Featuredযুক্তরাজ্য জুড়ে

ব্রিটেনে প্রধানমন্ত্রীত্ব দখলের লড়াইয়ে প্রতিশ্রুতির ডালি সাজাচ্ছেন প্রার্থীরা

শীর্ষবিন্দু নিউজ: যুক্তরাজ্যে লড়াই জমে উঠেছে ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ দলের প্রধান ও প্রধানমন্ত্রিত্ব পদের দখল নিয়ে। এই লড়াইয়ে রয়েছেন দলের অন্তত ১১ জন নেতা-নেত্রী। দল ও সরকারের সর্বোচ্চ পদ বাগিয়ে নিতে ভোটারদের সামনে নানা প্রতিশ্রুতির ডালি নিয়ে হাজির হচ্ছেন।

প্রধানমন্ত্রী হলে বেক্সিট-উত্তর সীমান্ত সমস্যা সমাধানে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবেন বলে প্রস্তাব দিয়েছেন অন্যতম প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী ও বর্তমানে সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাজিদ জাভিদ। আরেকটি আগাম নির্বাচন এড়াতে ব্রেক্সিট চুক্তিই একমাত্র উপায় বলে মনে করছেন আরেক প্রার্থী জেরেমি হান্ট।

মাইকেল গভ বলছেন, প্রধানমন্ত্রী হলে ব্রেক্সিটের পর ভ্যাট ব্যবস্থা ঢেলে সাজাবেন তিনি। আরেক প্রতিদ্বন্দ্বী বরিস জনসনের কথা একটাই, প্রধান দুই বিরোধী নাইজেল ফারাজ ও লেবার নেতা জেরেমি করবিনকে তিনিই ধরাশায়ী করার ক্ষমতা রাখেন। ব্রেক্সিট শর্ত সুবিধাজনক না হলে ইউরোপীয় ইউনিয়নকে বেক্সিটের ৩৯ বিলিয়ন ডলার না দেয়ার হুশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। খবর বিবিসির।

ব্রেক্সিট চুক্তিতে ব্যর্থ হয়ে তেরেসা মে’র দলীয় প্রধান বা প্রধানমন্ত্রিত্ব ছাড়ার ঘোষণার পরই শুরু হয় নতুন করে আসনটি পাওয়ার লড়াই। ইতিমধ্যে সে লড়াই জমে উঠেছে।

তবে কে বসতে পারেন বা কাকে বেছে নেয়া হতে পারে কনজারভেটিভ নেতা তথা প্রধানমন্ত্রীর আসনে, তা এখনই নয়; জানা যাবে জুলাইয়ের শেষের দিকে। বরিস জনসন নেতা বা প্রধানমন্ত্রী হওয়ার লড়াইয়ে এবারই নতুন নয়; আরও একবার নেমেছিলেন। জিততে পারেননি। বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন বর্তমান পরিবেশমন্ত্রী এবং ব্রেক্সিটপন্থী নেতা মাইকেল গভ।

এবারও প্রধানমন্ত্রীর প্রার্থী হয়েছেন ৫১ বছর বয়সী গভ। লড়াইয়ে নেমেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেরেমি হান্ট, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাজিদ জাভিদ, আন্তর্জাতিক উন্নয়নবিষয়ক মন্ত্রী ররি স্টুয়াট ও কনজারভেটিভ ১৯২২ কমিটির প্রেসিডেন্ট গ্রাহাম ব্রাডির। প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে দু’জন নারীও রয়েছেন।

এরা হচ্ছেন সাবেক শ্রমবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাস্থার ম্যাকভি ও আন্দ্রে লিডসাম। লড়াইয়ে অন্যদের মধ্যে এগিয়ে রয়েছেন সাজিদ জাভিদ। এক্ষেত্রে অন্য অনেক নেতার সমর্থন আদায় করে নিয়েছেন তিনি। সাজিদের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেছেন স্কটিশ কনজারভেটিভ পার্টির নেতা রুথ ডেভিডসনও।

তেরেসার পদত্যাগের পরপরই নতুন নেতা নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু করেছে কনজারভেটিভ পার্টি। সোমবার (১০ জুন) প্রধানমন্ত্রীর প্রার্থিতা দাখিল করার শেষদিন। পার্লামেন্টের যে কোনো কনজারভেটিভ সদস্য প্রার্থী হতে পারবেন।

তবে তার প্রার্থিতায় আটজন সহকর্মী বা কনজারভেটিভ আট এমপির সমর্থন লাগবে। পরে শুরু হবে বাছাই প্রক্রিয়া। এমপিরা গোপন ভোটের মাধ্যমে নিজেদের পছন্দের প্রার্থী বাছাই করে নেবেন।

এতে করে বাদ পড়ে যাবেন অনেকে। এভাবে যখন মাত্র দু’জন প্রার্থী থাকবেন লড়াইয়ে, তখন দলটির সব সদস্য ভোট দিয়ে যে কোনো একজনকে নেতা নির্বাচিত করবেন।

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close