জাতীয়

ঢাকার রাস্তায় চলতে প্রস্তুত ৬ লাখ অ্যাপসভিত্তিক গাড়ি

শীর্ষবিন্দু নিউজ ডেস্ক: রাজধানীতে নিবন্ধিত ছয় লাখ ৭২ হাজার গাড়ি অ্যাপসভিত্তিক সেবার আওতায় আনার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। অলস সময়ে এসব গাড়ি ব্যবহার করে পরিবহন সংকটের অনেকটাই নিরসন সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক দুই প্রতিষ্ঠান উবার ও ডাটা ভক্সেল লিমিটেড এই সেবা নিয়ে আসছে। অবশ্য রাজধানীতে অনানুষ্ঠানিকভাবে এরই মধ্যে তা চালুও রয়েছে। প্রয়োজনের সময়টাতে প্রাপ্তির নিশ্চয়তা আর কম খরচ বিবেচনায় এরই মধ্যে এই সেবা নিয়ে নগরবাসীর মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে।

গণপরিবহন সংকট সমাধানে এই সম্ভাবনার মাঝে একটা কিন্তু তৈরি হয়েছে আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে। আশার কথা, সেই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই সেবা চালুর জন্য আইনে কী কী বিষয় রাখতে হবে তার প্রস্তাবনা তৈরি করছে উবার।

আগামী ৫ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে তা বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কাছে তুলে ধরা হবে। আর ডাটা ভক্সেল লিমিটেড বিআরটিএতে তাদের সেবার বিস্তারিত লিখিতভাবে তুলে ধরবে আগামী সোমবার।

অ্যাপসভিত্তিক সেবার আওতায় থাকা নিবন্ধিত গাড়িগুলোর মধ্যে মোটরসাইকেল রয়েছে চার লাখ ৩২ হাজার। বাকি দুই লাখ ৪০ হাজার প্রাইভেট কার। মোটরসাইকেলে যাত্রী পরিবহনে আইনি বাধা নেই। তবে প্রাইভেট কার বাণিজ্যিকভাবে ভাড়ায় খাটাতে হলে নতুন আইন অথবা প্রস্তাবিত আইনে বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

আইন হওয়ার আগে প্রাইভেট কার ভাড়ায় খাটালে অভিযান চালানোর ঘোষণা দিয়েছিল বিআরটিএ; যদিও সেই ঘোষণার তোয়াক্কা না করে উবার তাদের সেবা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রথমবারের মতো কোনো যাত্রী উবারের গাড়িতে চড়লে ২৫০ টাকা ভাড়া রাখা হচ্ছে। অবশ্য এই হার আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এরপর নতুন করে ভাড়া নির্ধারণ হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আরেক প্রতিষ্ঠান ডাটা ভক্সেল ইনকরপোরেটের সহযোগিতায় ডাটা ভক্সেল লিমিটেড ঢাকায় স্যাম অ্যাপসভিত্তিক মোটরসাইকেল সেবা দিচ্ছে ২১ নভেম্বর থেকে। এই সেবাগ্রহীতার তালিকায় প্রতিদিনই গড়ে ৫০ জন নতুন যাত্রী যোগ হচ্ছে।

 রাজধানীতে গণপরিবহনের সংকট প্রকট। এই মহানগরের জনসংখ্যার তুলনায় বাস-মিনিবাস, অটো, ট্যাক্সিক্যাবের মতো গণপরিবহন খুবই কম। এই সংকটকে পুঁজি করে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের তথ্য-প্রযুক্তিনির্ভর সেবাপ্রতিষ্ঠানগুলো এখানে পরিবহন ব্যবসা সম্প্রসারণ করতে চাইছে।

 ঢাকায় এক কোটি ৭০ লাখ জনসংখ্যার বিপরীতে মহানগরীতে বাস ও মিনিবাস চলে মাত্র সাত হাজার। অনুমোদিত সিএনজিচালিত অটোরিকশা আছে প্রায় ১৩ হাজার। মিটারে চলার কথা থাকলেও এগুলোর বেশির ভাগই যাত্রীদের জিম্মি করে ইচ্ছামতো ভাড়া আদায় করে। গত ৩ ডিসেম্বর প্রকাশিত বাংলাদেশ যাত্রীকল্যাণ সমিতির প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, অটোরিকশার ৮৬ শতাংশই চলে চুক্তিতে, আর যাত্রীর কাছে বকশিশ দাবি করেন ৯৭ শতাংশ চালক।

 এ ছাড়া সারা শহরে দিনে গড়ে চলে মাত্র ৩০০ ট্যাক্সিক্যাব। এগুলোর বেশির ভাগই নির্দিষ্ট এলাকায় পার্ক করা থাকে। ডাকলেও সহজে মেলে না। একমাত্র সরকারি পরিবহন সংস্থা বিআরটিসির বাসও নগণ্য। এর ওপর প্রতিষ্ঠানটির ৫৫৫টি বাস অচল পড়ে আছে।

 মেগাসিটিতে গণপরিবহনের এই স্বল্পতায় ব্যক্তিগত গাড়ি অলস সময়ে ভাড়া খাটিয়ে সংকট থেকে কিছুটা হলেও রেহাই মিলতে পারে বলে মনে করছে নগরবাসী। এই অবস্থায় অলস গাড়ির অ্যাপসভিত্তিক বাণিজ্যিক ব্যবহারে গাড়ির মালিক, চালক ও যাত্রীদের আগ্রহ বাড়ছে।

 ঢাকায় উবারের গাড়িসেবা উদ্বোধন হয় গত ২২ নভেম্বর। এরপর বিষয়টি সরকারের নজরে আসে। খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, প্রাইভেট কার এভাবে ভাড়ায় খাটাতে তথ্য-প্রযুক্তিবান্ধব কোনো নীতিমালা ও আইন নেই। এই অবস্থায় উবারের সেবা চালুর তিন দিনের মাথায় সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এই সেবা বেআইনি ঘোষণা করে বিআরটিএ।

বিষয়টি নিয়ে গত ২৯ নভেম্বর বিআরটিএর চেয়ারম্যানের সঙ্গে উবারের তিন সদস্যের প্রতিনিধিদলের বৈঠক হয়। বৈঠকের পর বিআরটিএর চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম বলেছিলেন, প্রাইভেট কার ভাড়ায় চালালে বিআরটিএ অভিযানে যাবে। এই হুমকির পরও রাজধানীর সর্বত্র উবারের সেবা চলছে।

গতকাল শুক্রবার সকালে শেওড়াপাড়া, আগারগাঁও, মিরপুর-১০, কুড়িল, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, বিমানবন্দর, কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে উবারের গাড়িতে অনেককে সেবা নিতে দেখা গেছে। বিকেলে উবারের গাড়িগুলো দেখা গেছে নর্দা, গুলশান, বনানীসহ বিভিন্ন স্থানে।

 জানা গেছে, উবার-গাড়িতে ভিত্তিভাড়া ৫০ টাকা, তার সঙ্গে যোগ হয় প্রতি মিনিট দুই টাকা ও প্রতি কিলোমিটারের ভাড়া ১৮ টাকা। অন্যদিকে ট্যাক্সিক্যাবে সরকার অনুমোদিত প্রথম দুই কিলোমিটারের ভাড়া বা সর্বনিম্ন ভাড়াই ৮৫ টাকা। এর সঙ্গে যোগ হয় পরবর্তী প্রতি মিনিট ৩৪ টাকা, অপেক্ষার জন্য মিনিটে চার্জ চার টাকা ২৫ পয়সা।

 উবারের পক্ষে ঢাকায় কাজ করছেন এমন একজন শীর্ষ কর্মকর্তা গতকাল কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘উবার নেটওয়ার্কে দিনে গড়ে ৪০ জন চালক যোগ হচ্ছে। বিআরটিএতে উপস্থাপনের জন্য আমরা আমাদের প্রস্তাবটি তৈরি করা শুরু করেছি।

তাতে তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই সেবার বিষয়ে আমাদের প্রস্তাব থাকবে। সরকারের নীতিনির্ধারকরাও ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করছেন। সড়কমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরও এ বিষয়ে ইতিবাচক বক্তব্য দিয়েছেন। এই অবস্থায় আমাদের সেবা অব্যাহত রয়েছে। ’

 উবারের মুখপাত্র সানজানা ভাইদ ই-মেইল বার্তায় কালের কণ্ঠকে তাঁর প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, ‘ঢাকায় সেবা চালুর এক সপ্তাহের মধ্যেই আমরা ব্যাপক সাড়া পেয়েছি। আইনি জটিলতা নিরসনে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আমরা আলোচনা শুরু করেছি। ’

 টিম উবার, ঢাকার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অ্যাপল স্টোর বা গুগল প্লে থেকে উবারের ফ্রি অ্যাপসটি ডাউনলোড করা যায়। ফোন নম্বর ও ই-মেইল ব্যবহার করে সাইনআপ করা যায়। গন্তব্য নির্বাচন করলে কিছুক্ষণের মধ্যেই উবারের চালক পৌঁছে যায় যাত্রীর কাছে।

যাত্রা শেষে ‘পে ইন ক্যাশ’-এ সহজেই ভাড়া মিটিয়ে দেওয়া যায়। উবারের প্রমোশনাল কোড ব্যবহার করে আরো উপভোগ করা যাবে ২৫০ টাকা পর্যন্ত ফ্রি রাইড। তবে এটি শুধুই নতুন গ্রাহকদের জন্য এবং অফারটি ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ পর্যন্ত প্রযোজ্য।

রাইডের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব তথ্য, যেমন—চালকের তথ্য, গাড়ির লাইসেন্স, প্লেট নম্বর ইত্যাদি অ্যাপস ব্যবহারকারীর কাছে আগেই পৌঁছে যাবে। এমনকি অ্যাপস ব্যবহারকারী চালক ও যাত্রী উভয়েই একে অন্যের তাৎক্ষণিক অবস্থান জানতে পারবে।

 উবারের নিজস্ব কোনো ট্যাক্সি বা প্রাইভেট কার নেই। ব্যক্তিগত গাড়ির মালিকরা অ্যাপস ডাউনলোড করে নিবন্ধনের মাধ্যমে উবারের চালক হয়ে যেতে পারেন। একই অ্যাপস ব্যবহার করে সেবা পাবে যাত্রীরা। গাড়ির দূরত্ব ও সময় অনুযায়ী ভাড়ার হিসাব হয়ে যাবে অ্যাপসে। বাজে আচরণের জন্য যাত্রী বা চালক অ্যাপসে রেটিংও দিতে পারবেন।

 সেবাগ্রহণের মাধ্যম স্মার্টফোন : বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) পরিসংখ্যান অনুসারে, দেশে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ১৩ কোটি। মোবাইল ফোন অপারেটরদের বৈশ্বিক সংগঠন জিএসএমএর মতে, ২০২০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে নতুন করে দুই কোটি ১০ লাখ ব্যক্তি মোবাইল ফোন ব্যবহার করবে।

২০২০ সাল পর্যন্ত মোবাইল ফোন ব্যবহারে বিশ্বের শীর্ষ ১০ দেশের মধ্যে বাংলাদেশও থাকবে। জিএসএমএর মতে, দেশে বর্তমানে স্মার্টফোন আছে দুই কোটির বেশি। ২০২০ সালের মধ্যে এটা ৩৩ শতাংশ হারে বাড়বে। আর দেশের মোট জনসংখ্যার ১০ শতাংশেরই বাস ঢাকায়।

এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ঢাকামুখী হচ্ছে দেশের জনসংখ্যার বড় একটি অংশ। এ কারণে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর বড় একটি অংশই ঢাকায়। এসব স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর মধ্য থেকেই অ্যাপসভিত্তিক পরিবহনসেবা গ্রহণকারী রয়েছে বিপুলসংখ্যক। উবারের সেবা চালুর পর তাই এ নিয়ে স্মার্টফোন ব্যবহারকারী যাত্রীদের আগ্রহের শেষ নেই।

 দেশে স্মার্টফোন ব্যবহারকারী বেড়ে যাওয়ায় পরিবহনসেবাও হাতের মুঠোয় চলে এসেছে। তবে অ্যাপসভিত্তিক পরিবহনসেবা পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণে বিআরটিএ ও বিটিআরসির মধ্যে কোনো চুক্তি নেই, নেই সমন্বয়। বরং প্রচলিত আইন উবারের মতো সেবা পরিচালনার জন্য সহায়ক নয়।

বিআরটিএর মোটরযান অধ্যাদেশ অনুসারে, ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহারের জন্য নিবন্ধিত গাড়ি বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করা যাবে না। মোটরযান অধ্যাদেশ যুগোপযোগী করতে ২০১১ সাল থেকে খসড়া প্রণয়ন ও প্রস্তাবিত আইনের বিভিন্ন বিষয় যাচাই-বাছাই করে চলতি বছর একটি খসড়া দাঁড় করানো হয়েছে।

সড়ক পরিবহন আইন ২০১৬-এর এ খসড়ায় তথ্য-প্রযুক্তিনির্ভর পরিবহনসেবার বিষয়টিই রাখা হয়নি। সংক্ষিপ্ত আকারে তৈরি করা প্রস্তাবিত আইনে অ্যাপসভিত্তিকসহ তথ্য-প্রযুক্তিবান্ধব সেবার সুযোগ রাখার দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।

 জানা গেছে, সিঙ্গাপুরে উবার তাদের সেবা চালু করতে চাইলে সে দেশের সরকার প্রথমে সম্মতি দেয়নি। পরে ওই দেশের সরকার সংশ্লিষ্ট আইন পরিবর্তন করে উবারকে সেবা চালুর সম্মতি দেয়। বুয়েটের অধ্যাপক ড. সামছুল হক কালের কণ্ঠকে বলেন, জনগণের স্বার্থরক্ষায় আইন পরিবর্তন করতে হলে তা করা দরকার। সরকার সেবা নিশ্চিত করতে না পারলে বেসরকারিভাবে কেউ সেবা দিতে চাইলে তাতে বাধা দেওয়া সমীচীন নয়।

 বিআরটিএর সচিব শওকত আলী কালের কণ্ঠকে বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন শহরের মতো ঢাকায় উবারের সেবা বিস্তৃত করতে হলে প্রস্তাবিত সড়ক পরিবহন আইন ২০১৬ পরিবর্তন করতে হবে। জনস্বার্থে নিয়ম পরিবর্তন করা সম্ভব হবে। তবে এর জন্য সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার মতামত নিতে হবে।

 সেবায় যুক্ত হতে পারে ট্যাক্সিক্যাবও : ২০১৪ সালের এপ্রিল থেকে ঢাকায় হলুদ ট্যাক্সিক্যাব চলাচলের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে চুক্তি করে উবার এসব ট্যাক্সিক্যাব তাদের সেবার আওতায় আনতে পারে। এরই মধ্যে তিনটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে উবারের কথাও হয়েছে।

 বিআরটিএর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেন, ট্যাক্সিক্যাব পরিচালনা হয়ে থাকে ট্যাক্সিক্যাব সার্ভিস গাইডলাইন ২০১০ অনুযায়ী। ভাড়ায় চালিত মোটর কার ও মাইক্রোবাস আলাদা সিরিজে নিবন্ধন করতে হয়। এ ছাড়া মোটরযান বিধিমালা অনুযায়ী প্রতিটি মোটর কার ও মাইক্রোবাসের আলাদা রং এবং মোটরযান অধ্যাদেশ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় রুট পা?রমিট বাধ্যতামূলক। এ নিয়ম না মেনেই উবারের সেবা চলছে।

 তবে উবার ও অ্যাপসভিত্তিক সেবাপ্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকর্তারা বলছেন, ট্যাক্সিক্যাব পরিচালনার নীতিমালা তথ্য-প্রযুক্তিবান্ধব নয়।

 বিআরটিএর পরিচালক (প্রকৌশল) নূরুল ইসলাম বলেন, প্রাইভেট কার বাণিজ্যিক ও ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহারের দুটি শ্রেণি রয়েছে। প্রাইভেট গাড়ি বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করতে হলে তাই বিআরটিএর অনুমতি নিতে হয়। উবার কর্তৃপক্ষের প্রস্তাব পাওয়ার পর এ নিয়ে বিআরটিএ মতামত দেবে।

 ডাটা ভক্সেল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইমতিয়াজ কাশেম বলেন, মোটরসাইকেলের চালক অন্য একজন যাত্রীকে পরিবহন করতে পারছেন আমাদের ‘স্যাম’ অ্যাপস ব্যবহার করে। দেশেই তৈরি করা হয়েছে স্যাম অ্যাপস।

মোটরসাইকেলচালকরা স্মার্টফোনে ‘স্যাম বাইকার’ ও যাত্রীরা ‘স্যাম রাইডার’ নামে অ্যাপস চালু রাখছেন।  তিনি জানান, এ পর্যন্ত এক হাজার ৬০০ চালক এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। মোটরসাইকেলচালক কিলোমিটারে ছয় টাকা ভাড়া পান। সর্বনিম্ন তিন কিলোমিটারের ভাড়া ১৮ টাকা।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close