আরববিশ্ব জুড়ে

মারা যাওয়ার শংকায় আইএসে যোগদানকারী তিন স্কুলছাত্রীর পরিবার

শীর্ষবিন্দু আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক: লন্ডন বেথনালগ্রীন একাডেমি স্কুলের ছাত্রী খাদিজা সুলতানা, শামিমা বেগম, আমিরা আবেজ তিনজনই আইএসে যোগ দিয়ে জিহাদ করতে সিরিয়ায় গিয়েছিল।

এদের মধ্যে তিনজনই হচ্ছে বেথনালগ্রীন একাডেমি স্কুলের ছাত্রী। এদের দুইজন বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত। প্রায় ১ বছর যাবত ঐ স্কুল ছাত্রীরা আর তাদের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করছে না। এতে পরিবারের সদস্যদের ভয় হচ্ছে হয়ত তারা সিরিয়ায় মারা গেছে।

গত বছরের মে মাসে তথাকথিত ইসলামী স্ট্রেইটের রাজধানী রাক্কায় এক বিমান হামলায় কাদিজা সুলতানা নিহত হয়েছে বলে ধারণা করা হয়। স্কুল ছাত্রী খাদিজা সুলতানাও সুমালি বংশোদ্ভুত ওয়েস্টার্ন আইসিস যুদ্ধাকে বিয়ে করেছিলেন রাক্কায় বিমান হামলায় মৃত্যুর আগে।

কিন্তু সে যখন তার ভুল বুঝতে পেরে ব্রিটেনে ফিরে আসতে চেয়েছিল তখনই এক বিমান হামলায় হয়। সে তার নিকট আত্মীয়কে বলেছিল, আমি এখানে ভাল নেই। আমার ভয় হচ্ছে। আমি ফিরে আসতে চাই। বাকীদের খবর স্পষ্ট বলতে পারছেনা তাদের পরিবার।

দি ইভিনিং স্ট্যান্ডার্স এর এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, বেথনালগ্রীন স্কুলের ঐ তিন স্কুল ছাত্রী তাদের পরিবারের সদস্যদের সাথে ইন্টারনেটে ও ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করত। তবে গত বছরের মে থেকে সব যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। পরিবারের সদস্যদের ভয় হয়ত তারা নিহত হয়েছে।

তাদের পরিবারের আইনজীবী তাসনিম আকুনজী সানডে টাইমসকে বলেছেন তারা খারাপ কিছুর আশংকা করছেন কিন্তু তারপরও আশায় বাস করছেন।

এদিকে রিপোর্টে প্রকাশ করা হয়েছে শামীমা বেগম এক আমেরিকান জিহাদীকে বিয়ে করেছিলেন। তবে সে যখন গর্ববতী হয় তখন সে তাকে ছেড়ে চলে যায়। একথা পত্রিকাকে জানিয়েছেন এক ব্রিটিশ যুদ্ধা। এটি ছিল প্রায় দেড় বছর আগের কথা। তবে এটা স্পষ্ট নয় যে সে কখন তার সন্তানের জন্ম দিয়েছে।

উল্লেখ্য, আইএস এর সাথে প্রথম যোগদেয় শারমিন বেগম (১৫)। সে ২০১৪ সালের শেষে দিকে ইস্ট লন্ডন থেকে সিরিয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। এর কয়েক মাস পর খাদিজা সুলতানা, শামিমা বেগম, আমিরা আবেজ সিরিয়ায় গমন করে। এতে শারমিনের প্ররোচনা রয়েছে বলে মনে করা হয়। তারা ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে পূর্ব লন্ডন থেকে পালিয়ে ইসলামিক স্ট্রেইটে যোগ দিতে সিরিয়ায় গমন করে।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close