জাতীয়

বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব শুরু: লক্ষাধিক মুসল্লির জুমার নামাজ আদায়

শীর্ষবিন্দু নিউজ: টঙ্গীর তুরাগতীরে ফজরের নামাজের পর আমবয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব। এতে যোগ দিয়েছে লাখো মুসল্লি।

আগামী রোববার আখেরি মোনাজাতে শেষ হবে প্রথম পর্বের ইজতেমা। শুক্রবার ইজতেমা ময়দানে জুমার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। নামাজের আগে হেদায়েতি বয়ান করা হয়।

আগামী ২০ থেকে ২২ জানুয়ারি দ্বিতীয় পর্বে আরও ১৫ জেলার মুসল্লি অংশ নেবেন। আগামী বছর বাকি ৩২ জেলার মুসল্লি তুরাগতীরে সমবেত হবেন। ইজতেমা ময়দানের চারপাশ ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। নিরাপত্তায় মোতায়ন আছে র‌্যাব-পুলিশের ১২ হাজার সদস্য।

টঙ্গীর তুরাগ তীরে শুক্রবার বাদ ফজর থেকে আমবয়ানের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মুসলিম জমায়েত বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব। প্রথম দিন শুক্রবার হওয়ায় ইজতেমা ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়েছে জুমার নামাজ। লক্ষাধিক মুসল্লির অংশগ্রহণে দুপুর পৌনে ২টার দিকে শুরু হয় নামাজ।

ইজতেমা মাঠের মুরব্বি মাওলানা ইঞ্জিনিয়ার মো. গিয়াস উদ্দিন জানিয়েছেন, জুমার নামাজে ইমামতি করেন বাংলাদেশের মাওলানা ফারুক হোসেন।

জুমার নামাজে অংশ নিতে ইজতেমায় যোগ দেওয়া মুসল্লি ছাড়াও ঢাকা-গাজীপুরসহ আশপাশের এলাকার মুসল্লিরা ভোর থেকে ইজতেমাস্থলে আসেন। কেউ বাস, ট্রাক, ট্রেন, প্রাইভেটকারে, কেউ পায়ে হেঁটে ইজতেমাস্থলে আসেন। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মুসল্লিদের ঢল ইজতেমা মাঠ ছাড়িয়ে উত্তর পাশের টঙ্গী-কামারপাড়া রাস্তা, কামারপাড়া ব্রিজ, পূর্বপাশের ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক ও আশপাশের খোলা জায়গায় যায়।

গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার উত্তরখাম গ্রামের মো. আমানত হোসেন খান। পেশাগত কারণে তিনি থাকেন গাজীপুর জেলা শহরে। তিনি জানান, ইজতেমার জুমার নামাজে অংশ নিতে তিনি ভোরে গাজীপুরের জয়দেবপুর জংশন থেকে ট্রেনে চড়ে টঙ্গী স্টেশনে আসেন। পরে সেখান থেকে সকাল ৮টার দিকে আসেন ইজতেমা ময়দানে।

জুমার নামাজে অংশ নিতে মহাখালী এলাকা থেকে ইজতেমা মাঠে আসেন মো. হানিফ, আবু সিদ্দিক, নূরুজ্জামন ও আব্দুল হালিম। তারা জানান, মাঠে জুমার নামাজ আদায় করার উদ্দেশ্যে সকাল ১০টার দিকে মহাখালী থেকে বাসে করে রওনা হয়ে পৌনে ১১ টার দিকে ইজতেমাস্থলে পৌঁছান।

এর আগে বাদ ফজর আম বয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় এবারের বিশ্ব ইজতেমার আনুষ্ঠানিকতা। বাদ ফজর বয়ান করেন ভারতের মাওলানা মো. ওবায়দুল্লাহ খোরশেদ। বয়ান বাংলায় তরজমা করেন বাংলাদেশের মাওলানা মো. জাকির হোসেন।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close