Americaযুক্তরাষ্ট্র জুড়ে

এফবিআই পরিচালক পদে ১১ জনের নাম বিবেচনা করছেন ট্রাম্প

শীর্ষবিন্দু আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআইয়ের পরিচালক পদে ১১ জন প্রার্থীর বিষয় বিবেচনা করছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ম্প্রতি তিনি এ পদ থেকে বরখাস্ত করেছেন জেমস কমিকে। তা নিয়ে নানা আলোচনা, সমালোচনা। ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণা টিমের সঙ্গে রাশিয়া কানেকশন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যে জোর সমালোচনা তার তদন্ত করছিলেন জেমস কমি। তাকে যখন ট্রাম্প বরখাস্ত করলেন তখন অনেকেই সমালোচনা করছেন। বলছেন, নিজেকে বাঁচানোর জন্য ট্রাম্প এ কাজ করেছেন।

আবার কেউ বলছেন, তিনি সাবেক প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনের পথ ধরেছেন। নিক্সনও ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারির শুরুতে এমন কাজ করেছিলেন। তারই সূত্র ধরে তাকে অভিশংসিত হতে হয়েছে। তেমন সম্ভাবনার কথা অনেকেই ট্রাম্পের ক্ষেত্রেও পূর্বাভাষ হিসেবে দিয়ে যাচ্ছেন। এখন ভারপ্রাপ্ত হিসেবে এফবিআই পরিচালনা করছেন অ্যানড্রু ম্যাকাবে।

হোয়াইট হাউজের সিনিয়র কর্মকর্তাদের মতে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এ পদে স্থায়ীভাবে নিয়োগের জন্য ১১ জন প্রার্থীর নাম বিবেচনা করছেন। এবিসি নিউজকে শুক্রবার রাতে হোয়াইট হাউজের কর্মকর্তারা বলেছেন, এরই মধ্যে কয়েকজন প্রার্থীর সঙ্গে হোয়াইট হাউজের আলোচনা শুরু হয়ে গেছে।

শনিবার এ জন্য এটর্নি জেনারেল জেফ সেশনসের কাছে সাক্ষাতকারে হাজির হওয়ার কথা টেক্সাসের সিনেটর জন করনিন, সাবেক সহকারী এটর্নি জেনারেল অ্যালিস ফিশার, নিউ ইয়র্কের কোর্ট অপ আপিলের বিচারপতি মাইকেল গারসিয়া ও এফবিআইয়ের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক অ্যানড্রু ম্যাকাবে।

তালিকার অন্যরা হলেন নিউ ইয়র্ক সিটি পুলিশের সাবেক কমিশনার রে কেলি, হাউজ ইন্টেলিজেন্স কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মাইক রোজারস, সাউথ ক্যারোলাইনার রিপাবলিকান প্রতিনিধি ট্রে গাউডি, এফবিআইয়ের ক্রিমিনাল, সাইবার, রেসপন্স অ্যান্ড সার্ভিসেস শাখার সহকারী নির্বাহী পরিচালক পল অ্যাবাটে, কলোরাডো স্প্রিংসের মেয়র জন সুথারস, ফেডারেল আপিলেট কোর্টের সাবেক বিচারক মাইকেল লুটিগ ও সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের অধীনে দায়িত্ব পালন করা সাবেক ডেপুটি এটর্নি জেনারেল ল্যারি থমসন। গত মঙ্গলবার জেমস কমি’কে বরখাস্ত করেন ট্রাম্প।

বরখাস্ত করার চিঠিতে তিনি লিখেছেন, এটর্নি জেনারেল জেফ সেশনস ও ডেপুটি এটর্নি জেনারেল রড রোজেনস্টেইনের সুপারিশে তিনি জেমস কমি’কে বরখাস্ত করেছেন। এতে কারণ হিসেবে সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনের ব্যক্তিগত ইমেইল তদন্তের ইস্যু তুলে ধরেন ট্রাম্প।

ওদিকে এর পরেই এনবিসি টেলিভিশনে দেয়া এক সাক্ষাতকারে তিনি বলেছেন, আইন মন্ত্রণালয় থেকে যদি সুপারিশ নাও করা হতো তাহলেও তিনি জেমস কমি’কে বরখাস্ত করতেন।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close