জাতীয়

বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে দ্রুতই এগিয়ে চলছে অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গাদের নিবন্ধন

শীর্ষবিন্দু নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে অনুপ্রবেশকারী মিয়ানমারের নাগরিকদের মধ্যে আজ পর্যন্ত বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে মোট ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৬ শত ৫৮ জনের নিবন্ধন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার এক তথ্য বিবরণীতেজানানো হয়, কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের ১২টি অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নেয়া মিয়ানমার নাগরিকদের সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৬টি ক্যাম্পের মাধ্যমে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধন কাজ করা হচ্ছে । পাসপোর্ট অধিদপ্তর এ নিবন্ধন কাজ বাস্তবায়ন করছে।

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের ১২টি অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমার নাগরিকদের সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭টি ক্যাম্পের মাধ্যমে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধন কাজ এগিয়ে চলছে।

আজ কুতুপালং-১ ক্যাম্পে ১ হাজার ৩ শত ৯৭ জন পুরুষ ও ১ হাজার ২ শত ১৯ জন নারীসহ ২ হাজার ৬ শত ১৬ জন, কুতুপালং-২ ক্যাম্পে ১ হাজার ২২ জন পুরুষ ও ১ হাজার ৩৭ জন নারীসহ ২ হাজার ৫৯ জন, নোয়াপাড়া ক্যাম্পে ২ শত ৯০ জন পুরুষ ও ৩ শত ৭০ জন নারীসহ ৬ শত ৬০ জন, থাইংখালী-১ ক্যাম্পে ১ হাজার ১ শত ৫৭ জন পুরুষ ও ১ হাজার ৪ শত ১৫ জন নারীসহ ২ হাজার ৫ শত ৭২ জন, থাইংখালী-২ ক্যাম্পে ১ হাজার ৩ শত ৯৬ জন পুরুষ ও ৮ শত ৩২ জন নারীসহ২ হাজার ২ শত ২৮ জন, বালুখালী ক্যাম্পে ১ হাজার ১ শত ৩৫ জন পুরুষ ও ১ হাজার ৪ শত ৫২ জন নারীসহ ২ হাজার ৫ শত ৮৭ জন, লেদা ক্যাম্পে ১ শত ৯৯ জন পুরুষ ও ২ শত ৭ জন নারীসহ ৪ শত ৬ জন এবং আজ ৭টি কেন্দ্রে মোট ১৩ হাজার ১ শত ২৮ জনের বায়োমেট্রিক নিবন্ধন করা হয়েছে। পাসপোর্ট অধিদপ্তর এই নিবন্ধন কাজ বাস্তবায়ন করছে।

কক্সবাজারের শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনের (আরআরআরসি) রিপোর্ট মোতাবেক ২৫ আগস্টের পর থেকে আজ পর্যন্ত বাংলাদেশে অনুপ্রবেশকারী মিয়ানমার নাগরিক সংখ্যা ৬ লাখ ১৫ হাজার। অনুপ্রবেশ অব্যাহত থাকায় এ সংখ্যা বাড়ছে।

কক্সবাজার জেলার উখিয়া উপজেলার আঞ্জুমানপাড়া সীমান্ত দিয়ে বৃহস্পতিবারও সহস্রাধিক মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা নাগরিক বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করেছে।

এছাড়াও বাংলাদেশ- মিয়ানমার সীমান্তের ‘জিরো লাইন’-এ আরো কয়েকহাজার হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছে বলে জাতিসংঘের উদ্বাস্তু বিষয়ক সংস্থা ‘ইউএনএইচসিআর’ সূত্র জানিয়েছে।

কক্সবাজারে ‘ইউএনএইচসিআর’-এর মুখপাত্র যোসেফ সূর্যমণি ত্রিপুরা জানিয়েছেন, বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার ভোর পর্যন্ত প্রায় দেড় হাজার মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নাগরিক বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করেছে।

তিনি জানান, আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এবং ইউএনএইচসিআরসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার কর্মীরা অনুপ্রবেশকারি রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা দিচ্ছেন। তাদেরকে বালুখালীতে স্থাপিত নতুন ক্যাম্পে আশ্রয় দেয়া হবে।

ইউএনএইচসিআর কর্মকর্তা আরও জানান, সীমান্তের ওই পয়েন্টের জিরো লাইনে আরো প্রায় ৩ হাজার রোহিঙ্গা জড়ো হয়েছে। তারা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছে।

কক্সবাজারে বিজিবি ৩৪ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল মনজুরুল হাসান খান জানান, জিরো লাইনে অপেক্ষায় থাকা মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা নাগরিকদের বিষয়ে উর্ধ্বতন মহলকে অবহিত করা হয়েছে। সিদ্ধান্ত পাওয়ার পর এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close