লন্ডন থেকে

ব্রিকলেনে টাউটিং বন্ধ ও ব্যবসায় গতি ফিরিয়ে আনতে কাউন্সিলের নতুন কার্যক্রম পিএসপি

শীর্ষবিন্দু নিউজ: ব্রিকলেন এক সময় প্রবাসী অধ্যূষিত বাঙ্গালীদের ঐতিহ্যস্থান হলেও আজ বিলিন এক জনপদে পরিণত হয়েছে। এক সময় এই ব্রিকলেনকে কারী ক্যাপিটাল বলা হলেও আজ পর্যটকদের জন্য রয়েছে গুটি কয়েক রসনা বিলাস রেস্টুরেন্ট।

নানা কারনে গনমাধ্যমে আলোচিত ও সমালোচিত ব্রিকলেনে বর্তমানে বাঙালী মালিকানাধীন রেস্টুরেন্টের সংখ্যাও কমে আসছে। আর এই জায়গা দখল করে নিচ্ছে থার্কিস, ফাষ্ট ফুডের সপসহ অন্যান্য ধাচের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান।

টাওয়ার হ্যমলেটস বারার পর্যটন স্থান ব্রিকলেন এর পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে জিরো টলারেন্স নীতির ঘোষনা দিলেন টাওয়ার হ্যামলেটস বারার নির্বাহী মেয়র জন বিগস। নতুন আইনের কার্যকরী করার অংশ হিসাৰে বৃহস্পতিবার পূর্ব লন্ডনের ব্রিকলেনে কাউন্সিলের তত্বাবধানে এই কর্মসূচী শুরু করা হয়৷

এ সময় নির্বাহী মেয়রের সাথে ছিলেন দায়িত্বপ্রাপ্ত কাউন্সিলার জোশয়া প্যাক, নির্বাহী মেয়রের পলিটিক্যাল এডভাইজার সৈয়দ মনসুর উদ্দিন ও স্থানীয় ব্যবসায়ী আজমল হোসেন সহ স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। এ সময় নির্বাহী মেয়র জন বিগস বাংলা মিডিয়ার সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন ও বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। তিনি স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সাথেও কথা বলেন। তিন বছরের জন্য কার্যকর নতুন আইনে যা আছে:

১. পুলিশ ও কাউন্সিলের আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী অফিসাররা নির্দেশ অমান্য কারীদের নির্দিষ্ট অংকের জরিমানা করতে পারবেন ৷

২. পি এস পিও নির্দেশাবলীর বিধিনিষেধ যুক্ত এলাকা সমূহে মল মুত্র ত্যাগ না করা ভিক্ষাবৃত্তি না করা ৷

৩. টাউটিং বা কাস্টমার হাঁকাহাঁকি অথবা পথচারিদের গতিরোধ না করা কারো উদ্বেগ উৎকণ্ঠা কিংবা শংকিত হওয়ার মতো আচরন না করা ।

৪. অফিসাররা যদি মদপান করতে বারণ করেন কিংবা মদ জাতীয় পানীয় হস্তান্তর করতে বলেন তাহলে তা মান্য করা৷

নির্বাহী মেয়র গণমাধ্যমকে বলেন, ব্রিকলেনের ব্যবসা সহ সুযোগ সুবিধার বিষয়টি নিয়ে আমরা কাজ করছি৷ ব্রিকলেনের সমস্যা নিয়ে কমিউনিটির মানুষের সাধারন ব্যবসায়ী স্থানীয় বাসিন্দাদের নানান অভিযোগের সুরাহা করতে টাওয়ার হ্যামেলেট কাউন্সিলের নির্বাহী মেয়র জনবিগসের বিশেষ উদ্যোগে ব্রিকলেন এলাকার চারপাশের জীবনমান উন্নত করা এবং সমাজ বিবোধী কার্যকলাপ রুখতে পাবলিক স্পেস প্ৰটেকশন ওর্ডার পিএসপিও বা সর্ব সাধারনের চলাচলের স্থানের সুরক্ষা আদেশ বা ক্ষমতা প্রযোগ করার ওপর পরিচালিত গণপরামর্শে ৪০০ শতাধিক বাসিন্দা ও ব্যবসায়ী ডাক যোগে ও অনলাইনে অংশ নেন৷

এতে অংশগ্রহন কারীদের ৮৪ শতাংশই বলেছেন ব্রিকলেন ও চারপাশের এন্ট্রি সোশ্যাল বিহেভিয়ার বা এএসবি প্রতিদিনকার জীবন যাত্রায় মারাত্মক বিঘ্নতা সৃষ্টি করছে। নতুন আইনের কার্যকরী করার অংশ হিসাৰে বৃহশ্পতিবার পূর্ব লন্ডনের ব্রিকলেনে কাউন্সিলের তত্বাবধানে এই কর্মসূচী শুরু করা হয়৷

ব্রিকলেন এলাকায় গণসংযোগ চলাকালে বাংলা মিডিয়ার সিনিয়র অনেক সাংবাদিক তাদের নিজস্ব মতামত তুলে ধরেন। তারা বলেন, ব্রিকলেনে যারা এই টাউটিং শুরু করেছিলেন আজ মেয়র সাথে তাদেরই দেখছি। তো এখান থেকে কি সুফল আসতে পারি সেটা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close