Americaযুক্তরাষ্ট্র জুড়ে

এবার ট্রাম্পের জামাতার দিকে নজর এফবিআই’র

শীর্ষবিন্দু আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রাশিয়ার হস্তক্ষেপ নিয়ে এবার প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের মেয়েজামাই প্রভাবশালী উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনারের দিকে নজর দিয়েছে এফবিআই। নির্বাচনের পূর্বে কুশনারের করা বেশ কয়েকটি বৈঠক এখন গোয়েন্দাদের নজরে।

ডিসেম্বরে কুশনার রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত ও মস্কোর এক ব্যাংকারের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। এ খবর দিয়েছে ওয়াশিংটন পোস্ট। পত্রিকাটির গত সপ্তাহের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, উচ্চ পর্যায়ের এই তদন্তে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ এক উপদেষ্টার দিকে জোর নজর দেওয়া হয়েছে। এবার এই উপদেষ্টার নাম জানা গেল।

এফবিআই এজেন্টরা ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইকেল ফ্লিন ও ট্রাম্প ক্যাম্পেইনের সাবেক চেয়ারম্যান পল ম্যানাপোর্টের ব্যাপারেও আগ্রহী। তবে হোয়াইট হাউজের বর্তমান কর্মকর্তাদের মধ্যে একমাত্র কুশনারই তদন্তাধীন। তবে কুশনার কোন অপরাধ করেছেন এমন অভিযোগ করা হয়নি। মূলত, তিনি ‘পারসন অব ইন্টারেস্ট’ Ñ যিনি এই সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জেনে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এফবিআই’র তদন্তকারীরা বলেছে, ক্রেমলিন ও ট্রাম্প শিবিরের সঙ্গে সম্ভাব্য যোগাসাজশের বিষয়টি ছাড়াও সম্ভাব্য আর্থিক অপরাধের দিকটিও তদন্তের আওতায় রয়েছে। তবে এক্ষেত্রে কারা তদন্তাধীন তা জানা যায়নি।

এদিকে সাবেক এফবিআই প্রধান জেমস কমির ‘মেমো’ কংগ্রেসকে সরবরাহ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে সংস্থাটি। জেমস কমিকে কয়েক সপ্তাহ আগে বরখাস্ত করেন ট্রাম্প। কর্মরত অবস্থায় কমি এই রাশিয়া-সংক্রান্ত তদন্তের নেতৃত্বে ছিলেন। ট্রাম্প নিজেই স্বীকার করেছেন, এই তদন্তও তাকে বরখাস্ত করার অন্যতম কারণ।

পরবর্তীতে জেমস কমির ‘মেমো’তে দেখা যায়, ট্রাম্প তাকে এক আলাপচারিতায় এই তদন্ত থামাতে বলেছিলেন। এই মেমোর কথা প্রকাশ পাওয়ায়, প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়ায় বাধা দেওয়ার অভযোগ উঠে। জানা যায়, ট্রাম্পের সঙ্গে প্রত্যেক কথোপকথনের বিস্তারিত নিজের মেমো আকারে লিখে রেখেছিলেন কমি।

কংগ্রেস তাই এ সংক্রান্ত সকল মেমো তাদের হাতে হস্তগত করতে বলেছিল। কিন্তু এফবিআই’র মূল কর্তৃপক্ষ বিচার মন্ত্রণালয় ওই দাবি নাকচ করে দিয়েছে। উল্লেখ্য, একজন এফবিআই কর্মীর মেমো আইনের দৃষ্টিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মার্কিন বিচারকরা এসবকে গ্রহণযোগ্য প্রমাণ হিসেবে ধরে নেন।

জেমস কমির ওই মেমো তাই এই তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। কমিকে বরখাস্তের পর বিচার মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সাবেক এফবিআই প্রধান এডওয়ার্ড মুলারকে ‘বিশেষ কৌঁসুলি’ হিসেবে এ মামলা তদন্তের জন্য নিযুক্ত করেন। ‘বিশেষ কৌঁসুলি’ বিচার মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ারের বাইরে অনেক স্বাধীনতা পান। বর্তমানে রাশিয়া সংক্রান্ত সকল তদন্ত তার হাতেই পরিচালিত হচ্ছে।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

আরও দেখুন...

Close
ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close