ভারত জুড়ে

যে কারণে অন্তর্বাস, জিন্স খুলেই দিতে হলো ভর্তি পরীক্ষা

শীর্ষবিন্দু আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক: পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগে তাঁকে খুলতে বলা হলো অন্তর্বাস। আরেক শিক্ষার্থীকে খুলতে বাধ্য করা হলো জিন্স। কারণ, ওই পোশাকগুলোতে ধাতব বোতাম রয়েছে। আর সেগুলো দিয়ে নাকি করা যেতে পারে নকল।

মনই অভিযোগ করলেন বেশ কয়েকজন পরীক্ষার্থী। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের কেরালা অঙ্গরাজ্যে কান্নুর শহরে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষাকেন্দ্রে।

স্থানীয় সময় রোববার ভারতে অনুষ্ঠিত হয় ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি অ্যান্ড এন্টারেন্স টেস্ট। ওই পরীক্ষার মাধ্যমে দেশটির সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তির যোগ্যতা পরীক্ষা করা হয়।

১৮ বছর বয়সী ওই শিক্ষার্থী ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে জানান, মেটাল ডিটেক্টর মেশিন সংকেত দিয়ে নিরাপত্তাকর্মীরা তাঁকে অন্তর্বাস খুলতে বলেন। প্রথমে খুলতে রাজি হননি তিনি। তখন কর্তৃপক্ষ সাফ জানিয়ে দেয়, অন্তর্বাস না খুলে দেওয়া যাবে না পরীক্ষা।

ওই ছাত্রীর মা বলেন, আমার মেয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রের ভেতরে গিয়ে কিছুক্ষণের মধ্যেই ফিরে এসে তার অন্তর্বাস দিয়ে যায়, কারণ তাতে ধাতব হুক ছিল। এ ছাড়া তাকে আড়াই কিলোমিটার দূর থেকে হালকা রঙের প্যান্ট কিনে আনতে হয়। কারণ, পরীক্ষাকেন্দ্রে গাঢ় রঙের পোশাক নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।

আরেক ছাত্রীকে পরীক্ষা দেওয়ার আগে খুলতে হয় জিন্স। রাজেস নামবিয়ার নামের ওই ছাত্রীর বাবা জানান, তার জিন্সে ধাতব বোতাম থাকার কারণে পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়। পরে ব্লেড ব্যবহার করে জিনসের বোতাম কেটে দেন তিনি। এরপরই তাঁর মেয়েকে পরীক্ষা দিতে দেওয়া হয়।

একই ধরনের অভিযোগ করেছেন পরীক্ষা দিতে আসা অনেকেই। হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফুলহাতা শার্ট পরে আসা ছাত্রদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়। পরে হাফ শার্ট পরে তাঁদের পরীক্ষায় বসার অনুমতি দেওয়া হয়। এ ছাড়া পরীক্ষাকেন্দ্রে নিষিদ্ধ করা হয় জুতা। তাই স্যান্ডেল পরেই ঢুকতে হয় শিক্ষার্থীদের।

এ ছাড়া খুলে নেওয়া ছাত্রীদের বিভিন্ন গহনা। নিতে দেওয়া হয়নি কলমও। লেখার জন্য পরীক্ষাকেন্দ্র থেকে আলাদাভাবে কলম সরবরাহ করা হয়।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

আরও দেখুন...

Close
ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close