জাতীয়

প্যারাডাইস পেপারসে শিল্পপতি মিন্টু ও তার পরিবারের নাম

শীর্ষবিন্দু নিউজ ডেস্ক: প্যারাডাইস পেপারসে উঠে এসেছে বিশিষ্ট শিল্পপতি আবদুল আওয়াল মিন্টু ও তার পরিবারের নাম। বলা হয়েছে, ১৯৯৯ সাল থেকে বারমুডায় নিবন্ধিত গ্যাস উত্তোলন বিষয়ক অফসোর কোম্পানি এএফএম এনার্জি লিমিটেডে রয়েছে তাদের শেয়ার। এতে তারা অবস্থান করছেন শীর্ষ পদে।

এতে নাম রয়েছে আবদুল আওয়াল মিন্টু, তার স্ত্রী নাসরিন ফাতেমা আওয়াল, তিন ছেলেÑ তাবিথ মোহাম্মদ আওয়াল, তাফসির মোহাম্মদ আওয়াল ও তাজওয়ার মোহাম্মদ আওয়ালের। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা আবদুল আওয়াল মিন্টু। এ খবর প্রকাশ করেছে অনলাইন দ্য ডেইলি স্টার।

বৃটেনের রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ থেকে শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের বাণিজ্যমন্ত্রী সহ বিশ্বের কমপক্ষে ১২০ রাজনীতিকের নাম রয়েছে ওই প্যারাডাইস পেপারসে। অফসোর ব্যবসায় এসব বিনিয়োগকে গোপন বিনিয়োগ হিসেবে দেখা হয়। মনে করা হয়, আয়কর ফাঁকি দেয়ার জন্য এমন বিনিয়োগ করা হয়েছে।

সম্প্রতি এক কোটি ৩৪ লাখ এমন ফাইন প্রকাশ করা হয়েছে। এর আগে এরকম ফাইলের নাম দেয়া হয়েছিল পানামা পেপারস। এবারে নাম দেয়া হয়েছে প্যারাডাইস পেপারস। বলা হয়েছে, এর বেশিরভাগই প্রকাশ হয়েছে অ্যাপলবাই থেকে। এটা বিশ্বে অফসোর বিনিয়োগ বিষয়ক সবচেয়ে বড় আইনী প্রতিষ্ঠানগুলোর অন্যতম। এটি প্রতিষ্ঠা হরা হয়েছে বারমুডায়। আর বিশ্বজুড়ে রয়েছে তাদের অসংখ্য শাখা-প্রশাখা।

প্যারাডাইস পেপারস কেলেঙ্কারিতে এবার ১০ বাংলাদেশির নাম এসেছে। এদের মধ্যে বিএনপি নেতা আবদুল আউয়াল মিন্টু এবং তার পরিবারের কয়েকজন সদস্যও রয়েছেন। তালিকায় রয়েছে একটি প্রতিষ্ঠানের নামও। এতে বাংলাদেশি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের তালিকায় ক্রমানুযায়ী উল্লেখ করা রয়েছে আউয়াল-নাসরিন ফাতেমা, আউয়াল-তাবিথ মো., আউয়াল-তাফসির মোহাম্মদ, চৌধুরী-ফয়সাল, মিন্টু-আবুদল আউয়াল, মোগল-ফরিদা ওয়াই, উল্লাহ-শহিদ, তাজওয়ার মো. আউয়ালের অভিভাবক হিসেবে আবদুল আউয়াল মিন্টু, আহমাদ-সামির, আউয়াল-তাজওয়ার মোহাম্মদ।

তালিকায় থাকা একমাত্র প্রতিষ্ঠানটি হলো ব্রামার অ্যান্ড পার্টনার্স অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট (বাংলাদেশ) লিমিটেড। তাদের ঠিকানা হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে ৫০ মহাখালী বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১২১২।

প্যারাডাইস পেপারস হচ্ছে বিশ্বের ১৮০টি দেশের রাজনীতিক, সেলিব্রিটি ও বিত্তশালী মানুষের অর্থনৈতিক লেনদেন ও মালিকানা সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্যের এক বিশাল ডাটাবেজ। এই ব্যক্তিরা কর ফাঁকি দিতে বিভিন্ন ট্যাক্স হেভেনে (কর দিতে হয় না বা সামান্য হারে কর দেওয়া যায় এমন দেশ) বিনিয়োগ করে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন।

সম্প্রতি তাদের কর ফাঁকি দেওয়া বিষয়ের এক কোটি ৩৪ লাখ গোপন নথি ফাঁস হয়ে পড়েছে। অধিকাংশ নথিই প্রকাশ হয়েছে বারমুডার আইনি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান অ্যাপালবি থেকে। এসব নথি তদন্ত করে দেখছেন বিশ্বের ৬৭টি দেশের ৩৮১ জন সাংবাদিক। ইন্টারন্যাশনাল কনসোর্টিয়াম অব ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিস্ট (আইসিআইজে) নামক সাংবাদিকদের একটি সংগঠন এ কাজে নেতৃত্ব দিচ্ছে।

Tags

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close