জাতীয়

সেভ দ্যা চিলড্রেনের গবেষণা: শিশুর শৈশব রক্ষায় বিশ্বে বাংলাদেশ ১৩৪ তম

শীর্ষবিন্দু নিউজ ডেস্ক: শিশুর শৈশব রক্ষায় বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩৪তম বলে সেভ দ্যা চিলড্রেন এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।

আর্ন্তজাতিক শিশু দিবসে শিশু-কিশোরের শৈশবকালীন অবস্থা বিবেচনায় ১৭২টি দেশে জরিপের ভিত্তিতে ‘স্টোলেন চাইল্ডহুড বা চুরি হয়ে যাওয়া শৈশব শীর্ষক এই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রতিবেদনটি তুলে ধরেন প্রতিষ্ঠানের ক্যাম্পেইন অ্যাডভাইজার টনি মাইকেল গোমেজ। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি কান্ট্রিডিরেক্টর ড.ইসতিয়াক মান্নান ও কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্ক পিয়ার্স।

প্রতিবেদনে দেশগুলোর মধ্যে কোথায় শিশু-কিশোরদের শৈশব সবচেয়ে নিরাপদ আর কোথায় ঝৃঁকিপূর্ণ বা অরক্ষিত সেই বিষয়ে বৈশ্বিক একটি সূচক প্রকাশ করা হয়। যেখানে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশ ৬৮০ স্কোর পেয়ে মালদ্বীপ, শ্রীলংকা, মিয়ানমার এবং ভারতের পেছনে এবং নেপাল পাকিস্তান এবং আফগানিস্তানের আগে অবস্থান করছে।

তালিকায় ভাল অবস্থানে আছে ইউরোপের দেশগুলো। এক হাজারের মধ্যে ৯৮৫ স্কোর পেয়ে সবচেয়ে ভাল অবস্থানে আছে নরওয়ে। আর সবচেয়ে খারাপ অবস্থানে রয়েছে পশ্চিম ও মধ্য আফ্রিকার দেশ। যার মধ্যে ৩৮৪ স্কোর পেয়ে সবার নিচে অবস্থান করছে নাইজার।

এই প্রতিবেদন অনুযায়ী বিশ্বে মাত্র ১০টি রাষ্ট্রে পৃথিবীর দুই তৃতীয়াংশ খর্বাকার শিশু বাস করে। এর মধ্যে ভারতে সবচেয়ে বেশি ৪ কোটি ৮২ লাখ খর্বাকার শিশু আছে। এই দশ দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান অষ্টম। এখানে ৫৫ লাখ খর্বাকার শিশু বাস করে। প্

রতিবেদনে আরও বলা হয় প্রতি ৭ সেকেন্ডে ১৫ বছরের একজন মেয়ের বিয়ে হয়। বাংলাদেশে ১৫-১৯ বছর বয়সে মেয়েদের বিয়ের হার ৪৪ শতাংশ। প্রতিবছর প্রায় এক কোটি ৭ লাখ কিশোরী মেয়ে শিশুর জন্ম দেয়। কিশোরী মা হওয়ার ঘটনা অর্ধেক ঘটে বিশ্বের ৭টি দেশে যার মধ্যে বাংলাদেশ ছাড়াও আছে ব্রাজিল,কঙ্গো,ইথিওপিয়া,ভারত,নাইজেরিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র। প্রতিবেদনে বলা হয় বিশ্বে ৭শ কোটির বেশি শিশুর শৈশব নির্ধারিত সময়ের আগে শেষ হয়।

বক্তরা বলেন,এটি অত্যন্ত দু:খের বিষয় যে বাংলাদেশ বৈশ্বিক বিভিন্ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে প্রভূত উন্নতিসাধন করলেও এখানে এখনও অনেক শিশু অসুখে মারা যায় এবং বৈষম্যের শিকার হয়। যার ফলে শিশুরা তাদের স্বাভাবিক কৈশোর হারায়। শিশুরা শিক্ষা খেকে ঝরে পড়ছে। এটি কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না যে ২০১৭ সালে এসে বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশের শিশুরা তাদের সুরক্ষা, শিক্ষা,বেড়ে ওঠা ও খেলার অধিকার সমানভাবে পাচ্ছে না।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close