Featuredযুক্তরাষ্ট্র জুড়ে

সিনেমা প্রযোজনায় ওবামা দম্পতি

শীর্ষবিন্দু আর্ন্তজাতিক নিউজ: সিনেমা প্রযোজনায় নেমেছেন ওবামা দম্পতি তথা সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও সাবেক ফার্স্টলেডি মিশেল ওবামা।

শুধু তাই নয়, রীতিমতো প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান গড়েছেন দুজনে মিলে। নাম দিয়েছেন হাইয়ার গ্রাউন্ড প্রডাকশন কোম্পানি। কোম্পানির ব্যানারে ইতিমধ্যে একটি সিনেমা নির্মিত হয়েছে।

ডকুমেন্টারি সিনেমা ‘আমেরিকান ফ্যাক্টরি’ ওবামা দম্পতির প্রযোজনায় প্রথম সিনেমাও বটে। চলতি বছরের জানুয়ারিতেই সিনেমাটি প্রাথমিকভাবে চলচ্চিত্র প্রদর্শনী মেলা সানড্যান্স ফেস্টিভালে প্রদর্শিত হয়। এরপরই যুক্তরাষ্ট্র ও এর বাইরে আলোচনা-সমালোচনা-বিতর্ক সবমিলিয়ে শোরগোল পড়ে গেছে এটা নিয়ে।

যুক্তরাষ্ট্রে চীনা মালিকানাধীন একটি গাড়ি নির্মাণ কোম্পানিতে কর্মরত শ্রমিকদের জীবন ও পাওয়া-না পাওয়ার গল্প নিয়ে তৈরি ডকুমেন্টারিটি আগামী ২১ আগস্ট মার্কিন বিনোদন প্রতিষ্ঠান নেটফ্লিক্সে মুক্তি দেয়া হবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বাছাই করা বেশ কিছু থিয়েটারেও প্রদর্শন শুরু হবে ১২শ’ ঘণ্টার ডকু ফিল্মটি। খবর এএফপির।

ডকু সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন খ্যাতনামা পরিচালক দম্পতি স্টিভেন বোগনার ও জুলিয়া রেইচার্ট। ২০০৮ সালে ‘দ্য লাস্ট ট্রাক’ সিনেমার জন্য চলচ্চিত্রের সর্বোচ্চ সম্মাননা অস্কার পুরস্কারের মনোনীত হন তারা। বৈশ্বিক মন্দার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের নামকরা গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ‘জেনারেল মটরস’ বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর শ্রমিকদের ওপর এর প্রভাব নিয়ে সিনেমাটির গল্প।

সেখানে এক শ্রমিক দম্পতির চাকরি হারানো, বেকার হয়ে পড়া এরপর আরেকটি ফ্যাক্টরিতে কোনো ওভারটাইম- বোনাস বেতন এবং বীমা বা স্বাস্থ্য সুবিধা ছাড়াই ঘণ্টায় মাত্র ৮ ডলারের বিনিময়ে চাকরি করার করুণ গল্প তুলে ধরা হয়েছে।

এর প্রায় ছয় বছর পর ২০১৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও রাজ্যের ডেইটনে জেনারেল মটরসের ফ্যাক্টরিটি কিনে নেন চীনা ধনকুবের কাও দেওয়াং যিনি ‘চেয়ারম্যান কাও’ নামেও পরিচিত। ফ্যাক্টরিতে প্রায় দুই হাজার মানুষের চাকরির সুযোগ সৃষ্টি হয়। মার্কিন শ্রমিকদের পাশাপাশি নতুন শ্রমিক হিসেবে নিয়োগ পায় চীনা শ্রমিকও।

সেখানে একই মেঝেতে পাশাপাশি কাজ করে তারা। কিন্তু সাংস্কৃতিক ও জাতিগত পার্থক্যের কারণে মার্কিন ও চীনা শ্রমিকদের মধ্যে একটা নতুন দ্বন্দ্ব উপস্থিত হয়। তদুপরি নতুন মালিকপক্ষ ও ফ্যাক্টরিতে তাদের চালু করা নতুন নিয়মের কড়াকড়ির কারণে একেবারের নতুন অভিজ্ঞতার মুখে পড়ে তারা।

শ্রমিকের সঙ্গে শ্রমিকের ও মালিকপক্ষের সঙ্গে শ্রমিক পক্ষের সম্পর্কের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের অর্থনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে উপজীব্য করে গড়ে ওঠে ‘আমেরিকান ফ্যাক্টরি’র গল্প।

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট করেছে সাইন সফট লিমিটেড
Close