যুক্তরাজ্য জুড়ে

ব্রিটেনে মুসলিম কমিউনিটির সাফল্যের প্রধান বাঁধা ইসলামোফোবিয়া

শীর্ষবিন্দু নিউজ ডেস্ক: বহু সংস্কৃতি ও স্বাধীন ধর্মীয় আচার-আচরণ পালনে ব্রিটেন সুনাম ও খ্যাতি রয়েছে। আর এই ব্রিটেনে ইসলামোফোবিয়া নিয়ে কাজ করে কিছু সংস্থা। তারমধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য একটি সোসাল মোবিলিটি কমিশন।

এই কমিশনের রিপোর্ট অনুযায়ী, ব্রিটেনে মুসলিম তরুন-তরুনীদের কর্মক্ষেত্রে সাফল্যের প্রধান বাঁধা ইসলামোফোবিয়া। আর তাই বহু সংস্কৃতি ও ধর্মীয় বিষয়টি বিবেচনায় রেখে স্কুলে মুসলিম শিক্ষার্থীদের সহযোগিতার পদ্ধতিতে উন্নতির পাশাপাশি ব্যবসায় বিশেষ প্রশিক্ষণ বাড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে সার্ভে রিপোর্টে।

সোসাল মোবিলিটি কমিশনের রিপোর্টে আরো বলা হয়েছে, সার্বিক জনসংখ্যার প্রায় ৬ শতাংশ মহিলা ঘর-সংসার নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও মুসলিম কমিউনিটির প্রায় ১৮ শতাংশ মহিলা এই কাজে ব্যস্ত রয়েছেন।

রিপোর্টে বলা হয়, ইউকেতে ১৬ থেকে ৭৪ বছর বয়সী প্রতি ৫ জনের মধ্যে ১ জন অর্থাৎ ১৯ দশমিক ৮ শতাংশ মুসলিম জনগোষ্ঠি ফুলটাইম কাজ করেন। অন্যদিকে ইংল্যান্ড এবং ওয়েলসে একই বয়সের সর্বমোট জনসংখ্যার প্রতি ৩ জনের মধ্যে ১ জন অর্থাৎ ৩৪ দশমিক ৯ শতাংশ ফুলটাইম কাজ করেন।

সার্ভে রিপোর্টে বলা হয়েছে, কাজের জন্যে আবেদনপত্রে এথনিক নাম দেখার পরেই তাদেরকে কাজের জন্যে ইন্টারভিউতে ডাকা হয় না বলেও মনে করেন ইউকের বিপুল সংখ্যখ মুসলিম তরুন-তরুনী। এমনকি মুসলিম শিক্ষার্থীদের প্রতি স্কুলের শিক্ষকদের প্রত্যাশাও কম থাকে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়। এছাড়া হিজাব পরার কারণেও হয়রানীর শিকার হন বলে মনে করেন অনেক মুসলিম মহিলা।

তবে এর আগে এই সংস্থার অপর এক গবেষণা রিপোর্টে বলা হয়েছিল এথনিক কমিউনিটির মধ্যে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানী ব্যাকগ্রাউন্ডের মেয়েরা উচ্চ শিক্ষার জন্যে ইউনিভার্সিটি পর্যন্ত গেছেন বেশি। যদিও শ্রমবাজারে প্রশাসনসহ অন্যান্য পেশার উচ্চপদে মাত্র ৬ শতাংশ মুসলিম আছেন। সর্বমোট জনগোষ্ঠির প্রায় ১০ শতাংশ আছেন একই পদে।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close