Featuredযুক্তরাজ্য জুড়ে

বাণিজ্য, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা শক্তিশালী করতে কাজ করবে বাংলাদেশ-বৃটেন

শীর্ষবিন্দু নিউজ ডেস্ক: বাণিজ্য, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কাজ করবে বাংলাদেশ-বৃটেন। এ কথা বলেছেন বৃটেনের এশিয়া ও প্যাসিফিক বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মার্ক ফিল্ড।

বৃটেনে নবনিযুক্ত বাংলাদেশী হাই কমিশনার সাইদা মুনা তাসনিমকে ১০ই জানুয়ারি অভ্যর্থনা জানানোর সময় এ কথা বলেন তিনি। মার্ক ফিল্ড নিজের অফিসে বাংলাদেশি হাই কমিশনারকে গ্রহণ করেন।

এ সময় তিনি বলেন, বাংলাদেশের বিষয়ে খুব বেশি গুরুত্ব দেয় বৃটেন। আগামী দিনগুলোতে এ দেশটির সঙ্গে বৃটেনের সম্পর্কের বড় ফোকাস হবে বাণিজ্য, অর্থনীতি ও নিরাপত্তা সহযোগিতা। এ সময় তিনি সাম্প্রতিক বাংলাদেশ সফরের কথা তুলে ধরেন। বলেন, বাংলাদেশ ও বৃটেনের মধ্যকার সম্পর্ককে আরো গভীরতর করতে তিনি ব্যক্তিগতভাবে প্রতিশ্রুতিশীল।

বিশেষ করে তিনি ইউকে অল পার্টি পার্লামেন্টারি গ্রুপ অন বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত। তা ছাড়া বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বিপুল সংখ্যক মানুষ বৃটেনে বসবাস করেন। ৩০শে ডিসেম্বর সংসদ নির্বাচনের পর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার মন্ত্রীপরিষদে তরুণ প্রজন্মের অনেককে ঠাঁই দিয়েছেন।

এ বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে মার্ক ফিল্ড বলেন, তিনি আশা করেন বাংলাদেশ আরো প্রবৃদ্ধি ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে। এ সময় নবনিযুক্ত বাংলাদেশি হাই কমিশনার তাসনিম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের প্রতিশ্রুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

বলেন, বাংলাদেশ ও বৃটেনের সম্পর্ককে কৌশলগত ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে নতুন মাত্রায় নিয়ে যেতে হবে। এ সময় তাসনিম আরো বলেন, বৃটেনে তার দায়িত্ব পালনকালে বড় ফোকাস হবে বৃটেনের সঙ্গে বাংলাদেশি দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বৃদ্ধি করা, বড় বড় অবকাঠামো প্রকল্প, বিদ্যুতকেন্দ্র, আইটি খাত ও সেবা খাতগুলোতে বৃটেনের বৃহৎ বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা। হাইকমিশনার দুই কমনওয়েলথ রাষ্ট্রের মধ্যে জোরালো ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ে বেশ কিছু প্রস্তাব উত্থাপন করেন।

মার্ক ফিল্ড শিক্ষা ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যে বসবাসরত বৃটিশ বাংলাদেশিদের অনন্য সাফল্যের প্রশংসা করেন। প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে আশ্রয় দেয়ার মানবিক পদক্ষেপের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বৃটিশ সরকারের গভীর প্রশংসার কথা পুনর্ব্যক্ত করে বৃটিশ এ মন্ত্রী জাতিসংঘ সংস্থাগুলোকে সম্পৃক্ত করে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে স্বেচ্ছা, মর্যাদাপূর্ণ, স্থায়ীভাবে প্রত্যাবাসনের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেন। তাসনিম আশ্বস্ত করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার নতুন মেয়াদেও রোহিঙ্গাদের প্রতি তার মানবিক অবস্থান সমুন্নত রাখবেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনের ডিফেন্স অ্যাটাশে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম আমিনুল হক, কর্মাশিয়াল কাউন্সেলর এস এম জাকারিয়া হক ও ফার্স্ট সেক্রেটারি মো. শফিউল আলম।

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close