যুক্তরাজ্য জুড়ে

দামি প্যান্ট পরে বিপাকে তেরেজা মে

শীর্ষবিন্দু নিউজ ডেস্ক: ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে মহা এক ঝামেলায় ফেঁসে গেছেন।

তার এই ঝামেলার কারণ একজোড়া লেদার প্যান্ট। কী কুক্ষণেই না এই একজোড়া লেদার প্যান্ট কিনেছিলেন তিনি। নিজের কাছ থেকে অর্থ খরচতো হয়েছেই, আবার সমালোচকদের কথাও শুনতে হচ্ছে তাকে।

ম্প্রতি ব্রিটেনের সানডে টাইমস কাগজে ৯৯৫ পাউন্ড অর্থাৎ প্রায় ৮৫,০০০ টাকা মূল্যের গাঢ় বাদামি রঙের লেদার প্যান্ট এবং ১৪০ পাউন্ড অর্থাৎ প্রায় ১২,০০০ টাকা মূল্যের জুতো পরা তার একটি ছবি বেরিয়েছে।

আর এই ছবি দেখেই বেজায় চটেছেন সমালোচকরা। তাদের দাবি, এত দামি জামা–কাপড় পরে আসলে নিজেরই ক্ষতি করছেন মে। সাধারণ মানুষের থেকে অনেক দূরে সরে যাচ্ছেন তিনি। জুলাই মাসে ক্ষমতায় আসার পর কনজারভেটিভ পার্টির সাবেক মন্ত্রী নিকি মরগানকে পদচ্যুত করেছিলেন টেরেসা মে।

এই সুযোগে এই সাবেক মন্ত্রী বলেছেন, আমার তো লেদার প্যান্টই নেই। বিয়ের গাউন কিনতেই যা খরচ হয়েছিল। তার বাইরে জীবনে এতটাকা কখনও খরচ করিনি।

তবে মুখ খুলতে হয়নি ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীকে। তার সমর্থকরাই যাবতীয় সমালোচনার জবাব দিয়েছেন।

তাদের দাবি, ব্রিটেনের পুরুষ রাজনীতিকরা টেরেসার চেয়েও বেশি দামি পোশাক পরেন। কই তখন তাদের নিয়ে তো কথা হয় না! তার পূর্বসুরি ডেভিড ক্যামেরনও তার জামা–কাপড় নিয়ে বেশ সচেতন ছিলেন। ক্ষমতায় আসার পর প্রথম দিকে বিখ্যাত দরজি রিচার্ড জেমসের তৈরি স্যুট ছাড়া নাকি গায়ে গলাতেন না।

তখন একটা স্যুট পিছু ৪০০০ মার্কিন ডলার খরচ পড়ত। পরিস্থিতি বুঝে পরে অবশ্য হাত খরচে লাগাম টানেন তিনি। তখন ২,৫০০ ডলার খরচ করে জিওফ্রে গোল্ডিং নামের আর এক দরজির তৈরি পোশাক পরতেন। তবে ক্ষমতায় আসার পর টেরেসা ইচ্ছেমতো খরচ করছেন, এমন দাবি সঠিক নয়।

প্রধানমন্ত্রী হওয়ার অনেক আগে থেকেই পোশাক পরিচ্ছদ নিয়ে বেশ সচেতন তিনি। তার প্রিয় ডিজাইনার ভিভিয়ান উডস।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close