বাংলাদেশী শ্রমিক নেবে না ২৫% নারী না থাকলে

শীর্ষবিন্দু নিউজ ডেস্ক: মোট শ্রমিকের অন্তত ২৫ ভাগ নারী না থাকলে জনশক্তি রপ্তানীকারকদের কাছ থেকে পাসপোর্ট জমা নিচ্ছে না সৌদি দূতাবাস।

অভিযোগ জনশক্তি রপ্তানীকারকদের সংগঠন বায়রা’র। এতে সে দেশে জনশক্তি রপ্তানী কার্যত: বন্ধ আছে বলে দাবি করছেন জনশক্তি রপ্তানিকারকরা।

সৌদি সরকারের সাথে যে চুক্তি তাতে এমন শর্ত নেই বলছে জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো- বিএমইটি। এ বিষয়ে কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি বাংলাদেশে সৌদি দূতাবাসের।

১৯৭৬ সালে ২১৭ জন শ্রমিক পাঠানোর মধ্য দিয়ে সৌদি আরবে জনশক্তি রপ্তানি শুরু করে বাংলাদেশ। এরপর ২০০৮ সালে হঠাৎ করেই বাংলাদেশীদের নতুন ভিসা দেয়া বন্ধ করে দেশটি।

সাত বছর পর সীমিত আকারে তা চালু হলেও, অগ্রাধিকার দেয়া হয় নারী গৃহকর্মীদের। চলতি বছরের আগস্টে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগে সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার ঘোষণা দেয় সৌদি সরকার।

কিন্তু ভিসা ইস্যুর আবেদনে অন্তত ২৫ ভাগ নারী শ্রমিক না থাকলে, তা জমা নিচ্ছে না দূতাবাস। এ কারণে শ্রমিক পাঠানো আটকে গেছে, বলছেন জনশক্তি রপ্তানিকারকরা। নাজ ট্রাভেলস এর চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম বললেন-

‘অনেক এজেন্টের মহিলা কর্মী নেয়ার অনুমোদন নেই। সৌদি আরব থেকে তাদের চাহিদাপত্র এসেছে। কিন্তু তারা লোক পাঠাতে না পেরে লোকশান গুনছে।’

আর বায়রার প্রেসিডেন্ট বেনজীর আহমেদ বলছেন, বাংলাদেশ থেকে ইতিমধ্যে ২৫ শতাংশ নারী পাঠানোর যদি একটি শর্ত হয়। তবে আমরা বলতে পারি, ৭৪ হাজার নারী কর্মী সৌদিতে পাঠিয়েছি। সেই অনুপাতে পুরুষ কর্মী পাঠাতে পারি নাই। তাছাড়া দূতাবাসের চাহিদা অনুযায়ী সৌদি থেকে আমরা ইকামা বা চাহিদাপত্র পাচ্ছি না।

এ বিষয়ে ঢাকায় সৌদি দূতাবাসের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে ঘটনার সত্যতা রয়েছে বলে জানিয়েছে জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো। বিএমইটির মহাপরিচালক সেলিম রেজা বলেন, আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা হবে।

এই ধরণের কোন চুক্তি সৌদি সরকারের সাথে বাংলাদেশের হয়নি। আমরা সৌদি দূতাবাসের সাথে কথা বলবো। তাছাড়া সৌদি আরবে বাংলাদেশের দূতাবাসের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করবো।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

আরও দেখুন...

Close
ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close