লন্ডন থেকে

গণতন্ত্র ফিরাতে সকলকেঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বিএনপির সদস্য পদ নবায়নে তারেক রহমান

শীর্ষবিন্দু নিউজ: শুধু সদস্য নয়, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে সকলকেঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে। লন্ডনে বিএনপির সদস্য পদ নবায়ন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

কেন্দ্রীয় বিএনপির দু‘মাসব্যাপী সদস্য সংগ্রহ কর্মসূচীর অংশ হিসাবে সোমবার (১৪ আগস্ট) যুক্তরাজ্য বিএনপি আয়োজিত নতুন সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন কর্মসূচী অনুষ্ঠানে তিনি তার সদস্য পদ নবায়ন করেন। নিজের সদস্যপদ নবায়নের মাধ্যমে কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন তিনি।

এই নতুন সদস্য সংগ্রহ অভিযানে দেশে ১ কোটি ও যুক্তরাজ্যে ১০হাজার সদস্য সংগ্রহ করা হবে বলে দলীয় নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন। আলোচনা সভা শেষে নতুন সদস্য এবং সদস্য পদ নবায়নকারীরা ফরম পূরন করে ফরমের একাংশ সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাতে তুলে দেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে তারেক রহমান নিজে দলের ১ম সদস্য ফরম পূরণ করে এ কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন। এরপর একে একে সভায় উপস্থিত কেন্দ্রীয় নেতাসহ হাজারখানেক নতুন ও পুরাতন সদস্যদের পূরণকৃত বিএনপির প্রাথমিক সদস্য ফরম নিজ থেকে গ্রহণ করেন।

লন্ডনে অবস্থানরত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপি’র সিনিয়র ভাইস-চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, শুধুমাত্র বিএনপি’র সদস্য হলেই হবেনা দলের চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে চলমান নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নিবার্চন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে নতুন ও পুরাতন সদস্যদের ঐক্যবদ্ধভাবে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।

তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার মাধ্যমেই বাংলাদেশ স্বাধীনতা পায়। বি,এন,পি’ই মুক্তিযোদ্ধার দল। বি,এন,পি’ই হচ্ছে বাংলাদেশের মানুষের আশা আকাংখা প্রতিফলন। একটি আদর্শের নাম। গত ১দশক ধরে বিরোধীদলে অবস্থান করলেও, শত বাধা বিপত্তি আর হামলা, মামলা এবং নির্যাতনের মধ্য দিয়েও জুলাইয়ের পর থেকে নতুন সদস্য হিসেবে দেশে বিদেশে লক্ষ লক্ষ মানুষ বি,এন,পিতে যোগদান করছে।

এ সময় তিনি বলেন, গত এক দশক ধরে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী আওয়ামী লীগ সরকার যেভাবে সারাদেশে বিএনপি নেতাকর্মী সমর্থকদের গুম খুন নির্যাতন নীপিড়ন হামলা মামলা ও অপপ্রচার চালিয়েছে এসব বাধা ও প্রতিকূলতার মধ্যেও বিএনপির সদস্য হওয়ার জন্য দেশে ও প্রবাসে লাখো লাখো মানুষের আগ্রহ প্রমান করে বিএনপি একটি আদর্শের নাম।

বিএনপি দেশের জনগনের কাছে বিশ্ব¦স্ততার প্রতীক। বিএনপি এমন একটি দল যে দল জনগনের কাছে যে প্রতিশ্রুতি দেয় তা রক্ষা করে। বিএনপি মুক্তিযোদ্ধার দল, বিএনপির শান্তি ও সংহতির প্রতীক। ১৯৭৮ সালে গঠিত এই দলটি নানা ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে এখনো দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল।

তারেক রহমান বলেন, শেখ হাসিনা নিজেই স্বিকার করেছেন, আওয়ামী লীগ নেতারাই শেখ মুজিব হত্যাকান্ডে জড়িত ছিলো। শেখ মুজিব হত্যাকান্ডের সময়কার সেনাপ্রধান বর্তমানে আওয়ামী লীগ নেতা মেজর জেনারেল শফিউল্লাহ পত্রিকা ও টেলিভিশনে সাক্ষাতকার দিয়ে বলেছেন, শেখ মুজিব হত্যাকান্ডের সঙ্গে শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই শেখ সেলিম জড়িত ছিলো। ১৯৭৫ সালে গনবাহিনীর নগর কমান্ডার আনোয়ার হোসেন টেলিভিশনের সাক্ষতাকার দিয়ে বলেছেন, শেখ মুজিব হত্যাকান্ডের পরপরই গনবাহিনীর প্রধান কর্নেল তাহের, সেকেন্ড ইন কমান্ড হাসানুল হক ইনু এবং অনোয়ার হোসেন নিজে রেডিও অফিসে গিয়েছিলেন। রেডিও অফিসে গিয়ে তারা শেখ মুজিব হত্যা পরবর্তী সরকারকে সমর্থন জানিয়েছিলেন। তারেক রহমান বলেন, এদেরকে তো কেউ জোর করে রেডিও অফিসে নিয়ে যায়নি কিংবা যেতে বাধ্য করেনি।

তারেক রহমান বলেন, এখন এদের কাউকে মন্ত্রী কাউকে ভিসি কিংবা কাউকে এমপি বানিয়ে শেখ হাসিনা যেভাবে শহীদ জিয়া সম্পর্কে মিথ্যাচার করছেন বিএনপির নেতাকর্মীদেরকে এইসব মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।

তিনি আরো বলেন, শেখ মুজিব হত্যাকা- সংঘটিত হয়েছিল ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট। আর জিয়াউর রহমান প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন ১৯৭৭ সালের ২১শে এপ্রিল। মাঝখানের সময়ের ব্যবধান প্রায় দুই বছর। এই সময়ের মধ্যে দু‘জন রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এরমধ্যে খালেদ মোশাররফ সেনা অভ্যুত্থান করে জিয়াউর রহমানকে বন্দী করেছেন। ৭ নভেম্বর সিপাহী জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তিনি মুক্তি লাভ করেন। সুতরাং এটি স্পষ্ট, জিয়াউর রহমান কোন ষড়যন্ত্র করলে তাকে প্রেসিডেন্ট হতে দু‘বছর অপেক্ষা করতে হতোনা।

তারেক রহমান নতুন প্রজন্মের উদ্দেশ্যে বলেন, দেশ এখন এক গভীর সংকটে। মানুষের স্বাধীনতা নেই। মানুষ এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কিছু লিখলেও তাকে গ্রেফতার করা হয়। নির্যাতন করা হয়। তিনি বলেন, এই সরকার ২০০৯ সালে ক্ষমতায় এসেই হত্যা নির্যাতন শুরু করে। প্রথমেই ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি বিডিআর পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের নামে কেন ৫৭ জন মেধাবী সেনা কর্মকর্তাতে হত্যা করা হয়। শেখ হাসিনা কঠোর ব্যবস্থা নিলে এত সেনা কর্মকর্তাকে নির্মমভাবে প্রান দিতে হতোনা। তিনি অভিযোগ করে বলেন, এটি ছিলো পরিকল্পিত হত্যাকান্ড।

তারেক রহমান বলেন, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি সাংবাদিক সাগর-রুনি দম্পতি রাজধানীতে নিজ বাসায় নির্মমভাবে খুন হয়। হত্যাকান্ডের পর তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এডভোকেট সাহারা খাতুন বলেছিলেন, এই হত্যা মামলা শেখ হাসিনা তদারকি করছেন। তারেক রহমান প্রশ্ন বলেন, তাহলে কেন আজ পর্যন্ত হত্যাকান্ডের কারন জানা গেলোনা? তিনি বলেন, শোনা যায়,শেখ হাসিনার পরিবারের কোন সদস্য কিংবা আত্মীয়ের বড় রকমের দূর্নীতির তথ্য প্রমান এই সাংবাদিক দম্পত্তির কাছে ছিলো। তারেক রহমান প্রশ্ন করে বলেন, এই কারনেই কি এই ডাবল মার্ডারের রহস্য বের হচ্ছেনা?

তারেক রহমান বর্তমান সরকারকে দূর্নীতিবাজ উল্লেখ করে বলেন, এই সরকারের আমলে শেয়ার বাজার লুট করে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকরীদের ৯৮ হাজার কোটি টাকা লোপাট করা নেয়া হয়েছে। লুটের পর আবুল মাল ক্ষুদ্র বিনিয়োগকরীদের বলেন ফটকা।

তিনি বলেন, অবৈধ প্রধানমন্ত্রীর কথিত তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টাকে বছরের পর বছর ধরে প্রতি মাসে প্রায় দেড় কোটি টাকা বেতন দেয়া হয়েছিলো। কেন তাকে বেতনের নামে কোটি কোটি টাকা দেয়া হয়েছিলো সেটি কি জনগনকে জানানো হয়েছিলো?

তারেক রহমান বলেন, কথিত এই তথ্য ও প্রযুক্তি উপদেষ্টার সময়েই তথ্য-প্রযুক্তির অপব্যবহার করে ২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারী বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ ফান্ড থেকে ৮১০ কোটি টাকা লোপাট করা হয়েছে। এই লোপাটের ঘটনা প্রথমে কেন ধামাচাপা দেয়া চেষ্টা করা হয়েছিলো। কিন্তু ফিলিপাইনের একটি পত্রিকায় এ ব্যাপারে সংবাদ প্রকাশ হলে ঘটনা দেশের মানুষের কাছে জানাজানি হয়ে যায়।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা নানা বিষয়ে নিত্য কথা বলেন, তার পূত্র যে কোন ইস্যুতে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন অথচ বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ ফান্ডের ৮১০ কোটি টাকা লোপাটের ঘটনায় তারা নিশ্চুপ কেন?

তারেক রহমান বলেন, চলতি বছরের ২৯ মার্চ দেশের সকল পত্রিকায় মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআইয়ে‘র বরাত দিয়ে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ ফান্ডের টাকা চুরি হয়েছে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায়। বর্তমান সরকারকে ব্যাংক ডাকাত সরকারকে আখ্যা দিয়ে তারেক রহমান বলেন এখন দেখছি চোরের মায়ের বড় গলা।

তারেক রহমান চলতি বছরের ২৯ জুন সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুইস ন্যাশনাল ব্যাংক (এসএনবি) এর ব্যাংকস ইন সুইজারল্যান্ড ২০১৬ রিপোর্ট উল্লেখ করে বলেন, সুইস ব্যাংকে বিশ্বের সবদেশের টাকা জমা রাখার পরিমান কমছে কিন্তু বাংলাদেশের বাড়ছে। এরা কারা?

তিনি বলেন, মালয়েশিয়ায় সেকেন্ড হোম কিংবা কানাডায় বেগম পাড়ায় কারা বাড়ী বানাচ্ছে। তিনি বলেন, সেদিন আর বেশী দুরে নয় যেদিন এই ব্যাংক ডাকাত সরকারের কবল থেকে জনগন দেশ উদ্ধার করবে।

তিনি বলেন, এই ব্যাংক ডাকাতরা এখন উন্নয়নের কথা বলে। উন্নয়ন কোথায়? একটু বৃষ্টি হলেই রাজধানী ঢাকা আর চট্টগ্রাম মহানগরীতে নৌকা চলে। সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখলাম এক তরুণ ডাকার একটি রাজপথের ছবি ফেসবুকে আপলোড দিয়ে কমেন্ট করেছে পানির নীচে রাস্তা আছে।

কেউ কেউ মজা করছে নিউ মার্কেট কোন নদীর তীরে অবস্থিত। তিনি বলেন, পরীক্ষা প্রশ্নপত্র ফাঁস আর পরীক্ষায় নকল এখন নিয়মে পরিণত করা হয়েছে।

তিনি প্রশ্ন করেন, তাহলে উন্নতিটা কোথায়? তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের উন্নতি হলো ব্যাংক ডাকাতি লুটপাট আর ধর্ষন। তারেক রহমান বলেন, নিজ দলের নেতাকর্মীদের দূর্নীতি লুটপাট ও চুরির ব্যাপারে শেখ মুজিবুর রহমানও একবার মন্তব্য করে বলেছিলেন, সবাই পায় সোনার খনি আর আমি পেয়েছি চোরের খনি।

চলতি বছরের ২১ মার্চ মাগুরায় এক সভায় শেখ হাসিনা বলেছিলেন, বিএনপি ২০০১ সালে ক্ষমতায় এসেছে আমেরিকা এবং র এর সঙ্গে মুচলেকা দিয়ে। শেখ হাসিনার এই মন্তব্যের উদ্ধৃতি দিয়ে তারেক রহমান বলেন, বিএনপি কারো কাছে মুচলেকা দিয়ে ক্ষমতায় আসেনা, বিএনপি এসবে বিশ্বাস করেনা। বিএনপি বিশ্বাস জনগনের শক্তিতে।

তিনি বলেন, মুচলেকা দিয়ে কারা ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রেখেছে, দেশের প্রতিটি নাগরিক জানে। মুচলেকা দেয়ার কারনেই হতভাগ্য ফেলাণীকে মেরে সীমান্তে লাশ ঝুলিয়ে রাখলেও এদের প্রতিবাদ করার সাহস নেই। বাংলাদেশের বুকের উপর দিয়ে ট্রানজিট -ট্রান্সশিপমেন্ট দেয়া হলেও বাংলাদেশের ন্যয্য পাওনা চাওয়ারও সাহসও এদের নেই।

তারেক রহমান দলের নেতাকর্মীদের সতর্ক করে দিয়ে বলেন, আওয়ামী লীগ দূর্নীতি এবং লুটপাটের টাকা রক্ষায় নানারকম ষড়যন্ত্র করবে, পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করবে। নানা অপপ্রচার এবং বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করবে। তারেক রহমান দলীয় নেতাকমীদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানিয়ে বলেন, কেউ বিভ্রান্ত হবেননা। দেশনেত্রীর আহবানে সাড়া দিতে সাহস ও সতর্কতার সঙ্গে প্রস্তুত থাকুন।

পূর্ব লন্ডনের মেনরপার্কের রয়েল রিজেন্সি হলে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন ও স্বাগত বক্তব্য রাখেন যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এম এ মালিক। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কয়সর এম আহমদের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কার্ডিফ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবে প্রফেসর ডক্টর এম মালেক, বিএনপির কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক মাহিদুর রহমান, ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন অসীম, ব্যারিস্টার নওশাদ জমির, ব্যারিস্টার এম এ সালাম, হুমায়ূন কবীর, জাস্ট নিউজ সম্পাদক মুশফিকুল ফজল আনসারী, ইউকে বিএনপির প্রধান উপদেস্টা শাইস্থা চৌধুরী কুদ্দুছ, সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল হামিদ চৌধুরী, সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, ব্যারিষ্টার কামরুজ্জামান, গোলাম রব্বানী, গোলাম রব্বানী সোহেল, যুবদলের সাবেক আন্তর্জাতিক সম্পাদক মুজিবুর রহমান মুজিব, ছাত্রদলের সাবেক আন্তর্জাতিক সম্পাদক নসরুল্লাহ খান জুনায়েদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের আন্তর্জাতিক সম্পাদক পারভেজ মল্লিক।

এছাড়াও ইউকে বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম মামুন, কামাল উদ্দিন, সহ সাধারণ সম্পাদক ডক্টর মুজিবুর রহমান, শামসুর রহমান মাহতাব, ফেরদৌস আলম, সিনিয়র সদস্য আলহাজ্ব সাদিক মিয়া, দেওয়ান মোকাদ্দেম চৌধুরী নিয়াজ, নাসিম চৌধুরী, মিছবাহুজ্জামান সোহেল, তাহির রায়হান পাবেল, ইউকে যুবদলের সাবেক সভাপতি রহিম উদ্দিন, সাবেক সেক্রেটারী সোহালেহীন করিম চৌধুরী, ইউকে স্বেচ্ছাসেবক দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মিছবাহ বিএস চৌধুরী, সাবেক সভাপতি নাসির উদ্দিন শাহীন, সাধারন সম্পাদক আবুল হোসেন।

অন্যান্যর মধ্যে ইউকে জাসাসের নবনির্বাচিত সভাপতি এমাদুর রহমান এমাদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি তরিকুর রশীদ শওকত, আইনজীবি ফোরামের সেক্রেটারী ব্যারিষ্টার হামিদুল হক আফিন্দি লিটন, মহিলাদলের সভাপতি ফেরদৌসি রহমান, সেক্রেটারী অঞ্জনা আলম সহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ইউকে শাখা ও বিভিন্ন জোনাল কমিটির নেতারা।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close