বেড়ানো

চব্বিশ ঘণ্টায় কাঠমান্ডু দর্শন

বেড়ানো ডেস্ক: যারা নেপাল ভ্রমণের চিন্তা-ভাবনা করছেন, তাদের জন্য আদর্শ এক স্থান রাজধানী কাঠমান্ডু। এটা এমন এক স্থান যেখানে পুরনোর সঙ্গে অপূর্বভাবে মিশে গেছে আধুনিকতা।

কদিনে কিন্তু গোটা কাঠমান্ডু আবিষ্কার সম্ভব নয়। কয়েক দিন সময় দিতে পারলে তো কথাই নেই। তবে ২৪ ঘণ্টার ভ্রমণেই মনটা পরিপূর্ণ হয়ে উঠবে। এর জন্য কিছু পরামর্শ দরকার। তাই দেখে নিন এখানে।

১. দুর্বার স্কয়ার

এখন ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসাবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। মধ্যযুগের স্থাপনা কাঠমান্ডুর পুরনো শহর হিসাবে সযত্নে টিকে রয়েছে।

২. সয়াম্ভুনাথ টেম্পল

এক পাহাড়ের চূড়ার এর অবস্থান। বৌদ্ধ ধর্মের এই পূণ্যস্থান শহরের ঠিক বাইরেই অবস্থিত। একবার না গেলেই নয়।

৩. পশুপতিনাথ টেম্পল

বাগমতি নদীর তীরে অবস্থিত এই বিশাল পশুপতিনাথ কমপ্লেক্স। এটা নেপালের তীর্থস্থানের একটি।

৪. পর্বতের চূড়ায়

নেপালের মূল আকর্ষণের একটি হিমালয় পর্বতমালা। এখানেই অবস্থিত বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্ট।

৫. থামেলে হাঁটাহাঁটি

যদি কাঠমান্ডুতে পা রেখে কী করবেন মাথায় না আসে, তবে থামেলের বিচিত্র অলিগলিতে ঘুরতে পারেন। এক বিচিত্র অভিজ্ঞতা হবে।

৬. আকর্ষণীয় বাজার

বাজার্স নামেই পরিচিত। দিনের সময় কাটানোর দারুণ স্থান এখানকার বাজারগুলো। পর্যটকদের কাছে বেশ আকর্ষণীয় স্থান।

৭. কৃষ্ণারপান

কাঠমান্ডুর সবচেয়ে অভিজাত এলাকা এটি। এখানে আছে ডয়ারিকার্স হোটেল। কৃষ্ণারপান একটি রেস্টুরেন্ট যেখানে নেপালের নিজস্ব খাবারের স্বাদ নিতে পারবেন।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

আরও দেখুন...

Close
ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close