লন্ডন থেকে

বাংলাদেশকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিতে লন্ডন এসে টেনর্পাসেন্ট খ্যাত ছেলে তারেকের সাথে ষড়যন্ত্রের চক আকছেন খালেদা জিয়া

শীর্ষবিন্দু নিউজ: চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যে এলেও বেগম খালেদা লন্ডনে বসে ষড়যন্ত্র করছেন এমন অভিযোগ যুক্তরাজ্যে আওয়ামীলীগের। সোমবার দুপুরে পূর্ব লন্ডনের একটি রেষ্টুরেন্টে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা অভিযোগ করেন খালেদা জিয়া লন্ডনে এসে ষড়যন্ত্রের জাল পাকাচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের সভাপতি সুলতান মাহমুদ শরিফ, সহ সভাপতি জালাল উদ্দিন, সামছুদ্দিন মাস্টার, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নঈম উদ্দিন রিয়াজ, যুগ্ম সম্পাদক হরমুজ আলী, আনোয়ারুজ্জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব সাজ্জাদ মিয়াসহ সিনিয়র নেতৃবৃন্দ। লিখিত বক্তব্য পাঠন করেন দপ্তর সম্পাদক শাহ শামীম আহমদ।

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, বিগত দিনে আন্দোলনের নামে দেশে জ্বালাও-পোড়াও হত্যা খুন, নানা দখলবাণিজ্যসহ গাড়ীতে আগুন দিয়ে ২৫৬ জন নীরিহ মানুষকে হত্যা করে দেশে রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে দেশবিরোধী নানা ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছেন। এবার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে লন্ডন এসেছেন বাংলাদেশে মি: টেনর্পাসেন্ট নামে খ্যাত ছেলে তারেক রহমানের সাথে কুপরামর্শ করে কিভাবে দেশকে অস্বিতিশীল করা যায় সে পরিকল্পনা আকঁছেন।

সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যে আরে বলা হয়, আপনারা জানেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি অর্জন করে চলেছে। বাংলাদেশ এখন বিশ্ব মাত্রিক উন্নয়নে মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে প্রশংসিত।

উন্নয়নের সর্বক্ষেত্রে এই ধারা অব্যাহত রেখে জনগণের জীবনমান উন্নত ও প্রবৃদ্ধির যে নজির সৃষ্টি হয়েছে তা বিশ্বের কাছে বিশেষ উদাহরণ হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে। আপনারা জানেন, প্রবৃদ্ধির হার শতকরা ৭ ভাগ ছাড়িয়ে গেছে। রিজার্ভের পরিমাণ ৩৪ বিলিয়ন। এই পর্যায়ে প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে যে উন্নতি হয়েছে তার কয়েকটি উদাহরণ দিতে চাই। যেমন কৃষিখাত ও শিল্পখাতকে উন্নয়ন করার ফলে আমদানি নির্ভর দেশ বর্তমানে রফতানিমুখী দেশে পরিণত হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে যখন উন্নয়নের ধারা সৃষ্টি করেছেন, তখন বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া দেশের এই উন্নয়নকে ব্যহত ও বাধাগ্রস্ত করতে ষড়যন্ত্র শুরু করেছেন। তিনি লন্ডনে এসে এই ষড়যন্ত্রের জাল পাকাচ্ছেন।

তারা বলেন, বাংলাদেশ এখন বিশ্ব মাত্রিক উন্নয়নে মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে প্রশংসিত। উন্নয়নের সর্বক্ষেত্রে এই ধারা অব্যাহত রেখে জনগণের জীবনমান উন্নত ও প্রবৃদ্ধির যে নজির সৃষ্টি হয়েছে তা বিশ্বের কাছে বিশেষ উদাহরণ হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে। প্রবৃদ্ধির হার শতকরা ৭ ভাগ ছাড়িয়ে গেছে। রিজার্ভের পরিমাণ ৩৪ বিলিয়ন।

এই পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে যে উন্নতি হয়েছে তার কয়েকটি উদাহরণ দিয়ে তারা বলেন, কৃষিখাত ও শিল্পখাতকে উন্নয়ন করার ফলে আমদানি নির্ভর দেশ বর্তমানে রফতানিমুখী দেশে পরিণত হয়েছে।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে কৃষি বিপ্লব ঘটেছে। বাংলাদেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূণ। উন্নত কৃষিপ্রধান দেশ হিসেবে বিশ্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। তৈরি পোশাকখাতে রফতানিতে বাংলাদেশ ২য় অবস্থানে রয়েছে।

শেখ হাসিনা দায়িত্ব গ্রহণের পর বিদ্যুত ব্যবস্থাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেন। সাড়ে ৩ হাজার থেকে বর্তমানে প্রায় সাড়ে ১৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুত উতপাদন হচ্ছে। প্রায় প্রতিটি গ্রামে বিদ্যুত পৌছেছে।

শেখ হাসিনা নতুন শিক্ষানীতি বাস্তবায়নের ফলে শিক্ষা সুযোগের আমূল পরিবর্তন ঘটেছে। শিক্ষার অবৈতনিক ব্যবস্থা ও শিক্ষার অবাদ সুযোগ সৃষ্টি করে দেশে যে শিক্ষা বিপ্লব ঘটিয়েছেন বর্তমানে নিরক্ষরতার অভিশাপ মুক্ত হয়েছে দেশ। এছাড়া নারী উন্নয়নে দেশ বিশ্বে উদাহরণ সৃষ্টি করেছে।

দেশে যোগাযোগ ব্যবস্থায় যুগান্তকারি উন্নয়ন ঘটেছে। যমুনা সেতু নির্মাণ হওয়ার পর এখন পদ্মা সেতু নির্মাণ হচ্ছে। এর ৬০ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ২০১৯ সালের ভেতরেই পদ্মা সেতু চালু হবে। যা বাংলাদেশের উন্নয়নের মহাসড়কে এক বিস্ময়কর সংযোজন। ঢাকা মহানগরে অসংখ্য উড়াল সড়ক নির্মিত হয়েছে এবং আরো হচ্ছে। এছাড়া ঢাকা মহানগরের যানজট নিরশনসহ জনজীবনকে গতিশীল করতে মেট্রোরেল স্থাপন করা হচ্ছে।

তারা বলেন, শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও শাস্তি নিশ্চিত করেছেন। এখন বিশ্বে উদাহরণ সৃষ্টি হয়েছে দেশে অপরাধ করে কেউ পার পায় না। এরআগে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যাকারিদের বিচার ও জেলহত্যার বিচার নিশ্চিত করেছেন শেখ হাসিনা। স্বাস্থ্যখাতে প্রতি ইউনিয়নে কমিউনিটি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করে জনগণের দোরগোড়ায় চিকিতসা ব্যবস্থাকে জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার পৌছে দিয়েছে।

এছাড়া দেশে জঙ্গীবাদ নির্মূল,সন্ত্রাস দমণসহ আইন শৃঙ্খলার উন্নয়ন ঘটিয়ে দেশকে শান্তির ভূমি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

তারা আরো বলেন, ২০১৩ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পর খালেদা জিয়া তখনকার সময়ে নিজে বিভিন্ন গোপন বার্তা দিয়ে মানুষ হত্যায় প্ররোচনা.সংখ্যালঘুর বাড়িঘর পোড়ানো ও বিদেশি নাগরিক হত্যা,ধর্মীয় উসকানি দান করে দেশকে অস্থিতিশীল করে তুলেন। নিজেকে রাজনৈতিক নেত্রী নয়, আগুন সন্ত্রাসী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। তার দেশবিরোধী কর্মকান্ডের জন্য দেশবাসী তাকে প্রত্যাখান করেছে। এখন আবার নতুন কায়দায় ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছেন।

দূর্নীতিবাজ খালেদা জিয়া ও তার পুত্র বাংলাদেশের গরীব দুখি মেহনতি মানুষের হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করে বিদেশে পাচার করেছে। আজ দিবালোকের মত স্পষ্ট যে, হাওয়া ভবনখ্যাত দুনীর্তি এবং জিয়া অর্পানেস ট্রাস্টের কোটি কোটি টাকা দুর্নীতির মাধ্যমে লুটপাট করেছে তার পুত্র তারেক রহমান ও তিনি।

জিয়া অপর্নেস দুনীর্তি মামলা মোকাবিলা না করে একজন রাজনৈতিক নেত্রী হিসেবে টালবাহানা করে ৫৪ বার আদালতের কাছে সময় চেয়ে বিচার কার্যকে বিলম্বিত করে চলেছেন। দেশে কেউ অপরাধ করলে বিচার হয়, কিন্তু খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান যে দুনীতি করেছেন তা সময় ক্ষেপন করে বাধাগ্রস্ত করে পার পাওয়ার অপচেষ্টা করছেন।

বিশেষভাবে আরো উল্লেখ করতে চাই, দুনীর্তির বরপুত্র তারেক জিয়া লন্ডনে বসে চাদাবাজির জাল বিস্তার করে কোটি কোটি টাকা লুটে নিচ্ছে। তার চাদাবাজিতে দেশবাসী অতিষ্ঠ। এছাড়া হাওয়াভবনের পর লন্ডনের কিংসটনের তারেকের বাড়ি ষড়যন্ত্রের আরেক কাসিমবাড়ি।

তাদের ক্ষমতার অপব্যবহারের মামলা ও আরো অসংখ্য দুর্নীতি মামলাকে একইভাবে বাধাগ্রস্ত করে যাচ্ছেন। তারা বলেন, আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, তাদের দুর্নীতির দায় দেশবাসী নেবে কেনোদিনই নেবে না।

আমরা ঘোষণা করতে চাই,আগুন সন্ত্রাসী ও ষড়যন্ত্রকারি খালেদা জিয়ার এ সমস্ত দেশবিরোধী যে কোনো ষড়যন্ত্র যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে প্রবাসী বাঙালিরা প্রতিহত করবে। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্বের সময় বাঙালিরা বাংলাদেশের ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পাশে ছিলো। তখন মহান মুক্তিযুদ্ধেরপক্ষে অবস্থান নিয়ে ছিলো। এই বিলেতে বাংলাদেশের পক্ষে বিশ্বজনমত গঠন করতে প্রবাসী বাঙালিদের ভুমিকা ছিলো অনন্য।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে আন্দোলন এখান থেকেই শুরু হয়েছিল সুতরাং এখানকার প্রবাসীরা খালেদা জিয়া ও তার দুনীতিবাজ পুত্রের ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তের জবাব দিতে প্রস্তুত রয়েছে।

বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে কৃষি বিপ্লব ঘটেছে। বাংলাদেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূণ। উন্নত কৃষিপ্রধান দেশ হিসেবে বিশ্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close