Featuredঅন্য পত্রিকা থেকে

জাফলংয়ে বোমা মেশিনে বিপন্ন পরিবেশ

ফারমিনা তাসলিম: প্রকৃতিকন্যা সিলেটের জাফলংয়ে প্রতিনিয়ত চলছে বোমা মেশিন দিয়ে পাথর উত্তোলন। যার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে জাফলং এর পরিবেশ এতে ঘটছে প্রাণহানীর মতো ঘটনা।

২০০৯ সালে জাফলংয়ে যন্ত্র দিয়ে পাথর তোলা নিষিদ্ধের আদেশ দেয় উচ্চ আদালত। ২০১৫ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি এক গেজেটে জাফলংকে পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করে পরিবেশ অধিদপ্তর।তারপরও অবস্থার উন্নতি হয়নি। অবৈধভাবে পাথর তুলতে গিয়ে প্রাণ হারাচ্ছে শ্রমিকরা। আর এর কারণ হিসেবে প্রশাসনের গাফিলতিকে দায়ী করেন পরিবেশবাদীরা।

সিলেটের বেলার সমন্বয়ক শাহ শাহেদা আক্তার বলেন, প্রশাসনের অনিচ্ছার কারণে এ ঘটনা ঘটছে। প্রশাসন কোন রকমের দায় এড়াতে পারে না। মৃত্যুর ঘটনা বা পাথর উত্তোলন সব ধরণের দায়িত্ব কিন্তু প্রশাসনকে নিতে হবে।

এক বছরে সিলেটে নানা কোয়ারীতে পাথর তুলতে গিয়ে মারা গেছেন অন্তত ৪০ জন। সব ঘটনার তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আমিনুর রহমান বলেন, নিয়মিত মাইকিং করা হচ্ছে। দিনের বেলা মোবাইল কোর্টও করা হয়, আর রাতের বেলা তারা পাথর উত্তোলন করছে। সবাই একদিকে, প্রশাসন অন্যদিকে তাহলে সেভাবে ভালো ফলাফল করা যাবে না।

জেলা প্রশাসন জানায়, স্থানীয়দের অসহযোগিতায় আড়ালে থাকছে অপরাধীরা।

সম্প্রতি পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে পাথর তোলার অনুমতি দিয়েছে উচ্চ আদালত। আর এর সুযোগ নিয়েই জাফলংকে বিরাণ ভূমিতে পরিণত করছে স্থানীয় প্রভাবশালীরা।

খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরোর সহকারী পরিচালক আলমগীর কবির বলেন, এখন অন্তর্ভূক্তির আদেশ হওয়ার পরে ওটা পরবর্তিতে এর বিরুদ্ধে আপিল হয়ে আসতে সময় লাগে। এ সময়ের মধ্যে তারা এ কাজগুলো করে।

অবৈধভাবে পাথর তোলা বন্ধে শুধু প্রশাসন নয়, স্থানীয়দের সচেতনতা জরুরি বলেও মনে করেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close