Featuredযুক্তরাজ্য জুড়ে

চুক্তিহীন ব্রেক্সিট হলে ঋণের বোঝা নিতে হবে সরকারকে

শীর্ষবিন্দু নিউজ ডেস্ক: চুক্তিহীন ব্রেক্সিট হলে আগামী বছর যুক্তরাজ্যের সরকারের দেনা করার পরিমাণ দ্বিগুণ বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ব্রিটিশ সরকারের অফিস ফর বাজেট রিসপন্সসিবিলিটি (ওবিআর) এই সতর্কতা জারি করে বলছে, চুক্তিহীন ব্রেক্সিট হলে সরকারকে পরবর্তী বছর ৬ হাজার কোটি পাউন্ড ঋণ নিতে হবে। অন্যদিকে, চুক্তির মাধ্যমে ব্রেক্সিট হলে ২ হাজার ৯৩০ কোটি পাউন্ড ঋণগ্রহণ করলেই চলবে।

আগামী ৩১ অক্টোবর ইউরোপিয় ইউনিয়ন ত্যাগ করছে যুক্তরাজ্য। এই অবস্থায় চুক্তিহীন ইইউ প্রস্থান যুক্তরাজ্যের অর্থনীতিতে মন্দা পরিস্থিতি সৃষ্টি করবে, এমন অনুমানের ভিত্তিতেই সরকারি ঋণের মাত্রা অনুমান করেছে বাজেট অফিস।

সাম্প্রতিক সময়ে ব্রেক্সিট চুক্তি না হওয়ার বাস্তবতা যখন আরো কাছে এগিয়ে আসছে, তার মাঝেই এমন প্রতিবেদন প্রকাশ করা হলো। ক্ষমতাসীন টোরি দলের প্রধান হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে থাকা প্রধান দুই রাজনীতিবিদ ইতিমধ্যেই বলেছেন, তারা চুক্তি ছাড়াই ইইউ ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নেয়ার পক্ষে।

২০১০ সালে স্বাধীন অর্থনৈতিক দিক-নির্দেশনা এবং গবেষণার লক্ষ্যে ওবিআর গঠন করা হয় যা সরকারি আয় ও ব্যয়ের পূর্ণ বিশে¬ষণ প্রকাশ করে। সংস্থাটি ব্রেক্সিট নিয়ে তাদের প্রথম সমীক্ষায় আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের প্রকাশিত পর্যালোচনাকে প্রাধান্য দেয়।

সেসময়, ওয়াশিংটনভিত্তিক দাতা সংস্থাটি জানায়, চুক্তিহীন ব্রেক্সিট ২০২০ সালে ব্রিটিশ অর্থনীতির মোট উৎপাদন ও সেবা প্রবৃদ্ধি ২ শতাংশ কমিয়ে দেবে। যা ২০২১ সালে আবার পূর্বের গতিতে ফিরবে। কিন্তু, সা¤প্রতিক প্রতিবেদনে ওবিআর আরো নেতিবাচক চিত্র তুলে ধরেছে।

এর কারণ, চুক্তি না হলে যুক্তরাজ্যের ওপর ইউরোপে পন্য আমদানির ক্ষেত্রে ৪ শতাংশ শুল্ক কার্যকর করবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। বর্তমানে ইইউ বকভুক্ত দেশ হওয়ার কারণেল দেশটিকে কোন বাড়তি রপ্তানি শুল্ক দিতে হয়না।

এর আগে আইএমএফ গবেষণায় শুল্কবাঁধার বিষয়টিকে আন্তঃসীমান্ত বাণিজ্যে উল্লেখযোগ্য বাধা হিসেবে বিবেচনা করেনি। যার ব্যতিক্রম বাজেট অফিসের সাম্প্রতিক প্রতিবেদন।

এর ফলে বিনিয়োগ কমবে, কমবে ব্যবসায়ীদের আস্থাও। যার সঙ্গে শুল্কের বিষয়টি যুক্ত হয়ে ইইউ দেশগুলোতে ব্রিটিশ রপ্তানি সার্বিকভাবে কমবে এমন আশংকা করেছে দপ্তরটি।

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close