Featuredইউরোপ জুড়ে

অনিশ্চয়তায় মার্কেলের জোট

শীর্ষবিন্দু আন্তর্জাতিক নিউজ: জার্মানির অভিবাসন ইস্যুতে নীতি পরিবর্তন করতে ব্যর্থ হয়ে পদত্যাগ করেছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হোর্স্ট সিহোফার।

এক সপ্তাহের দর কষাকষি শেষে রোববার পদত্যাগপত্র জমা দেন কট্টরপন্থী এই নেতা। এতে মার্কেলের নেতৃত্বাধীন ক্ষমতাসীন জোটের ভবিষ্যত অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।

খবরে বলা হয়, কট্টরপন্থী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হোর্স্ট সিহোফার শুরু থেকেই মার্কেলের উদার অভিবাসন নীতির বিরোধী ছিলেন। সম্প্রতি অভিবাসন সঙ্কট সমাধানের জন্য মার্কেলকে সময় বেঁধে দেন তিনি।

কিন্তু ওই আল্টিমেটাম অনুযায়ী মার্কেল তার মনোভাব পরিবর্তন না করায় তিনি রোববার পদত্যাগ করেন। সিহোফার জার্মানির সিএসইউ পার্টির পক্ষ থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়েছিলেন।

দলটি ক্ষমতাসীন জোটের প্রভাবশালী অংশীদার। মিউনিখে দলের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক শেষে পদ ছাড়ার ঘোষণা দেন তিনি।

বলেন, দলের প্রধান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উভয় পদই ত্যাগ করতে চান তিনি। তবে দলটির পার্লামেন্টারি গ্রুপের প্রধান আলেক্সান্ডার ডব্রিন্ট তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।  এ নিয়ে দলটির নীতি নির্ধারকদের মধ্যে বেশ বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

এমন অবস্থায় মার্কেলের নেতৃত্বাধীন ক্ষমতাসীন জোটের ভবিষ্যত নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। এই জোটের অংশীদার দুই দল হলো সিফোহারের সিএসইউ ও মার্কেলের সিডিইউ। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে সিফোহারের পদত্যাগ করার পরেও যদি সিএসইউ মার্কেলের জোটে থাকতে চায়, তাহলে তারা আরেকজনকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব দেবে।

অন্যদিকে, সিএসইউ যদি মার্কেলের দলের সঙ্গে দীর্ঘদিনের জোট ভাঙতে চায়, তাহলে মার্কেল পার্লামেন্টে তার জোটের সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাবেন। আর পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানোর অর্থ হলো সরকার পরিচালনার যোগ্যতা হারানো।

এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে তা জার্মানিকে এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দেবে। সরকারে টিকে থাকার জন্য মার্কেল অন্য ছোট দলগুলোকে জোটে ভেড়াতে পারেন। মার্কেলের নতুন জোট পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে ব্যর্থ হলে দেশটি নতুন নির্বাচনের দিকে ধাবিত হবে।

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close