এশিয়া জুড়ে

বাংলাদেশকে চাপে রাখতে ভারত থেকে সাবমেরিন ধ্বংসের মিসাইল কিনছে মায়ানমার

শীর্ষবিন্দু নিউজ ডেস্ক:  বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীতে দু’টি সাবমেরিন সংযুক্ত হওয়ার দুই সপ্তাহের মধ্যেই সাবমেরিন বিধ্বংসী টর্পেডো ক্রয়ের অর্ডার দিয়েছে মায়ানমার। ভারত থেকে প্রায় ৩৮ মিলিয়ন ডলার দিয়ে এই শাইনা টর্পেডো সংগ্রহ করছে। টর্পেডোটি ডিজাইন করেছে ভারতের ডিফেন্স রিসার্চ এ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন এবং ভারত ডাইনামিক্স লিমিটেড নামের একটি ডিফেন্স ম্যানুফাকচারিং প্রতিষ্ঠান এটি তৈরি করছে।

এই টর্পেডো শক্তিশালী বিস্ফোরক ওয়ারহেড বহনে সক্ষম বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। যদিও এর আগে সাবমেরিন খুঁজে বের করার জন্য মায়ানমারের কাছে ভারত সোনার এবং রাডার বিক্রি করেছে। এক বিশেষজ্ঞ প্রাক্তন আধিকারিক জানিয়েছেন, এটি সাবমেরিন ধ্বংসের কাজে ব্যবহার করা হয়।

তবে তিনি আরও বলেন, মায়ানমার যে প্রযুক্তির টর্পেডো সংগ্রহ করছে বাংলাদেশের তার থেকে উন্নত প্রযুক্তির টর্পেডো আছে। শাইনা টর্পেডো সাধারণত সাত কিলোমিটার দূর থেকে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে সক্ষম বলে তিনি জানান। বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীতে সাবমেরিন সংযুক্তির ফলে নৌবাহিনীর সক্ষমতার দিক থেকে মায়ানমারের থেকে সুবিধাজনক অবস্থায় থাকবে বাংলাদেশ।

কারণ মায়ানমারের এই সাবমেরিন নেই। এমনকি, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ডের সাবমেরিনই নেই। তবে বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, পাকিস্তান, মালয়েশিয়া, ইরান ও ইন্দোনেশিয়ার সাবমেরিন আছে। গত বছর ২২ ডিসেম্বর ‘নবযাত্রা’ ও ‘জয়যাত্রা’ নামে বাংলাদেশের প্রথম দুই সাবমেরিন চিন থেকে চট্টগ্রাম বন্দরে আনা হয়।

এর আগে গত ১৪ নভেম্বর এই সাবমেরিনগুলো বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। গত ১২ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে চিনের নির্মিত দু’টি সাবমেরিন নবযাত্রা ও জয়যাত্রার কমিশনিং করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। চট্টগ্রাম ঈশা খাঁ ঘাঁটির জেটিতে এই অনুষ্ঠান হয়। চিন থেকে কেনা ০৩৫ জি ক্লাসের এই দুটি সাবমেরিনে থাকছে নানা সুবিধা। শত্রুপক্ষের যুদ্ধজাহাজ ও সাবমেরিনে আক্রমণ করার সক্ষমতা রয়েছে টর্পেডো ও মাইন দিয়ে সু-সজ্জিত এই সাবমেরিনগুলোর।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close