Featuredজাতীয়

দেশে লিভার ট্রান্সপ্লান্ট বন্ধ থাকায় অধিকাংশ ভুক্তভোগীই হার মানছেন মৃত্যুর কাছে

শীর্ষবিন্দু নিউজ ডেস্ক: আইনি জটিলতা আর সমন্বয়ের অভাবসহ নানা কারণে দীর্ঘ আট বছর ধরে বন্ধ রয়েছে লিভার ট্রান্সপ্লান্টের চিকিৎসা।

তাই অনেক রোগীরা বাধ্য হচ্ছেন দেশের বাইরে চিকিৎসা নিতে। বিদেশে ট্রান্সপ্লান্টের সামগ্রিক ব্যয় ৫০ লাখ থেকে ১ কোটি হওয়ায় অধিকাংশ ভুক্তভোগীই হার মানছেন মৃত্যুর কাছে। তবে দেশে সরকারিভাবে লিভার প্রতিস্থাপন শুরু হলে তা মাত্র ১৫ লাখ টাকার মধ্যে করা সম্ভব বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।

১০ বছর আগে লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত হয়ে নজরুল ইসলামের জীবন প্রদীপ নিভু নিভু করে জ্বলছিলো। দেশেই লিভার ট্রান্সপ্লান্ট করে এখন তিনি পুরোপুরি সুস্থ।

দেশ বিদেশের চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন, ট্রান্সপ্লান্ট ছাড়া নজরুল ইসলামের সুস্থ হওয়ার পথ নেই। যা অনেক ব্যয়বহুল। নজরুল ইসলাম বলেন, দেশের বাহিরে চিকিৎসা করার মতো সামর্থ না থাকায়, শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের ডাক্তারদের সাথে আলোপ আলোচনা মাধ্যমে তারা ট্রান্সপ্লান্ট করাতে রাজি। ২০১১ সালে লিভার ট্রান্সপ্লান্ট হয়। ৮ বছর আগে লিভার ট্রান্সপ্লান্ট করার ফলে এখন সম্পূর্ণ সুস্থ।

তবে নজরুল ইসলামের মতো সবার ভাগ্য সুপ্রসন্ন হয় না। ২০১০/১১ সালে দেশে সফলভাবে ৪টি লিভার প্রতিস্থাপনের পর আইনি জটিলতা, সমন্বয়ের অভাবসহ নানা কারণে বন্ধ হয়ে যায় এই চিকিৎসা।

বিএসএসএসইউ এর সকহারি অধ্যাপক ডা. মো. সাইফ উদ্দীন বলেন, যখন যেখানেই লিভার ট্রান্সপ্লান্ট হোক না কেন তখন কিছু ড্রব্যাক থাকে, সে ড্রব্যাকগুলো হয়তো কাভার করতে পারিনি। আর সেখানে ডোনারের কিছুটা সমস্যা ছিলো। বিভিন্ন জবাবদিহিতার মধ্যে আসতে হয়।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষই হোক বা চিকিৎসকরা দিধাদন্দের মধ্যে থাকি কাজটি ধারাবাহিকভাবে করা সম্ভব কিনা। দেশেই সরকারিভাবে লিভার ট্রান্সপ্লান্টেশন শুরু করার জন্য তারা প্রস্তুত রয়েছেন বলেও জানান তিনি। লিভারে মৃত্যুর হার কমাতে দেশেই লিভার ট্রান্সপ্লান্ট ব্যবস্থার করার দাবি ভুক্তভোগী রোগী ও তার স্বজদের।

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close