Featuredযুক্তরাষ্ট্র জুড়ে

ফায়ার অ্যান্ড ফিউরি বইয়ে তথ্য অনুযায়ী ট্রাম্প পুত্রদের গোপনে ডাকা হতো উদয় ও কুসে নামে

শীর্ষবিন্দু আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক: প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের দু’ছেলে ডনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র ও এরিক ট্রাম্প জুনিয়রকে ইরাকের প্রয়াত প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনের দু’ছেলে উদয় হোসেন ও কুসে হোসেন নামে ডাকা হতো।

ট্রাম্প পরিবারে কাজ করতেন এমন স্টাফরা তাদেরকে গোপনে এই নামে ডাকতেন। এমন দাবি করা হয়েছে মার্কিন মুলুকে ঝড় তোলা ‘ফায়ার অ্যান্ড ফিউরি ইনসাইড দ্য ট্রাম্প হোয়াইট হাউস’ বইয়ে। মাইকেল উলফের লেখা এ বইকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রে ঝড়ো বাতাস বইছে। লেখক বিভিন্ন জনের সাক্ষাৎকারকে কেন্দ্র করে বইটিতে তথ্য উপস্থাপন করেছেন। কিন্তু প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করছেন, এ বইয়ে যা বলা হচ্ছে তার পুরোটাই মিথ্যা।

ওই বইয়ে আরো একটি বিস্ফোরক তথ্য দেয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, নিজের জামাই জারেড কুশনারকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বানানোর কথা বিবেচনা করছিলেন ট্রাম্প। এ নিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনা হয়েছিল জেনারেল জন কেলির। তাতে কিভাবে জারেড কুশনার ও মেয়ে ইভাঙ্কা ট্রাম্পকে হোয়াইট হাউস থেকে সরিয়ে দেয়া যায় তা নিয়ে আলোচনা হয়।

কিন্তু সহসা জন কেলি জানতে পারেন, তার মেয়ে ও জামাইয়ের পারফরমেন্সে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যারপরনাই খুশি। ওই বইয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে এসব কথা লিখেছে অনলাইন ডেইলি মেইল।

এতে বলা হয়, ইরাকে রক্তাক্ত যুদ্ধের পর সাদ্দাম হোসেনের দু’ছেলের নাম ধরে গোপনে ট্রাম্পের দু’ছেলেকে ডাকতে থাকেন ট্রাম্প পরিবারের স্টাফরা।

তবে মাইকেল উলফের লেখা বইতে সবচেয়ে বেশি আলো ফেলা হয়েছে ইভাঙ্কা ট্রাম্প, তার স্বামী জারেড কুশনার, স্টিভ ব্যানন ও অন্যান্য বড় বড় কর্মকর্তাদের দিকে। ডনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর তার ট্রাম্প অর্গানাইজেশনের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন তার দু’ছেলে। তারা সেখানে নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বোন ইভাঙ্কা ও দুলাভাই জারেড কুশনার হোয়াইট হাউসে সরকারি দায়িত্ব পালন করলেও তারা দু’জন ওপথে যাননি।

কিন্তু তা সত্ত্বেও কেন তাদেরকে সাদ্দাম হোসেনের ছেলে উদয় ও কুসের নামে ডাকা হয় এ বিষয়ে লেখক মাইকেল উলফ কোনো ব্যাখ্যা দেননি। এখানে উল্লেখ্য, প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে ট্রাম্প টাওয়ারে রাশিয়ার কর্মকর্তাদের সঙ্গে ডনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র যে বৈঠক করেছিলেন তা নিয়ে তদন্ত হয়েছে বা হচ্ছে। সাদ্দাম হোসেনের দু’ছেলে উদয় ও কুসেকে দেখা হয় নির্যাতনকারী হিসেবে।

মাইকেল উলফ লিখেছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও তার নতুন চিফ অব স্টাফ জন কেলি একটি বৈঠক করেছিলেন। সেখানে চার তারকা এই সামরিক কর্মকর্তা আশা করেছিলেন আলোচনার মাধ্যমে হোয়াইট হাউস থেকে জারেড কুশনার ও ইভাঙ্কা ট্রাম্পকে সরিয়ে দিতে প্রেসিডেন্টকে উৎসাহিত করতে পারবেন।

কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যে জন কেলি বুঝতে পারেন, মেয়ে ও জামাইয়ের সব কাজে ট্রাম্প খুব খুশি। জারেড কুশনারকে নিয়ে রয়েছে তার আরো উচ্চ আশা। এমন কি প্রেসিডেন্ট এক সময়ে তার জামাই জারেড কুশনারকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীও বানাতে পারেন।

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close