পাক সীমানা জুড়ে

শান্তিতে নোবেল জয়ী মালালার ওপর হামলা ছিল সাজানো

শীর্ষবিন্দু আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক: শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ও মানবাধিকার কর্মী মালালা ইউসুফজাইয়ের ওপর হামলার ঘটনাকে ‘সাজানো নাটক’ বলে দাবি করেছেন পাকিস্তান তেহরিক-ই ইনসাফ বা পিটিআই’র খাইবার পাখতুনখোয়ার জাতীয় পরিষদের নারী সদস্য বা এমএনএ মুসাররাত আহমদ জেব।

শনিবার পাকিস্তানের ইংরেজি দৈনিক দ্যা এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের এক প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়।

২০১২ সালের অক্টোবরে সোয়াত উপত্যকার মিঙ্গোরা শহরে স্কুলবাসে মালালার ওপর হামলা চালায় তালেবান বন্দুকধারীরা। এ হামলায় অল্পের জন্য রক্ষা পান তিনি। পরে তাকে রাওয়ালপিন্ডির সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে যুক্তরাজ্যের কুইন এলিজাবেথ হাসপাতালে নেয়া হয়।

হামলার এ ঘটনাকেই সাজানো নাটক বলছেন সোয়াত রাজবংশের সদস্য মুসাররাত। তার দাবি, বিবেকের তাড়নায় এতকাল পর মুখ খুলতে বাধ্য হয়েছেন তিনি।

টু্ইটার বার্তায় তিনি লেখেন, মালালার বিষয়ে চুপ থাকার সিদ্ধান্তই নিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সুপিরিয়র সার্ভিস বা সিএসএস পরীক্ষা উপজাতীয় এলাকা থেকে প্রথম স্থান অধিকারকারী জারমিনা ওয়াজির যখন বলেন, মালালা তাকে অনুপ্রাণিত করেছেন; তখন বিবেকের তাড়নায় সত্য প্রকাশে বাধ্য হন।

টুইটার বার্তায় তিনি আরো দাবি করেন, মালালার নাটকে জড়িত গোষ্ঠী তার সঙ্গেও যোগাযোগ করেছিল। কিন্তু কথিত নাটকের অংশ হতে রাজি হননি তিনি। টুইটের পর এক্সপ্রেস ট্রিবিউনকেও একই কথা বলেন মুসাররাত।

আরেকটি টুইটার বার্তায় মুসাররাত লেখেন, বিবিসিতে যখন ‘গুল মাকাই’ ছদ্মনামে মালালা ব্লগ লিখতেন তখন তিনি পড়ালেখাই জানতেন না। এছাড়া, গুলিতে আহত মালালার মেডিক্যাল পরীক্ষা যারা করেছিলেন তারাও সরকারি ষড়যন্ত্রের অংশ ছিলেন বলেও দাবি করেন।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, মালালার ওপর তালেবান হামলার ঘটনার পর পেশোয়ারের পাকিস্তানের আর্মি স্কুলের কোনো ছাত্র বা শিক্ষক কি তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ত্যাগ করেছেন? শত শত মেয়ে চাপ মেনে নিতে অস্বীকার করেছেন এবং তাদের লেখাপড়া চালিয়ে যাচ্ছেন। তারা এখন গ্রাজুয়েট হতে চলেছেন।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close