Featuredলন্ডন থেকে

যে সকল আলোচিত প্রার্থীরা পরাজিত হলেন টাওয়ার হ্যামলেটসে

শীর্ষবিন্দু নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশী অধ্যুষিত টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলে ৩ মে অনুষ্ঠিত ৪৫টি সিটে বিভিন্ন দল থেকে প্রতিদ্বন্ধিতা করেছিলেন ১শ’র বেশি প্রার্থী। এর মধ্যে বিজয়ী হয়েছেন ২৪জন। তার মধ্যে লেবার পার্টি থেকেই নির্বাচিত হয়েছেন ২৩জন।

এই পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে ইংল্যান্ডের বিভিন্ন কাউন্সিল থেকে ৫০জনের বেশি বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। সঠিক পরিসংখ্যান জানতে আরো কয়েকটি সময় লাগতে পারে। কারন নতুন প্রজন্মের বহু সংখ্যক ব্রিটিশ বাংলাদেশী কাউন্সিলার হয়েছেন যাদের অনেকেরই বাংলা মিডিয়ায় উপস্থিতি কম।

বারাবরের মত এবারো আলোচিত ছিল টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের নির্বাচন। কারন এই কাউন্সিলেরই বসবাস সর্বাদিক সংখ্যক বাংলাদেশীর। এবারের নির্বাচনে বাংলাদেশী প্রতিষ্ঠিত নতুন দুটি রাজনৈতিক দল অংশনেয়। যাদের মাত্র ১জন ছাড়া সবাই পরাজিত হয়েছেন। আলোচিতদের মধ্যে যারা পরাজিত হয়েছেন কিছু পরিসংখ্যান তুলে ধরা হলো।

মেয়র প্রাথী হওয়ার পাশাপাশি লেন্সবারী ওয়াডে কাউন্সিলার পদেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন অহিদ আহমেদ। মেয়র প্রাথী হিসাবে ১১ হাজারের বেশী ভোট পেলেও কাউন্সিলার প্রাথী হিসাবে ৪ শতাধিক ভোটে পরাজিত হয়েছেন তিনি। তিনি ভোট পেয়েছিল ১৩৫৮টি।

কনজারভেটিভ দলের মেয়র প্রাথী ডাক্তার আনোয়ারা আলীও মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার পাশাপাশি কাউন্সিলার পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন স্পিটালফিল্ড এন্ড বাংলাটাউন ওয়ার্ডে। মেয়র পদে ৫ হাজারের বেশী বোট পেলেও কাউন্সিলার পদে তিনি ভোট পেয়েছেন মাত্র ২৭৬টি। একই ওয়াডে অপর প্রাথী ছিলেন কমিউটিনি নেতা ও এস্পায়ার দলের প্রার্থী কে, এম আবু তাহের চৌধুরী। তার প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা ৭৭৬টি। তিনি পরাজিত হয়েছেন ৩৩৮ ভোটে।

একই ওয়ার্ডে পরাজিত হয়েছেন বর্তমান কাউন্সিলার সুলুক আহমদ। তিনি ভোট পেয়েছেন ৭৮৫টি।

হোয়াইটচ্যাপেল ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হয়েছেন মেয়র প্রার্থী রাবিনা খানের স্বামী আমিনুর খান। হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করে ২২৪ ভোটে পরাজিত হন তিনি। তিনি ভোট পেয়েছিলেন ১১২৮।

এই ওয়ার্ডে পরাজিত হয়েছেন কয়েকবারের কাউন্সিলার আবুল আসাদ। তার প্রাপ্ত ভোট ১০৭৪টি। একইভাবে পরাজিত হয়েছেন বর্তমান কাউন্সিলার সাফি উদ্দিন আহমদ। তার প্রাপ্ত ভোট ১২৫৫টি। তিনি পরাজিত হয়েছেন মাত্র ৯৭ ভোটের ব্যবধানে।

লেবার পার্টি থেকে বহিস্কৃত হয়ে পিপলস অ্যালায়েন্সে যোগ দিয়ে ব্রমলি-নথ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন আলোচিত ও সমালোচিত খালেস উদ্দিন আহমেদ। ৩৪১ ভোটের ব্যবধানে তিনি পরাজিত হয়েছেন। তিনি ভোট পেয়েছেন ৭৯৫টি।

এদিকে, এস্পায়ার পার্টির শীষ নেতা অলিউর রহমান স্টেপনী গ্রীন ওয়াড থেকে পরাজিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৪৯৬ ভোট। এক হাজার ১৯ ভোটের বড় ব্যবধানে তিনি পরাজিত হন।

টাওয়ার হ্যামলেটস পিপুলস এলায়েন্স পাটির যে সকল কাউন্সিলার পরাজিত হয়েছেন তারা হচ্ছেন, শাহ আলম, আফজল মিয়া।

এছাড়াও বর্তমান কাউন্সিলাদের মধ্যে যারা পরাজিত হয়েছেন তারা হচ্ছেন এস্পায়ার পার্টির কাউন্সিলার গোলাম কিবরিয়া চৌধুরী, হারুন মিয়া, আনছার মোস্তাকিম, মাইয়ুম মিয়া, মাহবুব আলম।

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close