দুনিয়া জুড়ে

এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে ফোনালাপ চলে সৌদি বাদশাহ ও ট্র্যাম্পের

শীর্ষবিন্দু আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান যুদ্ধবিক্ষুব্ধ সিরিয়া ও ইয়েমেনে নিরাপদ অঞ্চল নির্মাণে সহায়তা করতে সম্মত হয়েছেন। এসময় তারা ইরান চুক্তি কঠোরভাবে মেনে চলার কথাও বলেছেন।

রোববার টেলিফোনে বাদশাহ সালমানের সঙ্গে কথা বলেন ট্রাম্প। পরে হোয়াইট হাউসের এক বিবৃতিতে তাদের ফোনালাপের বিষয়ে জানানো হয়। খবর এএফপি ও রয়টার্সের।

এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলা ওই ফোনালাপের পর হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে উভয় নেতার মধ্যে ইসলামিক স্টেটের (আইএস) বিরুদ্ধে লড়াই জোরদার করার পাশাপাশি সিরিয়া ও ইয়েমেন নিয়ে আলাপ হয়েছে।

হোয়াইট হাউসের বিবৃতিতে বলা হয়, প্রেসিডেন্টের অনুরোধে বাদশাহ সালমান সিরিয়া ও ইয়েমেনে নিরাপদ অঞ্চল নির্মাণে সহায়তা করতে রাজি হয়েছেন। যুদ্ধের কারণে গৃহহীন হয়ে পড়া ওই দুই দেশের শরণার্থীদের সাহায্যে যুক্তরাষ্ট্রের আরও বেশ কিছু পরিকল্পনারও সমর্থন দিয়েছে সৌদি আরব।

যদিও সৌদি প্রেস এজেন্সিতে (এসপিএ) তাৎক্ষণিকভাবে নিরাপদ অঞ্চল তৈরিতে সহায়তার বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। সেখানে বলা হয়, দুই নেতা উভয় দেশের মধ্যে কৌশলগত সম্পর্ক আরও গভীর ও স্থায়ী করার বিষয়ে পরস্পরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। সংবাদ সংস্থাটির পরবর্তী খবরে বলা হয়, সৌদি বাদশাহ সিরিয়ায় নিরাপদ অঞ্চল স্থাপণে তার সমর্থন ও সহায়তা নিশ্চিত করেছেন।

তবে সেখানে ইয়েমেনের বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। ইয়েমেনের বিদ্রোহী ইরানপন্থী হুথিদের বিপক্ষে লড়াইয়ে সৌদি আরব নেতৃত্বাধীন জোট ইয়েমেন সরকারকে রক্ষায় যুদ্ধ করছে।

হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে ছয় জাতিগোষ্ঠী যে পরমাণু সমঝোতা করেছে তা কঠোরভাবে মেনে চলার কথাও বলেছেন উভয়ই। তবে ট্রাম্প এতদিন ইরান চুক্তি বাতিলের পক্ষে ছিলেন উচ্চকণ্ঠ। একইসঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের উসকানিমূলক আচরণ নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয়তার বিষয়েও ট্রাম্প-সালমান একমত হয়েছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সৌদি আরবের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, মুসলিম ব্রাদারহুড নিয়েও ট্রাম্প-সালমানের কথা হয়েছে।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close