এশিয়া জুড়ে

জনগণকে সতর্ক করেছে মিয়ানমার

শীর্ষবিন্দু আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক: জনগণকে সতর্ক করেছে মিয়ানমারের সরকার।

তারা বলেছে, অং সান সুচির সরকারকে অবমূল্যায়নের জন্য মিথ্যা সংবাদ ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। ছাড়ানো হচ্ছে অনেক গুজব। এসব করছে অজ্ঞাত সব লোকজন। তাদের উদ্দেশ্য, দেশে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করা। রাষ্ট্রীয় প্রচার মাধ্যমে শুক্রবার এ হুঁশিয়ারি দেয়া হয় বলে খবর দিয়েছে লন্ডনের অনলাইন দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট।

উল্লেখ্য, মিয়ানমারে দীর্ঘ সময়ের সামরিক শাসনের অবসান হয় ২০১৬ সালের এপ্রিলে। এ সময় গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসেন অং সান সুচি। তিনি প্রেসিডেন্ট না হলেও তার ইশারায় চলে প্রশাসন এমনটাই ভাবা হয়।

সুচির ক্ষমতার প্রথম বছরে দেখা দিয়েছে জাতিগত, ধর্মীয় উত্তেজনা। দেখা দিয়েছে সংঘাত। রাখাইন প্রদেশে রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর চালানো হয়েছে অকথ্য নির্যাতন। এ কথা এখন সারাবিশ্ব জানে।

এতে ৭৫ হাজারের মতো রোহিঙ্গা মুসলিম পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন বাংলাদেশে। বাস্তুচ্যুত হয়েছেন হাজার হাজার মানুষ। সেখানে গত কয়েকদিন গুজব ছড়িয়ে পড়েছে যে, প্রেসিডেন্ট হতিন কাইওয়া পদত্যাগ করতে পারেন। তাকে এ পদে বাছাই করেছিলেন অং সান সুচি।

পুলিশ বলেছে, যারা প্রেসিডেন্টের পদত্যাগের গুজব চড়িয়ে দেবে বা দিচ্ছে তাদেরকে বিচারের আওতায় আনা হবে। শুক্রবার সেখানে সরকার পরিচালিত গ্লোবাল নিউ লাইট অব মিয়ানমার পত্রিকায় সুচির অফিস থেকে পাঠানো একটি বিবৃতি ছাপা হয়েছে।

তাতে বলা হয়েছে, ভুয়া নামের একাউন্ট থেকে সামাজিক মিডিয়ায় প্রেসিডেন্ট ও স্টেট কাউন্সেলরকে নিয়ে মিথ্য সংবাদ প্রচার করা হচ্ছে। ফেসবুকে দুটি ভুয়া একাউন্ট থেকে এসব বানোয়াট খবর প্রকাশ করা হচ্ছে।

এর উদ্দেশ্য একটাই। তাহলো ইচ্ছাকৃতভাবে দেশে বর্তমান সরকারের সময়ে একটি রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করা। তারা জনমনে আতঙ্ক ও ভীতি সৃষ্টি করতে চায় এর মাধ্যমে।

মিয়ানমার পুলিশের মুখপাত্র কর্নেল মিও থু সোই বলেছেন, এ বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। জড়িত কাউকে খুঁজে পাওয়া গেছে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে। এ জন্য আমরা কড়া তদন্ত শুরু করেছি।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close