Featuredআরববিশ্ব জুড়ে

ট্রাম্প প্রশাসন বৈশ্বিক বাণিজ্যযুদ্ধ শুরু করতে চাইছে: তুরস্ক

শীর্ষবিন্দু আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক: লিরা সংকট নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টনের মন্তব্যের কঠোর সমালোচনা করেছে তুরস্ক।

প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ানের এক মুখপাত্র বোল্টনের মন্তব্যের সূত্রে বলেছেন, বাণিজ্য, শুল্ক ও নিষেধাজ্ঞা ব্যবহার করে ট্রাম্প প্রশাসন বৈশ্বিক বাণিজ্য যুদ্ধ শুরুর অভিপ্রায় প্রতিষ্ঠা করেছে।

ইসরায়েল সফরে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া বোল্টনের সাক্ষাৎকারের লিখিত প্রতিক্রিয়ায় এরদোয়ানের মুখপাত্র এসব কথা বলেছেন।

বোল্টন বলেছিলেন, মার্কিন ধর্মযাজক অ্যান্ড্রু ব্রানসনকে মুক্তি দিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে লিরার দরপতন ঠেকাতে পারে তুরস্ক। ওই ধর্মযাজক ইস্যুতে তুরস্কের ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়াম আমদানির ওপর ওয়াশিংটন অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করায় ব্যাপকভাবে পড়ে যায় লিরার দর।

সংকট উত্তরণে দেশটিতে এক হাজার ৫০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দেয় কাতার। বোল্টন বলেন, কাতারের বিনিয়োগ তুরস্কের অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলার মতো পর্যাপ্ত নয়।

বোল্টনের মন্তব্যের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে এরদোয়ানের মুখপাত্র ইবরাহিম কালিন স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, মার্কিন প্রশাসনের সর্বশেষ নীতি ন্যাটো জোটের মৌলিক নীতি ও মূল্যবোধের বিপরীত।

তুরস্কে কাতারের বিনিয়োগ নিয়ে বোল্টনের মন্তব্যের লিখিত প্রতিক্রিয়ায় কালিন বলেন, তার মন্তব্যেই প্রমাণ হয় ট্রাম্প প্রশাসন এক ন্যাটো মিত্রকে অর্থনৈতিক যুদ্ধের লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে।

মেক্সিকো, কানাডা, ইউরোপ ও চীনের দিকে ইঙ্গিত করে কালিন বলেন, বাণিজ্য, শুল্ক ও নিষেধাজ্ঞা ব্যবহার করে ট্রাম্প প্রশাসন বৈশ্বিক বাণিজ্য যুদ্ধ শুরুর অভিপ্রায় প্রতিষ্ঠা করেছে।

রয়টার্সকে দেওয়া লিখিত বক্তব্যে কালিন বলেন, ‘কোনও পক্ষের সঙ্গেই অর্থনৈতিক যুদ্ধে জড়ানোর ইচ্ছে তুরস্কের নেই। তবে অর্থনীতি ও বিচার ব্যবস্থা আক্রান্ত হওয়ার মুখে তাদের কাছে নিরবতা আশা করা যায় না।’

কালিন বলেন, ‘এসব রক্ষণশীল ও শাস্তিমুলক পদক্ষেপের বিরুদ্ধে বাকি বিশ্বের সঙ্গে কাজ করবে তুরস্ক।’ মার্কিন প্রশাসনের সর্বশেষ নীতি ন্যাটো মিত্রদের মৌলিক নীতি ও মূল্যবোধের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলেও উল্লেখ করে তিনি।

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close