ইউরোপ জুড়ে

পিছু হটছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট

শীর্ষবিন্দু আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক: নিজ স্ত্রী ব্রিজিত ম্যাক্রোনের জন্য ফার্স্ট লেডি’র সরকারি পদ সৃষ্টির পরিকল্পনা থেকে পিছু হটছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোন।

নির্বাচনী প্রচারণার সময় তিনি তার স্ত্রীর জন্য একটি ‘সত্যিকারের অবস্থা তৈরি করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সত্যিকারের অবস্থান বলতে তিনি ফার্স্ট লেডি করাকে বুঝিয়েছিলেন। এমনটা করতে গেলে সংবিধান পরিবর্তন করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। কারণ, ফ্রান্সের সংবিধানে রাষ্ট্রপ্রধানের স্ত্রী বা স্বামীর জন্য সরকারিভাবে কোনো পদ নেই।

ফলে ব্রিজিতকে সংবিধান সংশোধন না করে এমানুয়েল ম্যাক্রোন ‘ফার্স্ট লেডি’ পদ দিতে পারছেন না। তাই সংবিধান সংশোধন করার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।

কিন্তু তার এমন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে ফ্রান্সের বিপুল সংখ্যক মানুষ। ব্রিজিতকে যাতে ফার্স্টলেডি করা না হয় এমন একটি পিটিশনে স্বাক্ষর করেছে কমপক্ষে ২ লাখ ৯০ হাজার মানুষ। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি।

ওদিকে ফরাসি প্রচার মাধ্যম জানায়, ব্রিজিত ম্যাক্রোনের ভূমিকা কি হবে তা কয়েক দিনের মধ্যেই পরিষ্কার করা হবে।

কিন্তু এর ফলে সংবিধান কোন পরিবর্তন হবে না। ওদিকে ফ্রান্সের কি আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ফার্স্ট লেডি’ পদ থাকা উচিত কিনা তা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়ে গেছে।

সেখানে কোনো ফার্স্টলেডি পদ নেই, যদিও প্রেসিডেন্টের বাসভবন এলিসি প্রাসাদে একটি কার্যালয়, এক বা দুইজন সহকারী ও নিরাপত্তা কর্মী দেওয়া হয়ে থাকে তাদের।

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close